'রেইনকোট' গল্পের প্রধান চরিত্রটির নাম কী?
A. আসমা
B. নুরুল হুদা
C. আব্দুস সাত্তার মেধা
D. মিন্টু
সঠিক উত্তরঃ
B.
নুরুল হুদা
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১। কালীগঞ্জ গ্রামের একজন যুবক রাতের অন্ধকারে ওই গ্রামের মিলিটারি ক্যাম্পে হামলা করে, বোমা মেরে ব্রিজ উড়িয়ে দেয়। প্রচন্ড গোলাগুলির সময় কয়েকজন মিলিটারির হাতে ধরা পড়ে। সেখান থেকে আহত অবস্থায় পালিয়ে বৃদ্ধ বশির দাদার বাড়িতে আশ্রয় নেয় আহাদ। খবর পেয়ে মিলিটারিরা ছুটে আসে কিন্তু আহাদকে পায় না। বৃদ্ধ বশিরকেই তারা তুলে নিয়ে অনেক অত্যাচার করে। বৃদ্ধ বশির গরম লোহার ছ্যাকা সহ্য করে তবুও আহাদের কোনো তথ্য দেয় না। তার কাছে মনে হয় আহাদকে বাঁচানো মানে দেশকে বাঁচানো।'দেশকে মুক্ত করার লক্ষ্যে বৃদ্ধ বশির ও নুরুল হুদার আত্মত্যাগ একই সূত্রে গাঁথা।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'নূরুল হুদার ঝুলন্ত শরীর যেন কবির পূর্বপুরুষ, যার পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত'।এই মন্তব্যের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক হলো-
- 'রেইনকোট' গল্পটি কোন গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত গল্প?
- মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি মোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরি।উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের কোন মনোভাবটি প্রকাশ পেয়েছে?
- ‘রেইনকোট' গল্পে স্টেট ঘাসের রং কী ছিল?
- "রেডিও টেলিভিশনে হরদম বলছে সিচুয়েশন নর্ম্যাল" ব্যাখ্যা কর।
- হত্যাকে উৎসব ভেবে যারা পার্কে মাঠে ক্যাম্পাসে বাজারেবিষাক্ত গ্যাসের মতো বীভৎস গন্ধ দিয়েছে ছড়িয়েআমি তো তাদের জন্য অমন সহজ মৃত্যু করি না কামনা।উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের সঙ্গে কীভা??ে সাদৃশ্যপূর্ণ- ব্যাখ্যা করো।
- মিন্টু কত তারিখে মগবাজারের বাসা থেকে চলে গেল?
- মুক্তির মন্দির সোপানতলেকত প্রাণ হলো বলিদান,লেখা আছে অশ্রুজলে।কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা,বন্দিশালার ওই শিকল ভাঙাতাঁরা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতেযত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে। – মোহিনী চৌধুরী।উদ্দীপকে উল্লিখিত "তাঁরা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতে" পঙক্তিটি 'রেইনকোট' গল্পের সমাপ্তিচিত্রের ইঙ্গিত বহনকারী। কীভাবে? আলোচনা কর।
- মুক্তিযোদ্ধা শ্যালকের রেইনকোট গায়ে দিয়ে কে সাহস ও দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হন?
- 'রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল মনসুন'- ব্যাখ্যা করো।
- 'রেইনকোট' গল্পে রেইনকোটটির মাধ্যমে ব্যঞ্জনাময়প্রকাশ ঘটেছে—
- 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধকালীন অবরুদ্ধ ঢাকার চিত্র ফুটে উঠেছে। ওই সময়ে পাকিস্তানি মিলিটারি ঢাকা শহরকে পুরো নিয়ন্ত্রনে রেখেছিল। সময়ে- অসময়ে কারফিউ জারি করে মানুষকে ঘরে থাকতে বাধ্য করত। কখনো মানুষকে ধরে কিংবা বাস থেকে নামিয়ে লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে মেরে ফেলত। সেই পরিস্থিতিতেই বদিউল আলম তাঁর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা দল নিয়ে ঢাকায় ঢুকে বিভিন্ন অপারেশন চালাত। এভাবেই একদিন গুলিবিদ্ধ হন এবং মারা যান।"উদ্দীপকের বদিউল ও 'রেইনকোট' গল্পের নূরুল হুদা দুজনের মধ্যেই বাঙালির জাতীয় চেতনার স্ফুরণ ঘটেছে বিশ্লেষণ কর।
- 'Dialect' এর পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
- বাতাস আর বৃষ্টির ঝাপটার সঙ্গে কে ঘরে ঢোকে?
- 'মনে হচ্ছে যেন বৃষ্টি পড়ছে রেইনকোর্টের উপর' উক্তিটি দ্বারা লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- ‘রেইনকোট' গল্পটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের কোন গল্পগন্থের অন্তর্গত?
- "খাতক" শব্দের বিপরীত শাব্দ কি ?
- মাস তিনেক পর শহরে গেরিলা অপারেশন করতে এসে রাজাকারের হাতে ধরা পড়ে মিনহাজউদ্দিন। ওকে ক্যাম্পে এনে বকুল গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। উলঙ্গা শাস্তি সকালে দশ বেত। বিকেলে দশ বেতা। এমন দৃশ্য রহমত আলীর জীবনের শ্রেষ্ঠ আনন্দ। শুধু জানালায় বসে থাকলে এ দৃশ্য পুরোপুরি উপভোগ করা যায় না। বেত মারার আগেই বকুলতলায় এসে দাঁড়ায়। দু'কান ভরে মিনহাজউদ্দিনের গোঙ্গানি শোনে। বেইমানের এমন চরম শাস্তিই তো পাওয়া উচিত। যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করার জন্য ভীতু লোকটা সাহসী হয়ে গিয়েছিল। পালিয়েছিল বাড়ি থেকে।"'রেইনকোট' গল্পে মুক্তিযোদ্ধাদের যে গেরিলা আক্রমণের সার্থক চিত্র পাই তা উদ্দীপকে নেই।"-মন্তব্যটির সাথে তুমি কি একমত? যুক্তি দিয়ে বিচার করো।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে একটি ছাত্রাবাস থেকে মিলিটারিরা সাজ্জাদকে তুলে নিয়ে যায়। অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে তারা তার পিতার সন্ধান চায়। ক্ষত-বিক্ষত হয়েও সাজ্জাদ নীরর থাকে। মনে পড়ে বাবার শেষ উপদেশ, 'জীবনের চেয়ে দেশ অনেক বড়ো।' নিজেকে একজন দেশপ্রেমী মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মনে করায় তার বুক ফুলে ওঠে।সাজ্জাদের চেতনা 'রেইনকোট' গল্পের মূলভাবকে কতখানি ধারণ করে বলে তুমি মনে করো? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করো।