অ্যানথ্রাক্স বা তড়কা রোগ হল
RUUnit-Gজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবব্যাক্টেরিয়ার অর্থনৈতিক গুরুত্ব (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
ব্যাকটেরিয়া জনিত
Explanation:

Another Explanation (5):
অ্যানথ্রাক্স বা তড়কা রোগ: একটি ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ 🦠
অ্যানথ্রাক্স একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। এটি Bacillus anthracis নামক ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ছড়ায়। এই ব্যাকটেরিয়া সাধারণত তৃণভোজী প্রাণীদের (যেমন: গরু, ছাগল, ভেড়া🐑🐄🐐) মধ্যে দেখা যায়, তবে মানুষও এতে আক্রান্ত হতে পারে।
অ্যানথ্রাক্স রোগের কারণ 🤔
- ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ: অ্যানথ্রাক্স রোগের প্রধান কারণ হলো Bacillus anthracis ব্যাকটেরিয়ার স্পোর (বীজ)।
- সংক্রমণের উৎস: দূষিত মাটি, পানি অথবা আক্রান্ত প্রাণীর সংস্পর্শে আসা।
- বিভিন্ন পথে সংক্রমণ: শ্বাস-প্রশ্বাস, খাদ্য গ্রহণ অথবা ত্বকের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
অ্যানথ্রাক্স রোগের প্রকারভেদ 🗂️
- ত্বকীয় অ্যানথ্রাক্স: এটি সবচেয়ে সাধারণ এবং কম মারাত্মক। ত্বকে ছোট ফোস্কা পড়ে, যা পরে কালচে ঘায়ে পরিণত হয়।
- শ্বাসযন্ত্রের অ্যানথ্রাক্স: এটি মারাত্মক। শ্বাস लेने में সমস্যা দেখা দেয় এবং দ্রুত শ্বাসকষ্ট শুরু হয়।
- গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল অ্যানথ্রাক্স: দূষিত খাবার খেলে পেটে ব্যথা, বমি ও ডায়রিয়া হতে পারে।
- ইনজেকশন জনিত অ্যানথ্রাক্স: মাদক দ্রব্য ব্যবহারকারিদের মধ্যে হয়ে থাকে।💉
অ্যানথ্রাক্স রোগের লক্ষণ 🤒
| প্রকারভেদ | লক্ষণ |
|---|---|
| ত্বকীয় | ফোস্কা, কালচে ঘা, ফোলা ভাব 🤕 |
| শ্বাসযন্ত্রের | জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা 😥 |
| গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল | পেটে ব্যথা, বমি, ডায়রিয়া 🤮 |
অ্যানথ্রাক্স থেকে बचाव ও চিকিৎসা 🛡️
- ভ্যাকসিন: গবাদি পশুকে নিয়মিত অ্যানথ্রাক্স ভ্যাকসিন দেওয়া উচিত।
- সচেতনতা: অ্যানথ্রাক্স সম্???র্কে জনসচেতনতা বাড়ানো দরকার।
- চিকিৎসা: অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে এর চিকিৎসা করা হয়। দ্রুত চিকিৎসা শুরু করলে রোগীর জীবন বাঁচানো সম্ভব। 👨⚕️
- সাবধানতা: আক্রান্ত পশু বা মৃত পশুর সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।
অ্যানথ্রাক্স রোগ ছড়ানোর ঝুঁকির কারণ ⚠️
- পশু খামার 🚜
- কসাইখানা 🔪
- কৃষি ক্ষেত্র 🌱
- দূষিত পশুর চামড়া অথবা পশমের কাজ 🧶
অ্যানথ্রাক্স একটি গুরুতর রোগ, তাই এর সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। 🙏
আরও তথ্যের জন্য স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট দেখুন। 🌐
Option A Explanation:
- ছত্রাক জনিত: এটি এমন রোগ যা ছত্রাক (ফাঙ্গি) দ্বারা সৃষ্টি হয়।
- ছত্রাকের মাধ্যমে সংক্রমিত হয় এবং সাধারণত ত্বক, নখ, এবং শ্বাসতন্ত্রে দেখা যায়।
- উদাহরণস্বরূপ, কেঁচো, ছত্রাকের সংক্রমণ, এবং কুষ্ঠ রোগ।
- ছত্রাকজনিত রোগের সাধারণ লক্ষণগুলো হলো খোসপাঁচড়া, খোসপড়া, বা গাঁড়া।
- বিশেষ করে গরম ও আর্দ্র পরিবেশে ছত্রাকের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
Option B Explanation:
- ভাইরাস জনিত: এই ধরনের রোগগুলি ভাইরাস দ্বারা সৃষ্টি হয়। ভাইরাস হলো ক্ষুদ্রাকৃতির জীবাণু, যা জীবিত কোষে প্রবেশ করে তাদের নিয়ন্ত্রণ করে রোগ সৃষ্টি করে।
- উদাহরণস্বরূপ, ইনফ্লুয়েঞ্জা, হেপাটাইটিস, ওরুচ ভাইরাস সংক্রমণ ইত্যাদি ভাইরাসজনিত রোগের মধ্যে পড়ে।
- ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য:
- সাধারণত, ভাইরাসের আকার খুবই ক্ষুদ্র—অধিকাংশ ২০-৩০ ন্যানোমিটার।
- এটি শুধুমাত্র অন্য জীবিত কোষে বৃদ্ধি ও বিভাজন করতে পারে।
- ভাইরাসের উপাদান:
- একটি নিউক্লিয়িক অ্যাসিড (DNA বা RNA)
- কভারিং প্রোটিন কৌটা (ক্যাপসিড)
- প্রতিরোধ:
- ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে টিকা, হাইজিন মেনে চলা, ও সংক্রমিত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation:
- ব্যাকটেরিয়া জনিত: অ্যানথ্রাক্স বা তড়কা রোগ সাধারণত ব্যাকটেরিয়া Bacillus anthracis দ্বারা সৃষ্টি হয়।
- এই ব্যাকটেরিয়া একপ্রকার গ্রাম ধনাত্মক, স্পোর গঠনকারী ব্যাকটেরিয়া যা মৃত্তিকা ও মৃতপ্রাণী থেকে উদ্ভূত হয়।
- অ্যানথ্রাক্স রোগের সংক্রমণ মূলত প্রাণীর মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়ায়, বিশেষ করে আক্রান্ত পশুর মাংস বা পশুর উপাদান থেকে।
- এটি সংক্রামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা হয় বলে এটি ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ হিসেবে পরিচিত।
Option D Explanation:
- মাইক্রোপ্লাসম: এটি এক ধরনের এককোষী অণুজীব যা সাধারণত জীবের শরীরে বাস করে। এগুলি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যেমন ব্যাকটেরিয়া, আক্রমণকারী প্রোটোজোয়া, বা অন্যান্য এককোষী অণুজীব।
- প্রকারভেদ: মাইক্রোপ্লাসমের মধ্যে বিভিন্ন প্রকার থাকতে পারে, যেমনঃ
- ব্যাকটেরিয়া
- প্রোটোজোয়া
- আলগি
- গঠন: সাধারণত এদের গঠন সরল এবং এককোষী। এদের মধ্যে অনেক ধরনের জৈব রাসায়নিক উপাদান ও জৈবিক কার্যকলাপ সংঘটিত হয়।
- প্রভাব: কিছু মাইক্রোপ্লাসম জীবের শরীরে বাস করে উপকারী হতে পারে, আবার কিছু ক্ষতিকর হতে পারে এবং রোগ সৃষ্টি করতে পারে।