মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

বৃক্কীয় নালিকায় কোনটি পুনঃশোষিত হয় না?

A. গ্লুকোজ
B. লবণ
C. পানি
D. ক্রিয়েটিনিন
Poster Download
RUUnit-CSet-2জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রবর্জ্য ও নিষ্কাশনরেচনের শারীরবৃত্ত (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. ক্রিয়েটিনিন
Explanation:

Another Explanation (5):

বৃক্কীয় নালিকায় ক্রিয়েটিনিন পুনঃশোষিত হয় না কেন? 🤔

বৃক্কীয় নালিকা (Renal tubule) একটি জটিল পরিস্রাবণ এবং পুনঃশোষণ প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত। এর মাধ্যমে শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ অপসারণ এবং প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো রক্তে ফিরিয়ে আনা হয়। ক্রিয়েটিনিন একটি গুরুত্বপূর্ণ বর্জ্য পদার্থ, যা এই প্রক্রিয়ায় পুনঃশোষিত হয় না। নিচে এর কারণগুলো আলোচনা করা হলো:

ক্রিয়েটিনিন কী? 🧪

  • ক্রিয়েটিনিন হলো ক্রিয়েটিন নামক একটি যৌগের ভাঙনের ফলে উৎপন্ন হওয়া বর্জ্য পদার্থ।
  • এটি মূলত মাংসপেশির স্বাভাবিক কার্যকলাপের ফলে তৈরি হয়। 💪
  • ক্রিয়েটিনিন কিডনির মাধ্যমে শরীর থেকে অপসারিত হয়।

পুনঃশোষণ না হওয়ার কারণসমূহ: 🚫

  1. আণবিক গঠন: ক্রিয়েটিনিনের আণবিক গঠন এমন যে এটি সহজে বৃক্কীয় নালিকার কোষ দ্বারা শোষিত হতে পারে না। 🔬
  2. পরিবহন প্রক্রিয়ার অভাব: ক্রিয়েটিনিনের জন্য বৃক্কীয় নালিকায় কোনো বিশেষ পরিবহন ব্যবস্থা (Transport mechanism) নেই। অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান, যেমন - গ্লুকোজ বা অ্যামিনো অ্যাসিডের জন্য এই ধরণের ব্যবস্থা রয়েছে। 🚚
  3. বর্জ্য পদার্থ হিসেবে চিহ্নিত: শরীর ক্রিয়েটিনিনকে একটি বর্জ্য পদার্থ হিসেবে বিবেচনা করে এবং দ্রুত শরীর থেকে অপসারণ করতে চায়। 🚽
  4. গ্লোমেরুলার পরিস্রাবণ: ক্রিয়েটিনিন গ্লোমেরুলাস (Glomerulus) থেকে অবাধে পরিস্রুত হয়। 🏞️

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: ✅

  • ক্রিয়েটিনিনের পুনঃশোষণ না হওয়ার বৈশিষ্ট্যটি কিডনির কার্যকারিতা মূল্যায়নে কাজে লাগে।
  • রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া কিডনি রোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। ⚠️
  • ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স (Creatinine clearance) পরীক্ষা কিডনির পরিস্রাবণ ক্ষমতা জানতে সাহায্য করে। 💯

ক্রিয়েটিনিন নিয়ে কিছু তথ্য: 📊

বৈশিষ্ট্য বিবরণ
উৎপত্তি পেশী বিপাক (Muscle metabolism)
পরিস্রাবণ গ্লোমেরুলাস (Glomerulus)
পুনঃশোষণ নেই (None)
নির্গমন মূত্রের মাধ্যমে (Urine)

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি ক্রিয়েটিনিন কেন বৃক্কীয় নালিকায় পুনঃশোষিত হয় না, তা বুঝতে সাহায্য করবে। 😊

Option A Explanation:
  • প্রবেশের প্রক্রিয়া: গ্লুকোজ সাধারণত কোষঝিল্লি দিয়ে প্রবেশ করে মূলত সক্রিয় এবং অর্ধসক্রিয় পরিবহনের মাধ্যমে।
  • প্রধান পরিবহন পদ্ধতি: ফ্যাসিলিটেড ডিফিউজন (Facilitated Diffusion) দ্বারা গ্লুকোজ সহজে কোষের ভিতরে প্রবেশ করে।
  • প্রয়োজনীয়তা: শরীরের শক্তির জন্য গ্লুকোজ গুরুত্বপূর্ণ উৎস, তবে এটি সহজে অতিক্রম করতে পারে না কারণ এটি জলদ্রবী এবং বড় আকারের পণ্য।
  • কোষঝিল্লির সীমাবদ্ধতা: কোষঝিল্লি সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিবহন নিশ্চিত করে, তাই গ্লুকোজের মতো বড় বা জলদ্রবী molecules এর জন্য বিশেষ পরিবহন প্রোটিনের প্রয়োজন হয়।
Option B Explanation:
  • প্রকার: লবণ হলো একটি ক্ষারজ সামগ্রী, যা সাধারণত সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) হিসেবে পরিচিত।
  • প্রাকৃতিক উৎস: এটি মূলত সমুদ্রের জল, খনিজ খনির থেকে সংগ্রহ করা হয়।
  • প্রয়োগ: খাদ্যগ্রহণে স্বাদ বাড়ানোর জন্য, সংরক্ষণে, এবং শিল্পে বিভিন্নভাবে ব্যবহৃত হয়।
  • অণু গঠন: এটি একটি আঠারো অণুর যৌগ, যার মধ্যে সোডিয়াম (Na) এবং ক্লোরিন (Cl) আয়ন থাকে।
  • শারীরিক বৈশিষ্ট্য: লবণ সাধারণত সাদা এবং খারাপ স্বাদের হয়। এটি কঠিন কঠিন পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
Option C Explanation:
  • পানি: কোষঝিল্লি বা সেল মেমব্রেন সাধারণত পানির জন্য পারমিয়েবল, তবে এটি সম্পূর্ণভাবে অতিক্রম করতে পারে না।
  • প্রাথমিকভাবে, পানি পারমিয়েবল, অর্থাৎ এটি সহজেই ঝিল্লি দিয়ে যেতে পারে।
  • তবে, যদি জলীয় চাপ বা নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে পরিবর্তন হয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে পানি ধীরে ধীরে অতিক্রম করতে পারে।
  • কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে বা নির্দিষ্ট পরিবেশে, পানি ঝিল্লি দিয়ে অতিক্রমের জন্য বিশেষ প্রোটিন বা ট্রান্সপোর্টার প্রয়োজন হয়।
Option D Explanation:
  • ক্রিয়েটিনিন:
    • একটি প্রকৃতিতে পাওয়া যৌগিক যৌগ যা মূলত পেশির মধ্যে উৎপন্ন হয়।
    • এটি ক্রিয়েটিন থেকে তৈরি হয়, যা পেশির শক্তি সংরক্ষণে সহায়ক।
    • প্রধানত কিডনি দ্বারা প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
    • ইউরিয়া বা অন্যান্য নাইট্রোজেন ধারণকারী পদার্থের থেকে আলাদা, কারণ এটি পেশির কার্যকলাপের দ্বারা নির্গত হয়।
    • রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা কিডনি কার্যকারিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।