নিচের কোন উদ্ভিদে লুকায়িত পত্ররন্ধ্র বিদ্যমান ?
সঠিক উত্তরঃ
C.
করবী
Another Explanation (5): নিচের উদ্ভিদে লুকায়িত পত্ররন্ধ্র (hidden stomata) বিদ্যমান থাকলে তা সাধারণত পত্রের অভ্যন্তরে বা আড়ালে থাকে, যা দৃশ্যমান নয়। এই ধরনের পত্ররন্ধ্রের উপস্থিতি অনেক উদ্ভিদের মধ্যে দেখা যায়।
তবে, প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরে উল্লেখ করা হয়েছে **"করবী"**। করবী (Hibiscus) উদ্ভিদে সাধারণত লুকায়িত বা আড়াল পত্ররন্ধ্র দেখা যায়। এর কারণ হলো:
- আড়ালে বা লুকানো পত্ররন্ধ্র: করবীর পত্রের উপরিভাগে পত্ররন্ধ্রের উপস্থিতি খুব স্পষ্ট নয়, বরং কিছু ক্ষেত্রে তারা আড়ালে বা পত্রের অভ্যন্তরে থাকে।
- প্রকৃতি: এই ধরণের পত্ররন্ধ্র উদ্ভিদের জলবায়ু ও পরিবেশের সাথে মানানসই, যেমন উচ্চ আর্দ্রতা বা শীতল পরিবেশে।
- উপযোগিতা: লুকানো পত্ররন্ধ্র উদ্ভিদকে অতিরিক্ত জলীয় ক্ষয় থেকে রক্ষা করে এবং পানির অপচয় কমায়।
Option A Explanation:
- নাম: আম
- বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ফল যা সাধারণত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- সাধারণ ব্যবহার: খাওয়া হয় সরাসরি, বিভিন্ন মিষ্টি ও মিষ্টিজাত খাবারে ব্যবহার হয়।
- পুষ্টিগুণ: ভিটামিন C, ভিটামিন A, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ও ফাইবারে সমৃদ্ধ।
- চেহারা: পুরু আকারে, সাধারণত হলুদ রঙের এবং মিষ্টি স্বাদের।
Option B Explanation:
- শাপলা (Nymphaea) একটি জলজ উদ্ভিদ যা সাধারণত পুকুর, জলাশয় ও হ্রদে দেখা যায়।
- এটি জলজ উদ্ভিদের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় ও সুন্দর ফুলের জন্য পরিচিত।
- শাপলার পত্ররন্ধ্র লুকায়িত থাকে, যা এর বিশেষ বৈশিষ্ট্যের অংশ।
- পত্ররন্ধ্র হচ্ছে পত্রের মধ্যে থাকা মূল রন্ধ্র বা খাদ্য পরিবহন নালী।
- শাপলার লুকায়িত পত্ররন্ধ্র এর পত্রের ভিতরে অবস্থিত, যা পত্রের গঠন ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করে।
Option C Explanation:
- করবী: করবী হলো একটি ঋতুকালীন উদ্ভিদ যা সাধারণত লুক্কায়িত পত্ররন্দ্র বা কাণ্ডের মধ্যে লুকানো থাকে।
- এটি মূলতঃ তার মূল কাণ্ডের মধ্যে গোপন থাকে এবং ফুলের জন্য প্রস্তুত হয়।
- এটি লুক্কায়িত পত্ররন্দ্রের উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে ফুল বা কাণ্ডের অংশ বাহিরে দেখা যায় না বা সহজে দৃশ্যমান হয় না।
- প্রাকৃতিক বা কৃষি প্রক্রিয়ায় এই ধরনের উদ্ভিদ বিশেষ করে ফুলের জন্য পরিচিত।
Option D Explanation:
সেগুনের বৈশিষ্ট্যসমূহ
- প্রজাতি: সেগুন (Tectona grandis)
- প্রধান ব্যবহার: আসবাবপত্র, ফার্নিচার, কাঠের কাজের জন্য ব্যবহৃত
- উৎপত্তিস্থল: দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত,শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমার
- গবেষণায় জানা যায়: সেগুনের কাঠে জাইলেম ভেসেল অনুপস্থিত নয়; বরং এটি সাধারণত কাঠের জৈবিক গঠন অনুযায়ী জাইলেম ভেসেল উপস্থিত থাকে।