শান্তিবাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে কখন বিলুপ্ত হয়?
JUUnit-BSet-2সাধারন জ্ঞান - বাংলাদেশবাংলার রাজনৈতিক আন্দোলনবাংলার রাজনৈতিক আন্দোলন (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
৫ মার্চ,১৯৯৮
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
শান্তিবাহিনী বিলুপ্তি: একটি পর্যালোচনা 🕊️
শান্তিবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি উল্লেখযোগ্য সশস্ত্র সংগঠন ছিল। এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য ১৯৭০-এর দশকে গঠিত হয়। দীর্ঘ সংঘাতের পর, সরকার এবং শান্তিবাহিনীর মধ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার ফলশ্রুতিতে সংগঠনটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।
বিলুপ্তির প্রেক্ষাপট 📜
- পার্বত্য চট্টগ্রাম সংঘাতের দীর্ঘ ইতিহাস ⛰️
- সরকার ও শান্তিবাহিনীর মধ্যে একাধিকবার শান্তি আলোচনা 🤝
- পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি (১৯৯৭) স্বাক্ষর ✍️
বিলুপ্তির তারিখ 🗓️
শান্তিবাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে ৫ মার্চ, ১৯৯৮ সালে বিলুপ্ত হয়। এই দিনটি পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।
বিলুপ্তির প্রক্রিয়া ⚙️
- শান্তি চুক্তির শর্তাবলী অনুযায়ী, শান্তিবাহিনীর সদস্যদের অস্ত্র সমর্পণ 🔫➡️🕊️
- পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সদস্যদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা🏘️
- সরকার কর্তৃক আত্মসমর্পণকারীদের জন্য আর্থিক সহায়তা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা 💰
বিলুপ্তির পরবর্তী প্রভাব 📈
| দিক | ফলাফল |
|---|---|
| রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা 🏛️ | পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসে। |
| উন্নয়ন 🚧 | এলাকাটিতে উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হয়। |
| আদিবাসী অধিকার ✊ | আদিবাসী জনগণের অধিকারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। |
গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ 👤
- জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা): শান্তিবাহিনীর প্রধান নেতা।
- শেখ হাসিনা: তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী, যাঁর উদ্যোগে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
উপসংহার 🎉
শান্তিবাহিনীর বিলুপ্তি পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। যদিও কিছু সমস্যা এখনও বিদ্যমান, তবে শান্তি চুক্তির মাধ্যমে অর্জিত অগ্রগতি প্রশংসার যোগ্য। এই চুক্তি প্রমাণ করে যে সংলাপ এবং সমঝোতার মাধ্যমে যেকোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব। 🙏
```