বাংলাদেশের প্রথম GM উদ্ভিত কোনটি?
JnUUnit-Aজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবপ্রযুক্তিরিকম্বিনেন্ট DNA টেকনোলজির প্রয়োগ (Topic Practice)JnU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
Bt-বেগুন
Explanation:

Another Explanation (5):
বাংলাদেশের প্রথম জিএম উদ্ভিদ: বিটি বেগুন 🌱
বিটি বেগুন (Bt বেগুন) বাংলাদেশের প্রথম জেনেটিক্যালি মডিফাইড ( genetically modified) বা জিএম ফসল। এটি বেসিলাস থুরিংজেনসিস (Bacillus thuringiensis) নামক একটি ব্যাকটেরিয়ার জিন প্রবেশ করানোর মাধ্যমে উদ্ভাবন করা হয়েছে। এই জিনটি একটি প্রোটিন তৈরি করে যা বেগুন গাছের ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা (Fruit and Shoot Borer) দমনে সহায়ক।
বিটি বেগুন উদ্ভাবনের প্রেক্ষাপট 🔍
- বেগুন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সবজি। 🍆
- ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা বেগুনের ফলনের প্রধান অন্তরায়।🐛
- ঐতিহ্যগত কীটনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে এই পোকা দমন করা পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ☠️
- এই সমস্যা সমাধানে বিটি বেগুন একটি কার্যকর বিকল্প। ✅
বিটি বেগুনের বৈশিষ্ট্য 🧬
- পোকা প্রতিরোধী: বিটি বেগুন গাছে বিটি নামক প্রোটিন তৈরি হওয়ায় এটি ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা প্রতিরোধ করতে পারে। 🛡️
- কম কীটনাশক ব্যবহার: বিটি বেগুন চাষে কীটনাশকের ব্যবহার অনেক কম লাগে। 🧪➡️ ⬇️
- উচ্চ ফলন: পোকার আক্রমণ কম হওয়ায় ফলন তুলনামূলকভাবে বেশি হয়। ⬆️ 🌾
- কৃষকের উপকার: কীটনাশকের খরচ কম হওয়ায় এবং ফলন বেশি হওয়ায় কৃষকরা লাভবান হন। 👨🌾 💰
বিটি বেগুনের প্রকারভেদ 📊
| নাম | বৈশিষ্ট্য | উদ্ভাবনকারী প্রতিষ্ঠান |
|---|---|---|
| বারি বিটি বেগুন ১ (BARI Bt Begun-1) | ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা প্রতিরোধী | বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) 🇧🇩 |
| বারি বিটি বেগুন ২ (BARI Bt Begun-2) | উচ্চ ফলনশীল, রোগ প্রতিরোধী | বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) 🇧🇩 |
| বারি বিটি বেগুন ৩ (BARI Bt Begun-3) | বিভিন্ন অঞ্চলে চাষের উপযোগী | বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) 🇧🇩 |
| বারি বিটি বেগুন ৪ (BARI Bt Begun-4) | নাবী জাত, বেশি ফলন | বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) 🇧🇩 |
সম্ভাব্য ঝুঁকি ও বিতর্ক ⚠️
- জিনগত পরিবর্তন দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশের উপর কেমন প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। 🗣️
- কিছু বিজ্ঞানী এবং পরিবেশবাদীর মতে, বিটি বেগুনের পরাগায়ন স্থানীয় প্রজাতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। 🐝
- মানব স্বাস্থ্যের উপর এর প্রভাব নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন। 👨🔬
উপসংহার 🏁
বিটি বেগুন বাংলাদেশের কৃষিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। এটি পোকা দমনে সহায়ক এবং কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে সাহায্য করে। তবে, এর সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো বিবেচনায় নিয়ে আরও গবেষণা এবং পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। 🌱🔬🇧🇩
আরও জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI)
আশা করি এই ব্যাখ্যাটি আপনার কাজে লাগবে। 😊
Option A Explanation:
- Bt- তুলা: এটি একটি জেনেটিকালি মডিফাইড তুলা, যেখানে Bacillus thuringiensis (Bt) ব্যাকটেরিয়ার জেনের উপাদান যুক্ত করা হয়েছে।
- উদ্দেশ্য: এই তুলা পরিচর্যা করে ক্ষতিকারক পোকামাকড়ের আক্রমণ কমানোর জন্য, ফলে কৃষকদের জন্য অর্থনৈতিক সুবিধা বৃদ্ধি পায়।
- বিশেষতা: Bt- তুলা প্রাকৃতিক বিষাক্ত উপাদান উৎপন্ন করে যা পোকামাকড়ের জন্য ক্ষতিকর, কিন্তু মানবদেহ ও পরিবেশের জন্য নিরাপদ।
- উৎপাদন: এই প্রযুক্তি বাংলাদেশের প্রথম গ্রিন সিগন্যালের মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচিত, যা দেশের কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
Option B Explanation:
- Bt-কলা: এটি একটি জেনেটিকালি মোডিফাইড (GM) কলা, যেখানে ব্যাকটেরিয়ার Bt (Bacillus thuringiensis) জিন সংযোজন করা হয়েছে।
- উদ্দেশ্য: এই পরিবর্তনের মাধ্যমে কলাকে ক্ষতিকারক পোকামাকড়ের থেকে রক্ষা করা হয়, বিশেষ করে কলার পোকার আক্রমণ থেকে।
- উপকারিতা:
- পোকামাকড়ের আক্রমণ কমে যায়, ফলে ফলন বৃদ্ধি পায়।
- রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার কমে যায়, যা পরিবেশের জন্য উপকারী।
- কলা উৎপাদন আরও নিরাপদ ও টেকসই হয়।
- বর্তমানে এটি গবেষণা ও উন্নয়ন পর্যায়ে রয়েছে এবং বাংলাদেশে প্রথম GM কলা হিসেবে বিবেচিত।
Option C Explanation:
- Bt-ডাল: এটি একটি জৈব প্রযুক্তির উদ্ভিদ, যেখানে ব্যাকটেরিয়া Bacillus thuringiensis (Bt) এর জেনটি ডালজাতিতে সংযুক্ত করা হয়েছে।
- উদ্দেশ্য: এটি ক্ষতিকর কীটপতঙ্গের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ফলে ডা?? উৎপাদন আরও নিরাপদ ও ফলপ্রসূ হয়।
- সুবিধা:
- প্রাকৃতিক কীটনাশকের মতো কাজ করে, কৃত্রিম কীটনাশকের প্রয়োজন কমায়।
- উৎপাদন খরচ কমাতে সহায়ক।
- পরিবেশের ওপর কম প্রভাব ফেলে।
- প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে কৃষকদের জন্য একটি নবীন বিকল্প হিসেবে পরিচিত হচ্ছে।
Option D Explanation:
- Bt-বেগুন হলো একটি জেনেটিকালি মোডিফাইড (GM) উদ্ভিদ যা বেগুনের মধ্যে ব্যাকটেরিয়াল জেনেটিক উপাদান (Bt প্রোটিন) সংযোজনের মাধ্যমে তৈরি করা হয়।
- এটি মূলত বেগুনের ক্ষতিকারক পোকামাকড়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- Bt-protein পোকামাকড়ের ক্ষুধা ও পচন প্রতিরোধে সহায়ক, ফলে ফসলের ক্ষতি কমে যায়।
- বাংলাদেশে প্রথম Bt-বেগুনের উন্নয়ন ও পরীক্ষামূলক চাষ করা হয় গত কয়েক বছর ধরে।
- এটি কৃষকদের জন্য উপকারী হতে পারে কারণ এতে রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার কমে এবং ফলের মান বৃদ্ধি পায়।