ই-পাসপোর্ট প্রবর্তনের বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
RUUnit-ASet-4সাধারন জ্ঞান - বাংলাদেশআন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশই-পাসপোর্ট (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
119
Explanation:

Another Explanation (5):
ই-পাসপোর্ট বিশ্বে বাংলাদেশ 🇧🇩
ই-পাসপোর্ট হলো একটি অত্যাধুনিক পাসপোর্ট যেখানে একটি ইলেকট্রনিক চিপ থাকে। এই চিপে পাসপোর্টধারীর ব্যক্তিগত তথ্য, বায়োমেট্রিক ডেটা (যেমন আঙুলের ছাপ) এবং ছবি সংরক্ষিত থাকে। এটি নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে এবং ভ্রমণকে সহজ করে তোলে।
ই-পাসপোর্ট প্রবর্তনে বাংলাদেশের অবস্থান 🌎
ই-পাসপোর্ট প্রবর্তনের ক্ষেত্রে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৯তম।
ই-পাসপোর্ট ব্যবহারের সুবিধা: ✅
- দ্রুত এবং সহজ ভ্রমণ: ই-পাসপোর্টধারীরা স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল সিস্টেম ব্যবহার করে দ্রুত ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে পারেন। ✈️
- নিরাপত্তা বৃদ্ধি: জালিয়াতি করা কঠিন, তাই এটি পাসপোর্টের নিরাপত্তা বাড়ায়। 🛡️
- বিশ্বের আধুনিকতম প্রযুক্তির ব্যবহার: আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে তৈরি। ⚙️
- ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সহজ: কিছু দেশে ভিসার জন্য আবেদন করা সহজ হয়। 📝
বিভিন্ন দেশের ই-পাসপোর্ট প্রবর্তনের তালিকা (উদাহরণ): 📊
| দেশ | ই-পাসপোর্ট প্রবর্তন সাল |
|---|---|
| মালয়েশিয়া | ১৯৯৮ |
| অস্ট্রেলিয়া | ২০০৫ |
| যুক্তরাজ্য | ২০০৬ |
| ভারত | ২০০৮ |
| বাংলাদেশ | ২০২০ |
ই-পাসপোর্ট সম্পর্কিত কিছু তথ্য: ℹ️
- ই-পাসপোর্টের চিপে থাকা তথ্য সুরক্ষিত রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। 🔒
- ই-পাসপোর্ট বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ১২০টির বেশি দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। 🗺️
- আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (ICAO) ই-পাসপোর্টের মান নির্ধারণ করে। ✈️
আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার কাজে লাগবে। 👍