হাইড্রার কোন প্রজাতিটি বাংলাদেশে পাওয়া যায় না?
JUUnit-DSet-5জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর পরিচিতিহাইড্রার গঠন (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
H. americana
Explanation: হাইড্রার H. americana প্রজাতিটি বাংলাদেশে পাওয়া যায় না। সঠিক উত্তর Option B। Option A: H. vulgaris, Option C: H. oligactis এবং Option D: H. viridissima বাংলাদেশে পাওয়া যায়। নোট: হাইড্রা জলে বাস করা একটি নিডারিয়ান প্রাণী যা বাংলাদেশে প্রচলিত।
Another Explanation (5): ```html
বাংলাদেশে হাইড্রার প্রজাতি বৈচিত্র্য 🐸
হাইড্রা মূলত মিঠাপানির ছোট বহুকোষী প্রাণী। বাংলাদেশে এদের কিছু প্রজাতি পাওয়া গেলেও H. americana এখানে অনুপস্থিত। নিচে একটি তুলনামূলক আলোচনা দেওয়া হলো:
বাংলাদেশে প্রাপ্ত হাইড্রার প্রজাতিসমূহ 🌿
- Hydra vulgaris 🧬
- Hydra oligactis 💧
- Hydra viridissima (সবুজ হাইড্রা নামে পরিচিত) 🟢
যে কারণে H. americana বাংলাদেশে নেই 🤔
- ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা 🌍: এদের বসবাসের জন্য অনুকূল পরিবেশ এখানে নেই।
- জলবায়ু পরিবর্তন 🌡️: বাংলাদেশের জলবায়ু এই প্রজাতির জন্য উপযুক্ত নয়।
- প্রতিযোগী প্রজাতি ⚔️: স্থানীয় হাইড্রার প্রজাতিগুলোর সঙ্গে তারা প্রতিযোগিতায় টিকতে পারে না।
তুলনামূলক ছক 📊
| বৈশিষ্ট্য | Hydra vulgaris | Hydra oligactis | Hydra viridissima | H. americana |
|---|---|---|---|---|
| আকার 📏 | ছোট (প্রায় 10 মিমি) | মাঝারি (প্রায় 15 মিমি) | ছোট (প্রায় 8 মিমি) | মাঝারি (10-20 মিমি) |
| রং 🎨 | বাদামী অথবা সাদা | বাদামী | সবুজ ( শৈবালের কারণে) | গোলাপি বা বাদামী |
| পরিবেশ 🏞️ | পুকুর, হ্রদ | নদী, হ্রদ | স্বচ্ছ জল | স্থির জল, পুকুর |
| উপস্থিতি 📍(বাংলাদেশ) | আছে ✅ | আছে ✅ | আছে ✅ | নেই ❌ |
অতিরিক্ত তথ্য 💡
হাইড্রার পুনরুৎপাদন ক্ষমতা অসাধারণ। এরা মুকুলোদগম (Budding) প্রক্রিয়ায় বংশবৃদ্ধি করে। 🌱
আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া
আশা করি তথ্যটি আপনার কাজে লাগবে। ধন্যবাদ! 🙏
```Option A Explanation:
H. vulgaris এর ব্যাখ্যা
- প্রজাতি: Hydra vulgaris
- প্রকার: মিথোজীবী প্রাণী (Hermaphroditic organism)
- অবস্থান: সাধারণত freshwater (তরলজলীয়) পরিবেশে দেখা যায়।
- উৎপত্তিস্থল: প্রাথমিকভাবে ইউরোপ, এশিয়া, এবং উত্তর আমেরিকার freshwater ঝর্ণা ও পুকুরে পাওয়া যায়।
- আকার: ছোট, কেবল কয়েক মিলিমিটার থেকে এক সেন্টিমিটার পর্যন্ত আকারে দেখা যায়।
- সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- অসংখ্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সমন্বয়ে গঠিত, যেমনঃ পাখনা, পা, এবং মুখ।
- নির্ভরশীলতা ছাড়াই পুনরুত্পাদন করতে সক্ষম, যেমনঃ বিভাজন ও অঙ্কুরের মাধ্যমে।
- উল্লেখযোগ্য: এই প্রজাতির Hydra সাধারণত মিথোজীবী (Hermaphroditic) হয়, অর্থাৎ এক ব্যক্তিতে স্ত্রী ও পুরুষ উভয় প্রজনন অঙ্গ থাকা সম্ভব।
Option B Explanation:
H. americana
- প্রজাতিটি হাইড্রা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত
- এটি মূলত উত্তর আমেরিকা অঞ্চলে পাওয়া যায়
- বাংলাদেশে এর উপস্থিতির কোন প্রমাণ নেই
- সাধারণত শৈবাল বা জলজ উদ্ভিদে বাস করে
- অন্য হাইড্রা প্রজাতির মতোই এই প্রজাতির বৈশিষ্ট্যগুলি জলজ জীবের মধ্যে দেখা যায়
Option C Explanation:
H. oligactis এর ব্যাখ্যা
- প্রজাতির নাম: Hydractinia oligactis
- প্রকার: মিথোজীবী প্রাণী
- শরীরের গঠন: জেলির মত একটি শরীর, যা সাধারনত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা মাথা নেই
- অবস্থান: সামুদ্রিক পরিবেশে পাওয়া যায়, সাধারণত শিলার উপর বসবাস করে
- অন্য বৈশিষ্ট্য: এই প্রজাতি তার ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীভিত্তিক জীবনযাত্রা চালায়, এবং অঙ্গীকারের মাধ্যমে একে অন্যের সাথে যুক্ত থাকে
Option D Explanation:
- Habitat: H. viridissima সাধারণত উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে পাওয়া যায়, যেমন নদী, জলাশয় ও পুকুরের পানিতে।
- প্রজাতির বৈশিষ্ট্য: এটি একটি প্রজাতি যা সাধারণত সবুজ রঙের হয়ে থাকে এবং জলজ প্রজাতির মধ্যে জনপ্রিয়।
- প্রজনন: H. viridissima মূলত অসমপ্রজনন ও যৌথপ্রজননের মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়।
- প্রচলিত অঞ্চল: এটি এশিয়া এবং ইউরোপে ব্যাপকভাবে দেখা যায়। বাংলাদেশে এটি সাধারণত জলাধারে পাওয়া যায়।
- গবেষণার গুরুত্ব: H. viridissima এর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও জীবনচক্রের উপর বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণা চলে।