মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত ‘অমিত্রাক্ষর ছন্দ’ প্রকৃত পক্ষে বাংলা কোন ছন্দের নব-রুপায়ন?
A. স্বরবৃত্ত ছন্দ
B. অক্ষরবৃত্ত ছন্দ
C. মাত্রাবৃত্ত ছন্দ
D. গৈরিশ ছন্দ
সঠিক উত্তরঃ
B.
অক্ষরবৃত্ত ছন্দ
Explanation: অক্ষরবৃত্ত ছন্দ বাংলা সাহিত্যে প্রচলিত প্রধান তিনটি ছন্দের একটি। অন্য দুটি হলো স্বরবৃত্ত ছন্দ এবং মাত্রাবৃত্ত ছন্দ। অক্ষরবৃত্ত ছন্দে লেখা কবিতাগুলোর মূলপর্ব সাধারণত ৮ বা ১০ হয়। কাব্যে যে ছন্দে চরণদ্বয়ের অন্ত্যবর্ণের মিল থাকে না, তাকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ বলে। অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রকৃত পক্ষে অক্ষরবৃত্ত ছন্দের নবরূপ। যা ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তন করেছিলেন। ১৮৬০ সালে প্রকাশিত পদ্মাবতী নাটকের ২য় অঙ্কের ২য় গর্ভাঙ্কে মধুসূদন সর্বপ্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রয়োগ করেছিলেন। এই ছন্দকে মিশ্রকলাবৃত্ত, তানপ্রধান ছন্দ ইত্যাদি নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে।
Related Questions (Any University/Year)
- বিভীষণের প্রতি মেঘানদ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় 'অরিন্দম' বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
- ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল যাদের বিশ্বাসঘাতকতায় তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান সেনাপতি মীরজাফর। প্রধান সেনাপতি হয়েও তিনি ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। শুধু মীরজাফরই নয় রাজবল্লভ, রায়দুর্লভ, উমিচাঁদ, জগৎশেঠও যুদ্ধে চরম অসহযোগিতা করেছে। কিন্তু মোহনলাল ও মীরমর্দান বাঙালি জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে নি। দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন এবং জীবন দিয়েছেন। পক্ষান্তরে মীরজাফর এবং তার দোসররা বাঙালি জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে এবং বাঙালি জাতিকে প্রায় ২০০ বছর ইংরেজদের গোলামি করতে বাধ্য করেছে।"উদ্দীপকটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার আংশিক রূপায়ণ মাত্র"- তোমার মতামতসহ উক্তিটি বিচার করো।
- লক্ষ্মণের মায়ের নাম কী?
- জীবনযাপনের সমস্ত সুবিধা নিশ্চিত থাকার পরও কেবলঅসৎসঙ্গের কারণে নেশা ও সন্ত্রাসের পথ বেছে নেয়ইকবাল ।উদ্দীপকের ইকবাল 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ'কবিতার কোন চরিত্রের সাথে তুলনীয়?
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বঙ্গভাষা’ কবিতাটিতে মূলত কী ভাবে প্রকাশ পেয়েছে?
- "শাস্ত্রে বলে, গুণবান যদি পরজন,গুণহীন স্বজন, তথাপি নির্গুণ স্বজনশ্রেয়, পরঃপর সদা"- বুঝিয়ে দাও।
- চতুর্দশপদী কবিতাবলীর রচয়িতা কে?
- একসময় ঈশা খাঁর ??ঙ্গে মানসিংহের যুদ্ধ হয়। রণনিপুণ ঈশা খাঁর তরবারির আঘাতে মানসিংহের তরবারি দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। মানসিংহ অসহায় হয়ে পড়েন। ঈশা খাঁ চাইলে এই অবস্থায় মানসিংহকে হত্যা করতে পারতেন। কিন্তু, বীরযোদ্ধা ঈশা খাঁ তা না করে নিজের কোষ থেকে একখানি ভালো, তলোয়ার বের করে মানসিংহকে উপহার দিয়ে পুনরায় যুদ্ধে আহবান জানালেন। মানসিংহ ঈশা খাঁর এই মহানুভবতা, ঔদার্য ও বীরধর্মের আদর্শ দেখে মুগ্ধ হলেন এবং যুদ্ধের পরিবর্তে সন্ধি স্থাপনে এগিয়ে এলেন।উদ্দীপকের ঈশা খাঁ ও 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার লক্ষ্মণের আদর্শগত বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- বিভীষণের প্রতি মেঘনাদের চরম ঘৃণা প্রকাশপেয়েছে কোনটিতে?
- 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'সনেট' এর উৎপত্তি কোন দেশে?
- “বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ” কবিতায় 'রাবণ' অনুজবলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
- 'সনেট' কাব্যাঙ্গিক কোনটি?
- বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন করেন কে ?
- কোন শব্দটি দ্বারা মেঘনাদকে বোঝানো হয়েছে?
- কোনটি সনেট ?
- 'অক্ষরবৃত্ত' কোন ছন্দের সাথে মিল আছে?
- জীবনযাপনের সমস্ত সুবিধা নিশ্চিত থাকার পরও কেবলঅসৎসঙ্গের কারণে নেশা ও সন্ত্রাসের পথ বেছে নেয়ইকবাল ।উদ্দীপকটি ভাবগত দিক থেকে 'বিভীষণের প্রতিমেঘনাদ' কবিতার কোন অংশকে ধারণ করে?
- কোনটি মধুসূদন দত্তের রচনা নয়?