‘এ বয়স জেনো ভীরু কাপুরুষ নয় - পঙক্তিতে কত বছর
বয়সের কথা বলা হয়েছে?
A.
১৬ বছর
B.
১৭ বছর
C.
১৮ বছর
D.
১৯ বছর
সঠিক উত্তরঃ
C.
১৮ বছর
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'আকাল' সুকান্ত ভট্টাচার্যের কী ধরনের রচনা?
- মালিহা আর নীলা সহপাঠী। দুজনই লেখাপাড়ায় বেশ ভালো। স্কুলজীবন পার হতে না হতেই নীলা মিশে যায় কিছু বখাটে বন্ধুর সাথে। এখানে তার শিক্ষাজীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে। তার নাম শুনলে মেয়েরা আঁতকে ওঠে। অপরদিকে মালিহা কলেজ পেরিয়ে মেডিকেল কলেজে পড়ে। বাংলাদেশের অবহেলিত নারীদের অধিকার আদায়ে সে এখন কাজ করে। আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়। সংগঠিত করে সহপাঠী মেয়ে বন্ধুদের, আর প্রতিজ্ঞা করে জীবন দিয়ে হলেও নারীদের যথাযথ অধিকার প্রতিষ্ঠা করবেই।'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা'-উক্তিটি উদ্দীপকের নীলার ক্ষেত্রে কীভাবে প্রযোজ্য? বুঝিয়ে দাও।
- ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর? প্রলয় নতুন সৃজন বেদন।আসছে নবীন জীবন হারা অসুন্দরে করতে ছেদন।'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উল্লিখিত আঠারো বছরবয়সের কোন বৈশিষ্ট্যটি উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- আমাদের তরুণরাই দেশ ও জাতির চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়াক- এই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে নিম্নের কোন চরণে?
- পাড়ার সকলের প্রিয় পন্টু। অদ্ভুত তার চরিত্র। এখনই কারো গাছের ফল চুরি করে খেলো, তো পরক্ষণেই শীতার্তকে নিজের গায়ের জামা খুলে দিয়ে দিলো। কখনো গৃহস্থের গরুর গলার রশি খুলে দিয়ে মজা করছে, কখনো মহিলাদের আড্ডায় রাবারের সাপ ছেড়ে দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে, কখনো পথচারীর গায়ে সাইকেল তুলে দিয়ে খিলখিল করে হাসছে। সেই পন্টুই আবার প্রতিবেশীর বাড়িতে হামলা করা ডাকাত দলকে একাই রুখে দিতে লড়াই করছে। কারো বাচ্চাটাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, কারো অসুস্থ আত্মীয়কে হাসপাতালে নিতে হবে, কোনো কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার বিয়ের সব ব্যবস্থাপনা করে দিতে হবে, কারো অন্ন-বস্ত্রের সংস্থান করতে হবে-এ সবে পল্টই সর্বাগ্রে।পল্টুর পরোপকারের বিষয়টি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটির ইঙ্গিতবাহী? বুঝিয়ে দাও।
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
- 'এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'-কবির এ প্রত্যাশা কেন?
- “আঠারো বছর বয়স' কবিতা অনুসারে আঠারোবছর বয়স কী জানে না?
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নির্বিচারে বাঙালিকে হত্যা করে। দেশ ও জাতির এই ক্রান্তিকালে তরুণ যুবক রহিম আর চুপ থাকতে পারে না। অপরিসীম সাহস নিয়ে সে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। জীবনের মায়া ত্যাগ করে দেশ ও দশের কল্যাণে সে নিজেকে উপসর্গ করে।'সকল বাধা অতিক্রম করে আত্মত্যাগ ও মানব-কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করা আঠারো বছর বয়সের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।' উদ্দীপক ও কবিতার আলোকে উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
- এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে। কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে কবি এই প্রত্যাশা করেছেন?
- আঠারো বছর বয়স' কবিতায় এ বয়স বাঁচে কীভাবে?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- ব্যাখ্যা করো।
- আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়?
- 'আঠারো বছর বয়সে আঘাত আসে'- কীসের আঘাত আঠারো বছর বয়সিদের জীবনে ঘন ঘন আসে?
- মথুরাপুর গ্রামের তরুণ সমাজ একত্র হয়ে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বিনা মূল্যে দুস্থদের চিকিৎসা সেবা এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। এর ফলে একদিকে যেমন মানুষকে মরতে হচ্ছেনা চিকিৎসা ও রক্তের অভাবে, অন্যদিকে এলাকার বেকার ও অলস জীবনযাপনকারী ছেলেমেয়েদের জীবন বদলে গেছে। সেবার মহান ব্রত নিয়ে গোটা সমাজটাকে পালটে ফেলার চেষ্টা করছে তারা। আর তরুণ প্রজন্মের এমন কার্যক্রমে স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকাবাসীর মধ্যে।উদ্দীপকের তরুণদের কার্যক্রমের মাঝে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- " এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে" এ বাক্যে 'আঠারো' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- প্রাণ দেয়া নেওয়ার ঝুলিটা থাকে না শূণ্য - পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- "আঠারো বছর বয়স" কবিতা কোন ছন্দে রচিত?
- মথুরাপুর গ্রামের তরুণ সমাজ একত্র হয়ে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বিনা মূল্যে দুস্থদের চিকিৎসা সেবা এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। এর ফলে একদিকে যেমন মানুষকে মরতে হচ্ছেনা চিকিৎসা ও রক্তের অভাবে, অন্যদিকে এলাকার বেকার ও অলস জীবনযাপনকারী ছেলেমেয়েদের জীবন বদলে গেছে। সেবার মহান ব্রত নিয়ে গোটা সমাজটাকে পালটে ফেলার চেষ্টা করছে তারা। আর তরুণ প্রজন্মের এমন কার্যক্রমে স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকাবাসীর মধ্যে।"উদ্দীপকটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আংশিক ভাব ধারণ করেছে।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- বর্ণিল জগৎ সন্ধানে যারা ছুটে মেরু-অভিযানে,পক্ষ বাঁধিয়া উড়িয়া চলেছে যাহারা ঊর্ধ্বপানে।তবু থামে না যৌবন-বেগ, জীবনের উল্লাসেচলেছে চন্দ্র-মঙ্গল-গ্রহে স্বর্গে অসীমাকাশে।যারা জীবনের দাসরা বহিয়া মৃত্যুর দ্বারে দ্বারেকরিতেছে ফিরি, ভীম রণভূমে প্রাণ বাজি রেখে ছারে।আমি মরু-কবি-গাহি সেই বেদে-বেদুইনদের গান,'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'-কবির এ প্রত্যাশার কারণ কী? উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- আঠারো বছর বয়স' কোন ছন্দে রচিত?
- স্টিমারের প্রসঙ্গ এসেছে কোন কবিতায়?
- আমরা নূতন যৌবনের দূতআমরা চঞ্চল আমরা অদ্ভুত।আমরা বেড়াভাঙি।আমরা অশোকবনেররাঙা নেশায় রাঙি।ঝঞ্ঝার বন্ধন ছিন্ন করে দেই-আমরা বিদ্যুৎ।আমরা করি ভুলঅগাধ জলে ঝাঁপ দিয়েযুঝিয়ে পাই কূল।যেখানে ডাক পড়েজীবন মরণ ঝড়েআমরা প্রস্তুত।"উদ্দীপকের প্রাণধর্ম ও যৌবন-ধর্ম 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় পরিলক্ষিত হয়"- মন্তব্যটি যাচাই কর।
- তমাল ও পিয়াল দুই বন্ধু মেধাবী ছাত্র হিসেবে প্রশংসিত হয়েছিল পরিচিতজনের কাছে। কৃতিত্বের সাথে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশের পর তমাল ঢাকা মেডিকেল কলেজে আর পিয়াল রাজধানীর একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। লেখাপড়ার পাশাপাশি তমাল খেলাধুলা, বিতর্ক ইত্যাদিতেও অংশগ্রহণ করে বেশ সুনাম অর্জন করেছে। অন্যদিকে পিয়াল খারাপ বন্ধুদের সংস্পর্শে পড়ে মাদকসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েছে। দুই বন্ধুর জীবন আজ দুটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত।উদ্দীপকের আঠারো বছর বয়সের কোন কোন প্রবণতা ফুটে উঠেছে তা বুঝিয়ে লেখ।
- উড়ছে, উড়ছে অবিরামআমাদের হৃদয়ের রৌদ্র ঝলসিত প্রতিধ্বনিময় মাঠেআমাদের চৈতন্যের মোর্চায়।…………….…………….…………….……………আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা।'আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা'- উদ্দীপকের এই চরণটির আলোকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি বিশ্লেষণ করো।
- জুলে-পুড়ে মরে ছারখার তুব মাথা নোয়াবার নয়'। কবিতাংশটি -
- 'বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী' বলতে কী বোঝায়?
- 'এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'- ব্যাখ্যা কর।
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় তরুণরা স্বাধীনভাবে চলার ইচ্ছা পোষণ করে, কারণ তারা-আত্মপ্রত্যয়ীস্বাধীনচেতাসংশয়হীননিচের কোনটি সঠিক?
- আঠারো বছর বয়সে কি উঁকি দেয়?
- 'এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'রক্তদানের পুণ্য' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘আঠারো বছর বয়স' কবিতায় 'স্পর্ধায় নেয় মাথাতোলবার ঝুঁকি।'- চরণটিতে প্রকাশ পেয়েছেতরুণদের—
- 'এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- আঠারো বছর বয়স কীসে বাঁচে?
- তারুণ্য হলো মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ বয়সে অনেক তিক্ত-মধুর অভিজ্ঞতা থাকে। পড়াশোনা শেষ করে চাকরির জন্য ছোটা, অর্থকষ্টে দিনাতিপাত করা; আবার যেকোনো অসৎ সঙ্গে নষ্ট হওয়া থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা। এসকল প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে একজন তরুণকে পথ চলতে হয়। অর্থাৎ একজন তরুণকে বন্ধুর পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়।" 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উদ্দীপকের বিষয়গত ভাবের ইঙ্গিত আছে।"- যুক্তিসহ মূল্যায়ন করো।
- তরুণ নামের জয়মুকুট শুধু তাহারই যাহার শক্তি অপরমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ড প্রায়; বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে।"এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'-পাঠ্য কবিতায় এ সুর থাকলেও উদ্দীপকে তা প্রতিধ্বনিত হয়নি।"- যুক্তি দিয়ে বিচার করো।
- উড়ছে, উড়ছে অবিরামআমাদের হৃদয়ের রৌদ্র ঝলসিত প্রতিধ্বনিময় মাঠেআমাদের চৈতন্যের মোর্চায়।…………….…………….…………….……………আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা।উদ্দীপকের সাথে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার চেতনাগত সাদৃশ্য আলোচনা করো।