মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

নিআর্কটিক প্রাণিভৌগোলিক এলাকায় কোন দেশটি অন্তর্ভুক্ত ?

A. উত্তর আমেরিকা
B. দক্ষিণ আমেরিকা
C. চীন
D. ইথিওপিয়া
Poster Download
DUUnit-Aজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষনপ্রাণিভৌগোলিক অঞ্চল (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. উত্তর আমেরিকা
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: পৃথিবীকে বিভিন্ন প্রাণিবৈচিত্র্যভিত্তিক এলাকায় ভাগ করা হয়েছে, যার মধ্যে নিয়ার্কটিক অঞ্চল অন্যতম। অপশন বিশ্লেষণ: A. উত্তর আমেরিকা: সঠিক, এটি নিয়ার্কটিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। B. দক্ষিণ আমেরিকা: ভুল, এটি নিয়োট্রপিকাল অঞ্চলের অংশ। C. চীন: ভুল, এটি পেলিয়ার্কটিক অঞ্চলের অংশ। D. ইথিওপিয়া: ভুল, এটি ইথিওপিয়ান অঞ্চলের অংশ। নোট: নিয়ার্কটিক অঞ্চল মূলত উত্তর আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত যেখানে শীতল জলবায়ু ও বৈচিত্র্যময় প্রাণীবৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
Another Explanation (5):

নিয়ার্কটিক প্রাণিভৌগোলিক এলাকার অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহ

নিয়ার্কটিক অঞ্চলটি সাধারণত পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তরের মহাদেশ হিসেবে পরিচিত। এই অঞ্চলটি মূলত মহাদেশ নয়, বরং একটি মহাদেশের মতো। তবে, বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণে এই এলাকার সম্পদ ও পরিবেশের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

নিয়ার্কটিক অঞ্চলে অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহ:

  • অস্ট্রেলিয়া 🦘
  • প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশসমূহ 🌊
  • নিউজিল্যান্ড 🇳🇿
  • আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে অন্যান্য দেশও এখানে সক্রিয় ভূমিকা রাখে।

বিশ্লেষণ:

প্রশ্নে উল্লেখ করা হয়েছে, নিআর্কটিক প্রাণিভৌগোলিক এলাকাটি কোন দেশ বা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত? 🧭

প্রশ্নের ধরন উত্তর ব্যাখ্যা
নিয়ার্কটিক এলাকা উত্তর আমেরিকা যদিও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অংশ, তবে নিআর্কটিক অঞ্চলটি স্বতন্ত্র এবং আলাদা মহাদেশ হিসেবে বিবেচিত।

সংশ্লিষ্ট তথ্য:

নিয়ার্কটিক মহাদেশটি মূলতঃ একমাত্র মহাদেশ যা সম্পূর্ণভাবে অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত। এটি মূলতঃ অ্যান্টার্কটিকা চুক্তির অধীনস্থ।

তাই, সঠিক উত্তর হলো: অ্যান্টার্কটিকা বা Antarctica

অতএব, প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়েছিল, "উত্তর আমেরিকা"। তবে, বাস্তবতায়, নিআর্কটিক প্রাণিভৌগোলিক এলাকাটি মূলতঃ অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত, যা আলাদা মহাদেশ হিসেবে পরিচিত।

🧭 এই বিবরণে বোঝা যায় যে, নিআর্কটিক এলাকা সাধারণত মহাদেশিকভাবে অ্যান্টার্কটিকা হিসেবে গণ্য হয়।

Option A Explanation:
  • আর্মাডিলো প্রাণীটি উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • এটি মূলত উত্তর আমেরিকার পশ্চিমাঞ্চলে, বিশেষ করে মেক্সিকো থেকে ক্যালিফোর্নিয়া, ইউটাহ, অ্যারিজোনা, এবং নেভাডা প্রভৃতি রাজ্যগুলিতে পাওয়া যায়।
  • প্রাণীটি পাহাড়ি ও ঝোপঝাড়ে বাস করে এবং শিকার খুঁজে খায়।
  • উত্তর আমেরিকা ছাড়াও এটি অন্যান্য মহাদেশে কম দেখা যায় বা পাওয়া যায় না।
Option B Explanation:
  • আর্মাডিলো: এটি একটি ছোট, আর্মারযুক্ত স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা সাধারণত দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • প্রজনন পরিবেশ: এই প্রাণীটি মূলত গাছে বাস করে এবং উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে ভালো মানিয়ে নিতে সক্ষম।
  • প্রজনন এলাকা: দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন দেশের বনাঞ্চল, গুহা ও গাছে এর উপস্থিতি দেখা যায়।
  • প্রাকৃতিক বসবাসের অঞ্চল: অ্যামাজন রেনফরেস্টের মতো ঘন জঙ্গল থেকে শুরু করে খোলা অঞ্চলেও দেখা যায়।
  • সংরক্ষণ অবস্থা: বর্তমানে এটি বিভিন্ন ধরনের পরিবেশগত হুমকি এবং আবাসস্থল ধ্বংসের কারণে সংরক্ষণের জন্য গুরুত্ব দেওয়া হয়।
Option C Explanation:
  • অবস্থান: চীন এশিয়া মহাদেশের পূর্ব অংশে অবস্থিত, যা এশিয়ার বৃহত্তম দেশ।
  • অঞ্চল: চীন মূলত উত্তর-পূর্ব এশিয়ার অংশ।
  • প্রাণিভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য: এটি বিভিন্ন উচ্চভূমি, পর্বতশ্রেণী, এবং বিশাল সমভূমির জন্য পরিচিত। উত্তর চীন মূলত সমতল ভূমি এবং মরুভূমি দ্বারা আচ্ছাদিত।
  • উপযুক্ত অঞ্চল: চীনের উত্তরাঞ্চল, যেখানে নিআর্কটি?? প্রবণতা নেই, বরং এটি মূলত শীতল জলবায়ু এবং শীতে হিমাঙ্কের নিচে নামতে পারে।
  • প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য: এই অঞ্চলে বিভিন্ন প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য দেখা যায়, যেমন ঠাণ্ডা জলবায়ু, বরফের আচ্ছাদিত পাহাড়, এবং শীতকালীন পরিবেশ।
Option D Explanation:
  • ইথিওপিয়া : এটি একটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ যা অফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
  • প্রধান ভূখণ্ড: আফ্রিকা মহাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত, এর রাজধানী হলো আদ্দিস আবাবা।
  • প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য: এই দেশের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য খুবই বেশি, যেখানে রয়েছে পাহাড়, সমভূমি, অরণ্য ও মরুভূমি।
  • প্রাণী ও উদ্ভিদ: ইথিওপিয়া বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য পরিচিত, বিশেষ করে অরণ্য ও পর্বত অঞ্চলে।
  • প্রাকৃতিক সম্পদ: এই দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ হলো স্বর্ণ, তামা, গ্যাস ও জলবিদ্যুৎ।