কোন নদীকে বাংলাদেশের মৎস্য খনি বলা হয়?
NSTUUnit-Bজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর পরিচিতিরুই মাছের প্রজনন ও জীবনবৃত্তান্ত (Topic Practice)NSTU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
হালদা
Explanation:

Another Explanation (5):
হালদা নদী: বাংলাদেশের মৎস্য খনি 🐟
হালদা নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত। এটি শুধু একটি নদী নয়, এটি বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস। এটিকে "বাংলাদেশের মৎস্য খনি" নামে অভিহিত করা হয়।
হালদা নদীর বিশেষত্ব ✨
- প্???াকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র: এটি রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউশ মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র।
- জোয়ার-ভাটা: এই নদীতে জোয়ার-ভাটা দেখা যায়।🌊
- ভূ-প্রকৃতি: নদীর পাড় খাড়া এবং তলদেশ তুলনামূলকভাবে গভীর।
- বৃষ্টিপাত: বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, যা মাছের প্রজননে সহায়ক।🌧️
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: ডিম ছাড়ার অনুকূল পরিবেশ🌡️ এবং বজ্রপাতের⚡ঘটনাও ডিম ছাড়ার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে।
মৎস্য খনি হিসেবে গুরুত্ব 📊
হালদা নদী থেকে প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে মাছের ডিম সংগ্রহ করা হয়। এই ডিম থেকে পোনা তৈরি করে সারা দেশে সরবরাহ করা হয়।
| মাছের প্রজাতি | গুরুত্ব |
|---|---|
| রুই | অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ🐟💰 |
| কাতলা | সুস্বাদু এবং জনপ্রিয় খাবার😋 |
| মৃগেল | দ্রুত বর্ধনশীল প্রজাতি🌱 |
| কালিবাউশ | স্থানীয় বাজারে চাহিদা সম্পন্ন🛍️ |
সংরক্ষণ ও চ্যালেঞ্জ 🚧
হালদা নদীর মৎস্য সম্পদ টিকিয়ে রাখার জন্য কিছু পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি:
- নদীর দূষণ রোধ করা 🚫
- অবৈধ মাছ ধরা বন্ধ করা 🎣
- নদীর পাড় সংরক্ষণ করা 🏞️
- সচেতনতা বৃদ্ধি করা📢
নানা প্রতিকূলতা ও দূষণ সত্ত্বেও হালদা নদী এখনও বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদের অন্যতম আশা। একে বাঁচিয়ে রাখতে আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার।🤝
আসুন, আমরা সবাই মিলে হালদা নদীকে রক্ষা করি। 💖
ধন্যবাদ 🙏
Option A Explanation:
- পদ্মা নদী: এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ নদী, যা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- পদ্মা নদীর তীরে বিশাল পরিমাণ মাছের প্রজনন স্থান রয়েছে, যা দেশের মাছের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- এটি প্রধানতঃ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের জন্য পরিচিত, যেমনঃ ইলিশ, রূপা, শামুক, কালি মাছ ইত্যাদি।
- পদ্মা নদীকে বাংলাদেশের মৎস্য খনি বলা হয় কারণ এটি মাছের জন্য এক বিশাল প্রাকৃতিক আহরণ ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।
Option B Explanation:
- নদীর নাম: পসুর
- অবস্থান: বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে সীমান্তবর্তী অঞ্চল
- বিশেষত্ব: এই নদীটি বিভিন্ন ধরনের মাছের জন্য পরিচিত, যা স্থানীয় মোটামুটি বড় আকারের মাছের প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচিত।
- মৎস্য সম্পদ: পসুর নদীতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়, যেমন: বোয়াল, শোল, টাকি, ইলিশসহ নানা ধরনের জলজ মাছ।
- অর্থনৈতিক গুরুত্ব: এই নদীটি স্থানীয় মৎস্যচাষিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাছের উৎস, যা জীবিকা নির্বাহের পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখে।
Option C Explanation:
হালদা নদী সংরক্ষণ বিষয়ক বিবরণ
- প্রাকৃতিক পরিবেশ: হালদা নদী বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী যা প্রাকৃতিক পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- অর্থনৈতিক গুরুত্ব: এই নদী থেকে মাছের উৎপাদন হয়, বিশেষ করে রুই, কার্প, এবং অন্যান্যFreshwater মাছের জন্য, যা স্থানীয় মানুষের জীবিকা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল উৎস।
- প্রজনন ও সমৃদ্ধি: হালদা নদীর প্রজনন ক্ষেত্রগুলো বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এখানে মাছের প্রজনন ও বৃদ্ধি ঘটে। এই এলাকাগুলোর সুরক্ষা মাছের প্রজনন ও সামগ্রিক মাছের উৎপাদন নিশ্চিত করে।
- সংরক্ষণের প্রয়োজন: কার্প মাছের উৎপাদন হুমকির মুখে থাকায় অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা ও নজরদারির মাধ্যমে অনুমোদিত মাছ শিকার নিয়ন্ত্রণ জরুরি। এর ফলে মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণ সম্ভব হয়।
- সংরক্ষণ উদ্যোগ: হালদা নদীতে বিভিন্ন সংরক্ষণ কার্যক্রম ও অভয়াশ্রম গঠন করে মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।
Option D Explanation:
- নদীর নাম: রূপসা
- প্রধান অঞ্চল: পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
- প্রবাহের পথ: এই নদী মধ্যপ্রদেশের সিংহদুর্গে থেকে উৎপন্ন হয়ে পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া, ঝাড়গ্রাম ও বাংলাদেশের খুলনা অঞ্চলের মধ্য দিয়ে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: সুন্দরবনের পূর্ব অংশে প্রবাহিত এই নদীটি সমৃদ্ধ মাছের প্রাচুর্য্য জন্য পরিচিত, যা স্থানীয় মৎস্য চাষ এবং জীবিকা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- অর্থনৈতিক গুরুত্ব: মৎস্য আহরণের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী, যেখানে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়, বিশেষ করে পোনা ও বড় মাছ।