কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' একটি ---
A. বক্তব্য
B. প্রবন্ধগ্রন্থ
C. গল্প
D. উপন্যাস
সঠিক উত্তরঃ
B.
প্রবন্ধগ্রন্থ
Explanation: নজরূল সম্পাদিত অর্ধ - সাপ্তাহিক ধূমকেতু ১৯২৩ সালে ব্রিটিশ সরকার নিষিদ্ধ করে। সেই পত্রিকায় প্রকাশিত নজরুলের কবিতা আনন্দময়ীর আগমনে ও নিষিদ্ধ হয়। নজরুলকে জেলে আটক করে রাখার পর তার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি লিখিতভাবে আদালতে উপস্থাপন করেন চার পৃষ্ঠার বক্তব্য। তাই রাজবন্দীর জবানবন্দী নামে পরিচিত।"রাজবন্দীর জবানবন্দী" কাজী নজরুল ইসলাম লিখিত একটি প্রবন্ধ নয়। এটি আদালতে উপস্থাপিত ৪ পৃষ্ঠার একটি বক্তব্য মাত্র। এটাই চূড়ান্ত।
Related Questions (Any University/Year)
- ঊষার দুয়ারে হানি আঘাতআমরা আনিব রাঙা প্রভাতআমরা টুটাব তিমির রাতবাধার বিন্ধ্যাচল।উদ্দীপকটি কোন কবিতার ভাব ধারণ করে?
- "হঠাৎ নিরীহ মাটিতে কখন/জন্ম নিয়েছে সচেতনতার ধান,গত আকালের মৃত্যুকে মুছে/আবার, এসেছে বাংলাদেশের প্রাণ।'হয় ধান নয় প্রাণ'-এ শব্দে/সারা দেশ দিশাহারা,একবার মরে ভুলে গেছে আজ/মৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ বাংলাদেশ, এ পৃথিবী/ অবাক তাকিয়ে রয়,জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার/তবু মাথা নোয়াবার নয়।"উদ্দীপকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার মূলভাবকে পুরোপুরি ধারণ করতে পেরেছে কি? উদ্দীপক ও 'বিদ্রোহী' কবিতার আলোকে পর্যালোচনা করো।
- নিচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা?
- 'আমি বিদ্রোহী-সুত বিশ্ব বিধাত্রীর'- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলামের বাল্য স্মৃতি বিজরিত ময়মনসিংহের স্থানটির নাম কী?
- কবি সব ভেঙেচুরে চুরমার করেন কেন?
- “নাচে পাপ-সিন্ধুতে তুঙ্গ তরঙ্গ!মৃত্যুর মহানিশা রুদ্র উলঙ্গ!নিঃশেষে নিশাচর গ্রাসে মহাবিশ্বেত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে।”পঙ্ক্তিটি কোন কবির রচনা?
- 'অর্ফিয়াসের বাঁশরী' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- কোন কবিতা রচনার জন্য কাজী নজরুল ইসলামের ‘অগ্নিবীণা’ কাব্য নিষিদ্ধ হয়?
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় ইস্রাফিলের শিঙ্গার মহা হুংকার' দ্বারা নিচের কোনটিতে ইঙ্গিত করেছেন?
- ‘দারিদ্র্য’ কবিতাটি নজরুল ইসলামের কোন বাক্যের অন্তর্ভূক্ত?
- কী জানি কী হলো আজি, জাগিয়া উঠিল প্রাণ-দূর হতে শুনি যেন মহাসাগরের গান।ওরে, চারি দিকে মোর এ কী কারাগার ঘোর-ভাঙ ভাঙ ভাঙ কারা, আঘাতে আঘাত করো।ওরে আজ কী গান গেয়েছে পাখি,এসেছে রবির কর।উদ্দীপকের আত্মজাগরণের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতায় প্রকাশিত কাজী নজরুল ইসলামের জাগরণের তুলনা করো।
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় কাকে খ্যাপা বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে?
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি নিজেকে কার সুত হিসেবেপরিচয় দিয়েছেন?
- বাংলাদেশের রণসংগীত কাজী নজরুল ইসলামের কোন গ্রন্থের অন্তৰ্ভূক্ত?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহে ছিলেন হিমালয়ের মতো সুউচ্চ এবং জীবন্ত আগ্নেয়গিরির মতো দহন ক্ষমতাসম্পন্ন এবং প্রেমের ক্ষেত্রে ছিলেন স্রোতঃস্বিনী নদীর জোয়ারের মতো। তাঁর প্রেমের ফেনায়িত তরঙ্গ কুল ছাপিয়ে একাকার হয়ে গেছে। বিদ্রোহের পিছনেও ছিল তাঁর খরস্রোতা নদীর মতো দেশপ্রেম।উদ্দীপকের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতাটির সাদৃশ্যের দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তুর্য।'- কথাটির দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘সঞ্চিতা’ কোন কবির কাব্য সংকলন?
- "হঠাৎ নিরীহ মাটিতে কখন/জন্ম নিয়েছে সচেতনতার ধান,গত আকালের মৃত্যুকে মুছে/আবার, এসেছে বাংলাদেশের প্রাণ।'হয় ধান নয় প্রাণ'-এ শব্দে/সারা দেশ দিশাহারা,একবার মরে ভুলে গেছে আজ/মৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ বাংলাদেশ, এ পৃথিবী/ অবাক তাকিয়ে রয়,জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার/তবু মাথা নোয়াবার নয়।"উদ্দীপকের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিক কোনটি? আলোচনা করো।
- ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কবি নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?