মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

 KCI যৌগটিতে K ও Cl এর বিদ্যমান বন্ধনটির নাম কী?

A. সহযোজী বন্ধন
B. সন্নিবেশ বন্ধন
C. ধাতব বন্ধন
D. আয়নিক বন্ধন
Poster Download
CUUnit-ASet-2রসায়ন প্রথম পত্রমৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধনরাসায়নিক বন্ধন - সমযোজী বন্ধন (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. আয়নিক বন্ধন
Explanation:

Another Explanation (5):

KCI যৌগে বিদ্যমান বন্ধন: আয়নিক বন্ধন ⚛️

KCI (পটাশিয়াম ক্লোরাইড) একটি আয়নিক যৌগ। এই যৌগে পটাশিয়াম (K) এবং ক্লোরিন (Cl) পরমাণুগুলোর মধ্যে আয়নিক বন্ধন বিদ্যমান। নিচে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

আয়নিক বন্ধন কী? 🤔

আয়নিক বন্ধন হলো একটি রাসায়নিক বন্ধন যা দুটি বিপরীত চার্জযুক্ত আয়ন এর মধ্যে ইলেকট্রন স্থানান্তরের মাধ্যমে গঠিত হয়। সাধারণত, একটি ধাতু (যেমন পটাশিয়াম) তার যোজ্যতা ইলেকট্রন(গুলো) একটি অধাতুকে (যেমন ক্লোরিন) দান করে। এর ফলে ধাতু পরমাণু ধনাত্মক আয়নে (cation) এবং অধাতু পরমাণু ঋণাত্মক আয়নে (anion) পরিণত হয়। এই বিপরীত চার্জের আয়নগুলোর মধ্যে স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণ বলের মাধ্যমে যে বন্ধন সৃষ্টি হয়, সেটাই আয়নিক বন্ধন।

KCI-এ আয়নিক বন্ধন গঠন 🧐

  1. পটাশিয়ামের ইলেকট্রন ত্যাগ: পটাশিয়াম (K) এর ইলেকট্রন বিন্যাস হলো 2, 8, 8, 1। K এর সর্ববহিঃস্থ স্তরে একটি ইলেকট্রন থাকে। স্থিতিশীল হওয়ার জন্য K এই ইলেকট্রনটি ত্যাগ করে K+ আয়নে পরিণত হয়। ➕
  2. ক্লোরিনের ইলেকট্রন গ্রহণ: ক্লোরিন (Cl) এর ইলেকট্রন বিন্যাস হলো 2, 8, 7। Cl এর সর্ববহিঃস্থ স্তরে সাতটি ইলেকট্রন থাকে। স্থিতিশীল হওয়ার জন্য Cl একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে Cl- আয়নে পরিণত হয়। ➖
  3. আয়নিক বন্ধন সৃষ্টি: K+ এবং Cl- আয়নগুলো বিপরীত চার্জযুক্ত হওয়ায় তারা একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং KCI এর মধ্যে আয়নিক বন্ধন গঠিত হয়। 🤝

আয়নিক বন্ধনের বৈশিষ্ট্য 💯

  • উচ্চ গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: আয়নিক যৌগগুলোর গলনাঙ্ক (melting point) এবং স্ফুটনাঙ্ক (boiling point) সাধারণত অনেক বেশি হয়, কারণ আয়নিক বন্ধন ভাঙতে প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয়। 🔥
  • কঠিন অবস্থা: আয়নিক যৌগগুলো সাধারণত কঠিন অবস্থায় থাকে।🧊
  • বিদ্যুৎ পরিবাহিতা: কঠিন অবস্থায় আয়নিক যৌগ বিদ্যুৎ পরিবহন করে না, কিন্তু গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে। 💡
  • দ্রবণীয়তা: আয়নিক যৌগগুলো সাধারণত পোলার দ্রাবক (যেমন পানি) এ দ্রবণীয়। 💧

KCI এর বৈশিষ্ট্য 📊

বৈশিষ্ট্য মান
গলনাঙ্ক 770 °C
স্ফুটনাঙ্ক 1420 °C
পানিতে দ্রবণীয়তা 34.4 g/100 mL (20 °C)

আশা করি, KCI যৌগে আয়নিক বন্ধন সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। 👍

আরও কিছু জানতে চান? 🤔