ঊষার দুয়ারে হানি আঘাত
আমরা আনিব রাঙা প্রভাত
আমরা টুটাব তিমির রাত
বাধার বিন্ধ্যাচল।
উদ্দীপকটি কোন কবিতার ভাব ধারণ করে?
A.
আঠারো বছর বয়স
B.
সেই অস্ত্র
C.
ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
D.
বিদ্রোহী
সঠিক উত্তরঃ
A.
আঠারো বছর বয়স
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- আমার কণ্ঠকে কেউ কোনদিন থামাতে পারেনি, যেমন পারেনি কেউ কোনকালে ঠেকাতে অরুণোদয়, চাও বা না চাও নৈঃশব্দ্যেও যদি কান পাতো শুনবে আমারই কণ্ঠস্বর।নিচে কোন পঙক্তির সাথে উদ্দীপকের সাদৃশ্য আছে?
- ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর?-প্রলয় নূতন সৃজন বেদন।আসছে নবীন জীবন-হারা অ-সুন্দরে করতে ছেদন।তাই সে এমন কেশে বেশেপ্রলয় বলেও আসছে হেসেমধুর হেসে।ভেঙে আবার গড়তে জানে সে চির-সুন্দর।তোরা সব-'জয়ধ্বনি কর।'উদ্দীপকে 'বিদ্রোহী' কবিতার সমগ্র দিক ফুটে উঠেছে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যু দিবস কোনটি?
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য।' চরণটিতে প্রকাশ পেয়েছে-
- এ কারবালার ময়দানে ইমাম হোসেন তাঁর বাহাত্তর জন সঙ্গীসহ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। শত অনুরোধ ও ভয়ভীতি উপেক্ষা করে তিনি সত্য ও সুন্দরের প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করেছেন। মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন, কিন্তু অন্যায়ের কাছে মাথানত করেননি। সকলেই যখন অর্থলোভে, রাজ্যলোভে বা মৃত্যুভয়ে ইয়াজিদের বশ্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন, তখন তিনি একাই ইয়াজিদি শাসনের ভীত কাঁপিয়ে দিয়েছেন।উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্য কোন দিক থেকে?- ব্যাখ্যা করো।
- মম এক হাতে বাঁকা বাশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য- পঙক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় অকাল বৈশাখী ঝড়ের সঙ্গেতুলনা করা হয়েছে কীসের?
- 'আমি __ হাতে চাঁদ ভালে সূর্য'– শূন্যস্থানে কী হবে?
- আমার কণ্ঠকে কেউ কোনদিন থামাতে পারেনি, যেমন পারেনি কেউ কোনকালে ঠেকাতে অরুণোদয়, চাও বা না চাও নৈঃশব্দ্যেও যদি কান পাতো শুনবে আমারই কণ্ঠস্বর।উদ্দীপকের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্যের কারণ কী? নিজের প্রতি দায়বদ্ধতাআদর্শবর্জিত দুঃসাহসিকতাআত্মবিশ্বাস-আত্মজাগরণনিচের কোনটি সঠিক?
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় 'অর্ফিয়াস' এর পিতা কে ছিলেন?
- 'আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ'!___ ব্যাখ্যা করো।
- 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- "হঠাৎ নিরীহ মাটিতে কখন/জন্ম নিয়েছে সচেতনতার ধান,গত আকালের মৃত্যুকে মুছে/আবার, এসেছে বাংলাদেশের প্রাণ।'হয় ধান নয় প্রাণ'-এ শব্দে/সারা দেশ দিশাহারা,একবার মরে ভুলে গেছে আজ/মৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ বাংলাদেশ, এ পৃথিবী/ অবাক তাকিয়ে রয়,জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার/তবু মাথা নোয়াবার নয়।"উদ্দীপকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার মূলভাবকে পুরোপুরি ধারণ করতে পেরেছে কি? উদ্দীপক ও 'বিদ্রোহী' কবিতার আলোকে পর্যালোচনা করো।
- আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর,আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই বড়াই যে মোরে করেছে পর।যে মোরে করিল পথের বিবাগী-পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি,দীঘল রজনী তার তরে জাগি' ঘুম যে হরেছে মোর;আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তর ঘর।"উদ্দীপকের কবিতাংশে প্রতিফলিত চেতনা 'বিদ্রোহী' কবিতার মর্মকথারই প্রতিরূপ।"- বিশ্লেষণ করো।
- কবি কার কুঠার দিয়ে বিশ্বকে নিঃক্ষত্রিয় করবেন?
- 'বিদ্রোহী' কবিতার কবিকে রুষে উঠেতে দেখে কী ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে নিভে যায়?
- একদল অভিযাত্রী পাহাড়ের চূড়ায় ওঠার তীব্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে যাত্রা শুরু করে। মাঝপথে শুরু হয় তীব্র ঝড়। সবাই সমস্বরে নিচে নামার জন্য চিৎকার করে। যাত্রীদের 'অধিনায়ক সবার সঙ্গে সুর না মিলিয়ে ১ বলেন, ভয় পাই না এই ঝড়কে। আরও বলেন, আমি নিজেই সাইক্লোন, এই মামুলি ঝড় আমার কী হবে? উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্যের কারণ হলো-নিজের প্রতি দায়বদ্ধতাসাহসিকতা আত্নবিশ্বাসনিচের কোনটি সঠিক?
- কাজী নজরুল ইসলামের বাল্য স্মৃতি বিজরিত ময়মনসিংহের স্থানটির নাম কী?
- ‘দোলন-চাঁপা’ কাব্যগ্রন্হটির রচয়িতা কে?