'B' চিহ্নিত যৌগটি প্রাণিকোষের কোথায় উৎপন্ন হয়?
সঠিক উত্তরঃ
B.
মাইটোকন্ড্রিয়া
Explanation:

Option A Explanation:
গলজি বস্তু
- একটি সেলুলার অর্গানেল যা কোষের মধ্যে প্যাকেজিং, সংরক্ষণ, এবং পরিবহন কাজ করে।
- প্রধানত প্লাজমা ঝিল্লি দ্বারা ঘেরা বিভিন্ন ডকের সমষ্টি, যা প্রোটিন ও লিপিডের সংশ্লেষ ও পরিবহনে সহায়ক।
- প্রধান কাজগুলো হলো প্রোটিনের পরিবর্তন, প্যাকেজিং ও ট্রান্সপোর্ট।
- উদাহরণস্বরূপ, গলজি অ্যাপারেটাস, গলজি ইনকর্ম, গলজি আউটকাম ডেক।
- এটি প্রাণীর ও উদ্ভিদের কোষে পাওয়া যায় এবং কোষের অভ্যন্তরে বিভিন্ন উপাদানের স্থানান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option B Explanation:
- সাধারণ তথ্য: মাইটোকন্ড্রিয়া হলো কোষের একটি অঙ্??প্রতঙ্গ, যা শক্তি উৎপাদনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
- মূল কাজ: এটি অ্যাডেনোসিন ট্রাইফসফেট (ATP) তৈরি করে, যা কোষের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করে।
- আকার ও গঠন: ছোট, দেহের আকারে গোলাকার বা দণ্ডাকার হতে পারে এবং নিজস্ব ডিএনএ (DNA) ধারণ করে।
- অন্য নাম: অনেক সময় এটি "শক্তি উৎপাদনকারী অঙ্গপ্রতঙ্গ" হিসেবে পরিচিত।
- উপস্থিতি: প্রতিটি ইউক্যারিওটিক কোষে সাধারণত অনেক মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে।
Option C Explanation:
- রাইবোজোম: রাইবোজোম হল কোষে প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য দায়ী অঙ্গানু। এটি সাধারণত কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত এবং দুটি ধরণের হতে পারে: ফ্রি রাইবোজোম এবং রিটিকুলার এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম (ER)-এর সাথে যুক্ত রাইবোজোম।
- অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্য: রাইবোজোমের মধ্যে রাইবোজোমের উপাদানগুলি প্রধানত RNA এবং প্রোটিন। এগুলি ছোট, গোলাকার গঠন, যা প্রোটিন সংশ্লেষের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।
- অঙ্গানুর গঠন: রাইবোজোম সাধারণত দুটি উপাদানে গঠিত: ছোট এবং বড় উপাদান। এগুলি একসাথে জোড়া হয়ে কাজ করে, এবং এর মধ্যে RNA এর উপস্থিতি প্রোটিন সংশ্লেষণে সহায়ক।
- অঙ্গানুর কার্যকারিতা: রাইবোজোমের মূল কাজ হল অ্যামিনো অ্যাসিডের যোগান দিয়ে প্রোটিন তৈরি করা, যা কোষের বিভিন্ন কার্যকলাপে ব্যবহৃত হয়।
Option D Explanation:
- লাইসোজোম: লাইসোজোম হল একটি অণুকোষী বা ইউক্যারিওটিক কোষে থাকা এক ধরনের অঙ্গাণু যা জীবাণু বা মৃত কোষের অঙ্গাণু ও কণিকাগুলি ভেঙে ফেলার জন্য কাজ করে।
- ভিত্তি: লাইসোজোমের মধ্যে বিভিন্ন এঞ্জাইম থাকে, যেমন হাইড্রোলাইসিস এঞ্জাইম, যা পচনপ্রক্রিয়া চালায়।
- গঠন: এটি সাধারণত গ্লাইকলিপিড দিয়ে আবৃত, যার ভিতরে এঞ্জাইম ও বিভিন্ন প্রকারের প্রোটিন থাকে।
- কাজ: এটি জীবাণু বা মৃত কোষের অঙ্গাণু ভেঙে নতুন উপাদানে রূপান্তর করে, যা কোষের স্বাভাবিক কার্যকলাপে সহায়তা করে।
- উপকারিতা: কোষের পরিপক্বতা ও পুনঃপ্রজননে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।