কোন পদ্ধতিতে কোভিড ১৯ ভ্যাক্সিন প্রস্তুত করা হয়না?
MEDICALজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানবদেহের প্রতিরক্ষাপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় টিকার ভূমিকা (Topic Practice)MEDICAL - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
বিষভিত্তিক(Toxoid)
Explanation: কোভিড ১৯ ভ্যাক্সিন প্রস্তুত করতে বিষভিত্তিক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয় না। সঠিক উত্তর D। A. উপএকক, B. নিষ্ক্রিয় এবং C. mRNA ভ্যাক্সিনের প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়। নোট: বিষভিত্তিক ভ্যাক্সিন সাধারণত ব্যাকটেরিয়া দ্বারা উৎপাদিত বিষ নিরোধক করতে ব্যবহৃত হয়।
Another Explanation (5):
কোন পদ্ধতিতে কোভিড ১৯ ভ্যাক্সিন প্রস্তুত করা হয় না?
কোভিড ১৯ এর জন্য ভ্যাক্সিন তৈরির জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়, তবে বিষভিত্তিক (Toxoid) পদ্ধতি সাধারণত ব্যবহার হয় না।
বিষভিত্তিক (Toxoid) পদ্ধতি কি?
বিষভিত্তিক পদ্ধতিতে রোগের বিষ (টক্সিন) নিস্ক্রিয় বা পরিবর্তিত করে ভ্যাক্সিন তৈরি করা হয়। এটি মূলত ডেঙ্গু, টিটেনাস, ডিপথেরিয়া ইত্যাদি রোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
কোভিড ১৯ ভ্যাক্সিন তৈরির পদ্ধতি
- mRNA ভ্যাক্সিন (যেমন: Pfizer, Moderna)
- ভ্যাক্সিন ভেক্টর পদ্ধতি (যেমন: AstraZeneca, Johnson & Johnson)
- প্রোটিন সাবইউনিট ভ্যাক্সিন (যেমন: Sinovac, Sinopharm)
- অ্যান্টিজেন ভিত্তিক ভ্যাক্সিন
বিষভিত্তিক পদ্ধতি কোভিড ১৯ এর জন্য ব্যবহৃত হয় না কারণ:
| কারণ | বর্ণনা |
|---|---|
| প্রতিক্রিয়া সময় | বিষভিত্তিক ভ্যাক্সিনের জন্য দীর্ঘ সময় লাগতে পারে এবং এর প্রভাব কম হতে পারে। |
| অপ্রচলিত পদ্ধতি | বর্তমানে এটি কোভিড ১৯ এর জন্য কার্যকর প্রমাণিত হয়নি বা ব্যবহৃত হয়নি। |
| সাধারণতা ও কার্যকারিতা | বিষভিত্তিক পদ্ধতির তুলনায় অন্য পদ্ধতিগুলো অধিক কার্যকর ও দ্রুত তৈরি যায়। |
সুতরাং, বিষভিত্তিক (Toxoid) পদ্ধতি কোভিড ১৯ ভ্যাক্সিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না। 🚫🤒
Option A Explanation:
- উপএকক (Subunit) ভ্যাক্সিন: এটি একটি ধরনের ভ্যাক্সিন যা শুধুমাত্র pathogen এর নির্দিষ্ট অংশ বা উপাদান নিয়ে তৈরি করা হয়।
- এটি সম্পূর্ণ জীবিত বা মারাত্মক pathogen এর পরিবর্তে, শুধুমাত্র রোগের প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো ব্যবহার করে তৈরি হয়।
- উপএকক ভ্যাক্সিন সাধারণত কম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং শরীরের প্রতিরোধক্ষমতা উন্নত করে।
- উদাহরণস্বরূপ, হেপাটাইটিস বি, পোলিও, এবং হেপাটাইটিস এ ভ্যাক্সিন এই ধরণের হতে পারে।
- এটি বিভিন্ন ধরনের টিকা তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে pathogen এর নির্দিষ্ট প্রোটিন বা অণু ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation:
- নিষ্ক্রিয় ভ্যাক্সিন (Inactivated Vaccine): এটি এমন ধরনের ভ্যাক্সিন যেখানে ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের সম্পূর্ণ জীবন্ত রূপকে কেমিক্যাল বা উষ্ণতার মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করে দেয়া হয়। এই প্রক্রিয়ায় জীবাণুর ক্ষমতা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, ফলে এটি রোগ সৃষ্টি করতে পারে না, তবে এটির মাধ্যমে শরীর রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- উপকারিতা: দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম, সাধারণত নিরাপদ এবং সহজে তৈরি করা যায়।
- উদাহরণ: কাশি, ক্ষয়, ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাক্সিন ইত্যাদি।
Option C Explanation:
- এমআরএনএ (mRNA):
- এটি একটি নতুন ধরনের ভ্যাক্সিন প্রযুক্তি যা শরীরের কোষে মেসেঞ্জার RNA (mRNA) প্রবেশ করে।
- এটি কোভিড-১৯ এর স্পাইক প্রোটিনের জন্য নির্দেশিকা প্রদান করে, যার ফলে শরীরের ইমিউন সিস্টেম সেই প্রোটিনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- এই পদ্ধতিতে জীবন্ত বা নিষ্ক্রিয় ভাইরাসের প্রয়োজন হয় না, বরং শুধুমাত্র জেনেটিক উপাদান ব্যবহার করা হয়।
- অন্য যে কোনও ভ্যাক্সিনের তুলনায় এটি দ্রুত তৈরি করা সম্ভব, কারণ এটি কেবল জেনেটিক কোডের ওপর ভিত্তি করে।
Option D Explanation:
- বিষভিত্তিক (Toxoid): বিষভিত্তিক ভ্যাকসিন হলো সেই ধরনের ভ্যাকসিন যা জীবাণুর বিষ (টক্সিন) থেকে প্রস্তুত করা হয়। এই বিষের ক্ষতিকর প্রভাবগুলো নষ্ট করে, তবে বিষের অণুগুলিকে জীবাণুর অংশ হিসেবে ব্যবহার করে শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
- প্রক্রিয়া: বিষের অণুগুলিকে বিষক্রিয়া মুক্ত করে টক্সিডোইন (Toxoid) তৈরি করা হয়, যা শরীরে ইনজেকশন করে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
- উদাহরণ: ডিপথেরিয়া এবং টিটেনাসের ভ্যাকসিন এই ধরনের।
- নোট: এই পদ্ধতিতে কোভিড-১৯ এর জন্য কোনও বিষভিত্তিক ভ্যাকসিন তৈরি হয়নি।