নিচের কোনটি মারসুপিয়াল স্তন্যপায়ী প্রাণী?
Dentalজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসChordata পর্বের শ্রেণীবিন্যাস (Topic Practice)Dental - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
ক্যাঙ্গারু
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
মারসুপিয়াল স্তন্যপায়ী প্রাণী: ক্যাঙ্গারু 🦘
মারসুপিয়াল কী? 🤔
মারসুপিয়াল স্তন্যপায়ী প্রাণীদের একটি বিশেষ দল। এদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল পেটে একটি থলি (মারসুপিয়াম) থাকে। অপরিণত বাচ্চা জন্ম দেওয়ার পর তারা এই থলিতে আশ্রয় নেয় এবং মায়ের দুধ পান করে বড় হয়।
ক্যাঙ্গারু কেন মারসুপিয়াল? 🧐
ক্যাঙ্গারু একটি মারসুপিয়াল স্তন্যপায়ী প্রাণী কারণ:
- থলি: স্ত্রী ক্যাঙ্গারুদের পেটে একটি সুস্পষ্ট থলি থাকে।
- অপরিণত জন্ম: ক্যাঙ্গারুর বাচ্চা খুব ছোট এবং অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেয়। জন্মের পর তারা মায়ের থলিতে চলে যায়।
- থলিতে লালন-পালন: বাচ্চা ক্যাঙ্গারু থলির ভেতরে মায়ের দুধ পান করে কয়েক মাস ধরে ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে।
মারসুপিয়ালদের বৈশিষ্ট্য 📊
| বৈশিষ্ট্য | বিবরণ |
|---|---|
| মারসুপিয়াম (থলি) | স্ত্রী প্রাণীদের পেটে অবস্থিত, যেখানে বাচ্চা লালিত হয়। |
| অপরিণত বাচ্চা | জন্মের সময় বাচ্চার আকার ছোট এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কম বিকশিত থাকে। |
| দীর্ঘ গর্ভাবস্থা | গর্ভধারণকাল তুলনামূলকভাবে সংক্ষিপ্ত হয়, কিন্তু থলিতে লালন-পালনের সময়কাল দীর্ঘ হয়। |
| অবস্থান | অস্ট্রেলিয়া, নিউ গিনি এবং আমেরিকাতে এদের বেশি দেখা যায়। |
ক্যাঙ্গারু সম্পর্কে কিছু তথ্য 📝
- বৈজ্ঞানিক নাম: Macropus giganteus (সাধারণত গ্রে ক্যাঙ্গারু)
- আবাসস্থল: অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে এদের দেখা যায়।
- খাদ্য: এরা তৃণভোজী, ঘাস এবং অন্যান্য উদ্ভিদ খায়।
- শারীরিক বৈশিষ্ট্য: শক্তিশালী পা, লাফানোর ক্ষমতা এবং লম্বা লেজ এদের বিশেষত্ব।
- সামাজিক জীবন: ক্যাঙ্গারুরা দলবদ্ধভাবে বসবাস করে।
অন্যান্য মারসুপিয়াল প্রাণী 🐨
ক্যাঙ্গারু ছাড়াও আরও অনেক মারসুপিয়াল প্রাণী রয়েছে, যেমন:
- কোয়ালা 🐨
- ওপসাম 🐭
- вомব্যাট 🐻
- তাসমানিয়ান ডেভিল 😈
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ✅
মারসুপিয়ালরা পৃথিবীর জীববৈচিত্র্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এদের সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব। 🌍
```Option A Explanation:
- ক্যাঙ্গারু হলো একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী যা মূলত অস্ট্রেলিয়ায় পাওয়া যায়।
- এটি একটি ঝুলন্ত কেশবিশিষ্ট প্রাণী যা লেজ দিয়ে চালনা করে।
- প্রধানত উদ্ভিদখাদ্য, বিশেষ করে ঘাস ও উদ্ভিদশস্য খায়।
- এটির শরীরের গঠন সাধারণত ছোট থেকে মাঝারি আকারের হয়, এবং এটি দ্রুত দৌড়াতে সক্ষম।
- ক্যাঙ্গারু বিভিন্ন প্রজাতিতে বিভক্ত, যেমন গ্রাউন্ড ক্যাঙ্গারু ও উড়ন্ত ক্যাঙ্গারু।
Option B Explanation:
- সামাজিক আচরণ: কুকুররা সাধারণত পরিবারের সদস্য বা গ্রুপে থাকেন এবং একে অপরের সাথে সহযোগিতা করে থাকেন।
- সাবলীল যোগাযোগ: তারা বিভিন্ন ধরণের ভাষা ও অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে, যেমন কুকুরের ভোঁভোঁ শব্দ, লেজ নাড়ানো, চোখের যোগাযোগ।
- প্রশিক্ষণ ও শৃঙ্খলা: কুকুররা সহজে প্রশিক্ষিত হয় এবং গোষ্ঠী বা পরিবারের মধ্যে নির্দিষ্ট শৃঙ্খলা মেনে চলে।
- পরিচর্যা ও সহযোগিতা: তারা অন্য কুকুর বা মানুষের সাথে সহযোগিতা করে এবং রক্ষা করতে প্রস্তুত থাকে।
- সামাজিক দক্ষতা: তাদের মধ্যে সামাজিক দক্ষতা ও সংবেদনশীলতা লক্ষ্য করা যায়, যা তাদের সমাজে মানিয়ে নিতে সহায়তা করে।
Option C Explanation:
- প্রজাতি: গন্ডার (Rhinocerotidae)
- অবস্থান: মূলত আফ্রিকা ও এশিয়ার কিছু অংশে পাওয়া যায়।
- প্রকার: স্তন্যপায়ী প্রাণী, অর্থাৎ শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্য ফুসফুস ব্যবহার করে এবং দুধ দিয়ে বাচ্চা পালন করে।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: বিশাল দেহ, শক্তিশালী গড়ন, এবং বিশেষ করে তাদের মুখের সামনে থাকা বিশাল কুঁচি বা কোটর।
- অভিবাসন ও বাসস্থান: সাধারণত গন্ডাররা বিচ্ছিন্ন অঞ্চলে বাস করে, যেমন ঘাসের মাঠ, বনাঞ্চল ও অরণ্য।
Option D Explanation:
- প্রাণীর ধরন: বানর হলো স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা স্তন্যপান করে পোষ মানে।
- পৃষ্ঠের গঠন: এদের দেহে লোম থাকে, যা শরীরকে উষ্ণ রাখে।
- প্রজনন পদ্ধতি: বানর সাধারণত গর্ভধারী হয় এবং লালন-পালন করে শিশুদের।
- অঙ্গসংস্থান: এদের দেহে উভচর বা পাখির মতো নয়, বরং মারসুপিয়াল (মেরুদণ্ডবিশিষ্ট) রূপ।
- অন্য বৈশিষ্ট্য: বানর সাধারণত চার পায়ে চলে এবং কিছু প্রজাতি গাছে চলে বেড়ায়।