সাদ্দাম হোসেন ইরাকের লৌহমানব ছিলেন। ইরাককে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাণপণ চেষ্টা করেছেন। তিনি ন্যাটো বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ করতে দ্বিধা করেননি। যদিও যুদ্ধে হেরেছেন। তারপরও সামনের দিকে এগিয়ে গেছেন। তাঁর যুদ্ধ নিয়ে মতভেদ থাকলেও তিনি পৃথিবীর মানুষকে দেখিয়ে দিয়ে গিয়েছেন মাতৃভূমি রক্ষার জন্য শত্রুর সঙ্গে কোনো আপোস নয়।
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার সাথে উদ্দীপকের কোন দিক্ সাদৃশ্য রয়েছে তা আলোচনা কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘জীমূতেন্দ্র' কীসের গর্জন?
- সনেটের প্রবর্তক কে?
- লক্ষ্মণের মায়ের নাম কী?
- "এতক্ষণে অরিন্দম কহিলা বিষাদে" উক্তিটি কার?
- 'গুণবান যদি পরজন, গুণহীন স্বজন, তথাপি নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ' উক্তিটি কার?
- বাংলা অক্ষরবৃত্তের ছন্দের নতুন রূপ কোনটি?
- নিচের কারা রাঘবারি?
- বাংলা সনেটের প্রবর্তক ----
- 'পাঠাবই রামানুজে শমন -ভবনে ' এর পরের চরণ কোনটি ?
- মাইকেল মধূসুদন দত্ত কোন কলেজের ছাত্র ছিলেন?
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ কোন ধরনের কাব্য?
- বিশ্বাষঘতকতা ও দেশদ্রোহিতার বিরুদ্ধে ঘৃনা প্রকাশিত হয়েছে কোন কবিতায়?
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্য কোনটি?
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের দেশপ্রেম প্রবল প্রকাশ ঘটেছে-
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বঙ্গভাষা’ কবিতাটিতে মূলত কী ভাব প্রকাশ পেয়েছে?
- বিভীষণ কার ভাই?
- ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল যাদের বিশ্বাসঘাতকতায় তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান সেনাপতি মীরজাফর। প্রধান সেনাপতি হয়েও তিনি ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। শুধু মীরজাফরই নয় রাজবল্লভ, রায়দুর্লভ, উমিচাঁদ, জগৎশেঠও যুদ্ধে চরম অসহযোগিতা করেছে। কিন্তু মোহনলাল ও মীরমর্দান বাঙালি জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে নি। দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন এবং জীবন দিয়েছেন। পক্ষান্তরে মীরজাফর এবং তার দোসররা বাঙালি জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে এবং বাঙালি জাতিকে প্রায় ২০০ বছর ইংরেজদের গোলামি করতে বাধ্য করেছে।"উদ্দীপকটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার আংশিক রূপায়ণ মাত্র"- তোমার মতামতসহ উক্তিটি বিচার করো।
- কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা?
- 'রামানুজ' বলতে কাকে বোঝায়?
- ‘নিজ কর্ম-দোষে, হায়, মজাইলা এ কনক-লঙ্কা’-এই কর্ম-দোষ হলো-