মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

ম্যালেরিয়া জীবাণুর কোন দশা মানবদেহে সংক্রামণ ঘটায়?


A.

মেরোজয়েট

B.

স্পোরোজয়েট

C.

ক্রিপ্টোজয়েট

D.

সাইজন্ট

Poster Download
জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবম্যালেরিয়া পরজীবী (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B.

স্পোরোজয়েট

Explanation:

Another Explanation (5):

ম্যালেরিয়া জীবাণুর স্পোরোজয়েট দশা: মানবদেহে সংক্রমণ প্রক্রিয়া 🦠

ম্যালেরিয়া একটি মারাত্মক রোগ যা প্লাজমোডিয়াম নামক পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট। এই পরজীবীর জীবনচক্রে বিভিন্ন দশা বিদ্যমান, যার মধ্যে স্পোরোজয়েট (Sporozoite) হলো সেই দশা যা মানবদেহে সংক্রমণ ঘটায়। নিচে স্পোরোজয়েট এবং সংক্রমণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

স্পোরোজয়েট (Sporozoite) কি? 🤔

  • স্পোরোজয়েট হলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর একটি ছোট, সরু এবং চলমান দশা।
  • এগুলো স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার লালা গ্রন্থিতে (salivary gland) অবস্থান করে। 🦟
  • স্পোরোজয়েটগুলো মশার দেহে যৌন জননের (sexual reproduction) মাধ্যমে তৈরি হয়।

সং???্রমণ প্রক্রিয়া: ধাপে ধাপে 👣

  1. মশার কামড়: যখন একজন সংক্রামিত স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা (Anopheles mosquito) কোনো মানুষকে কামড়ায়, তখন মশার লালার সাথে স্পোরোজয়েটগুলো মানবদেহে প্রবেশ করে।
  2. যকৃতের দিকে যাত্রা: রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে স্পোরোজয়েটগুলো খুব দ্রুত যকৃতে (liver) পৌঁছে যায়।
  3. যকৃতে বংশবৃদ্ধি: যকৃতের কোষের (liver cells) মধ্যে স্পোরোজয়েটগুলো প্রবেশ করে এবং সেখানে অসংখ্য মেরোজয়েট (merozoites) নামক নতুন দশায় বংশবৃদ্ধি করে। এই প্রক্রিয়াটি প্রায় ৫-১৬ দিন সময় নেয় এবং এই সময়ে আক্রান্ত ব্যক্তি কোনো উপসর্গ অনুভব করেন না।
  4. মেরোজয়েট নির্গমন: যকৃতের কোষগুলো ফেটে গেলে মেরোজয়েটগুলো রক্তে মুক্ত হয়।💥
  5. লোহিত রক্তকণিকায় আক্রমণ: মেরোজয়েটগুলো লোহিত রক্তকণিকাকে (red blood cells) আক্রমণ করে এবং সেখানে বংশবৃদ্ধি করে।
  6. রোগের উপসর্গ: লোহিত রক্তকণিকাগুলো ফেটে গেলে মেরোজয়েট এবং অন্যান্য পরজীবী উপাদান নির্গত হয়, যা ম্যালেরিয়ার বিভিন্ন উপসর্গ যেমন - জ্বর, কাঁপুনি, ঘাম, মাথাব্যথা ইত্যাদির সৃষ্টি করে। 🤒
  7. গ্যামেটোসাইট তৈরি: কিছু মেরোজয়েট গ্যামেটোসাইটে (gametocytes) পরিণত হয়, যা মশা দ্বারা পুনরায় সংগৃহীত হলে মশার দেহে ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্র আবার শুরু হয়।

সংক্রমণের সারসংক্ষেপ ছকে: 📊

পর্যায় স্থান ঘটনা
সংক্রমণ মশার কামড় স্পোরোজয়েট মানবদেহে প্রবেশ করে
যকৃত দশা যকৃত স্পোরোজয়েট থেকে মেরোজয়েট তৈরি
রক্ত দশা লোহিত রক্ত কণিকা মেরোজয়েট বংশবৃদ্ধি করে এবং রোগ সৃষ্টি করে

প্রতিরোধ ও চিকিৎসা: 🛡️

  • মশার কামড় থেকে বাঁচতে মশারী ব্যবহার করুন এবং মশা তাড়ানোর স্প্রে ব্যবহার করুন।
  • জ্বর হলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন এবং ম্যালেরিয়া পরীক্ষা করান।
  • ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ম্যালেরিয়ার ওষুধ সেবন করুন। 💊

ম্যালেরিয়া একটি প্রতিরোধযোগ্য এবং নিরাময়যোগ্য রোগ। সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। 😊