Tectona grandis কোন উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম?
CUUnit-Fজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষনবাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় জীব - পরিচিতি ও সংক্ষিপ্ত বিবরণ (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
সেগুন
Explanation:

Another Explanation (5):
Tectona grandis: সেগুন গাছের পরিচিতি 🌳
Tectona grandis ল্যামিয়াসি (Lamiaceae) পরিবারভুক্ত একটি মূল্যবান কাঠ উৎপাদনকারী বৃক্ষ। এটি সাধারণত সেগুন নামেই পরিচিত। এই গাছ তার টেকসই কাঠ, দ্রুত বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন পরিবেশ পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতার জন্য বিখ্যাত।
বৈশিষ্ট্য 🌿
- বৈজ্ঞানিক নাম: Tectona grandis
- সাধারণ নাম: সেগুন
- পরিবার: ল্যামিয়??সি (Lamiaceae)
- উৎপত্তি: দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া 🌏
- গাছের ধরণ: পর্ণমোচী (Deciduous) 🍂
- উচ্চতা: সাধারণত ৩০-৪০ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয় ⬆️
- পাতা: বড়, ডিম্বাকৃতির এবং খসখসে 🍃
- ফুল: ছোট, সাদা এবং থোকায় থোকায় ফোটে 🌸
- ফল: গোলাকার, শক্ত এবং বীজযুক্ত 🌰
- কাঠ: অত্যন্ত টেকসই, তেল সমৃদ্ধ এবং পোকামাকড় প্রতিরোধী 💪
গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার 🔨
- আসবাবপত্র তৈরি: সেগুন কাঠের তৈরি আসবাবপত্র খুব দামি এবং টেকসই হয় 🪑
- জাহাজ নির্মাণ: এর কাঠ পানি প্রতিরোধী হওয়ায় জাহাজ নির্মাণে ব্যবহৃত হয় 🚢
- গৃহ নির্মাণ: দরজা, জানালা এবং অন্যান্য কাঠামো তৈরিতে ব্যবহৃত হয় 🏠
- অলঙ্কার তৈরি: এর সুন্দর রঙের জন্য অলঙ্কার তৈরিতেও ব্যবহার করা হয় ✨
সেগুন কাঠ: কিছু তথ্য 🪵
| বৈশিষ্ট্য | মান |
|---|---|
| ঘনত্ব | প্রায় ৫৫0-৭০০ কেজি/ঘনমিটার |
| দৃঢ়তা | উচ্চ |
| আর্দ্রতা সহনশীলতা | চমৎকার |
| পোকামাকড় প্রতিরোধ ক্ষমতা | প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান |
সেগুন চাষের পদ্ধতি 🧑🌾
- জলবায়ু: উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু সেগুন চাষের জন্য উপযোগী ☀️
- মাটি: সুনিষ্কাশিত এবং উর্বর মাটি প্রয়োজন 🌱
- বংশবিস্তার: বীজ অথবা কলমের মাধ্যমে চারা তৈরি করা যায় 🪴
- সার প্রয়োগ: নিয়মিত সার প্রয়োগ করলে ভালো ফলন পাওয়া যায় 肥料
- পরিচর্যা: আগাছা পরিষ্করণ এবং প্রয়োজনীয় কীটনাশক ব্যবহার করা উচিত 🧹
সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ 🌍
অতিরিক্ত চাহিদা এবং বনভূমি ধ্বংসের কারণে সেগুন গাছ এখন হুমকির মুখে। তাই এর সংরক্ষণে আমাদের আরও বেশি মনোযোগ দেওয়া উচিত। পরিকল্পিত বাগান তৈরি এবং অবৈধ কাঠ কাটা বন্ধ করার মাধ্যমে এই মূল্যবান সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব। আসুন, সবাই মিলে সেগুন গাছ বাঁচাই এবং সবুজ পৃথিবী গড়ি 💚।
আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া
ধন্যবাদ 🙏
Option A Explanation:
- গামার: এটি একটি ধরনের বৃক্ষের নাম। সাধারণত এই গাছের কাঠ শক্ত এবং টেকসই, যা বিভিন্ন নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত হয়। গামার গাছে সাধারণত লম্বা ডাল এবং ঘন পাতা থাকে। এটি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ও উপক্রান্তীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়।
Option B Explanation:
সেগুনের বৈশিষ্ট্যসমূহ
- প্রজাতি: সেগুন (Tectona grandis)
- প্রধান ব্যবহার: আসবাবপত্র, ফার্নিচার, কাঠের কাজের জন্য ব্যবহৃত
- উৎপত্তিস্থল: দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত,শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমার
- গবেষণায় জানা যায়: সেগুনের কাঠে জাইলেম ভেসেল অনুপস্থিত নয়; বরং এটি সাধারণত কাঠের জৈবিক গঠন অনুযায়ী জাইলেম ভেসেল উপস্থিত থাকে।
Option C Explanation:
- পশুর: এটি একটি উদ্ভিদ যার বৈজ্ঞানিক নাম Tectona grandis। এটি সাধারণত বাংলায় টেকনো বা তেকনো নামে পরিচিত।
- প্রধানত এই গাছটি সুন্দরী পরিবারের অন্তর্গত, এবং এর কাঠ অত্যন্ত মূল্যবান।
- বিশ্বে বিভিন্ন দেশে এই গাছের চাষ হয়, বিশেষ করে ভারতে, বাংলাদেশে, এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলে।
- শারীরিক বৈশিষ্ট্য: এটি একটি দ্রুত বৃদ্ধির গাছে, বড় আকারের হয় এবং এর পাতাগুলি বড় ও সবুজ।
Option D Explanation:
সুন্দরী (Grewia asiatica) এর বৈশিষ্ট্যসমূহ
- প্রকার: সুন্দরী একটি ঝোপঝাড় বা ছোট গাছ, যা সাধারণত উষ্ণ ও অর্ধউষ্ণ অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- ফল: এর ফল সাধারণত ছোট, গোলাকার বা অণ্ডাকার, এবং খাবার যোগ্য। ফলের রঙ বিভিন্ন হতে পারে যেমন হলুদ, গোলাপি বা লাল।
- ব্যবহার: এর ফল ও পাতা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধি গুণে সমৃদ্ধ, যা আয়ুর্বেদিক ও স্থানীয় চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- অংকুরোদগম: সুন্দরীতে সাধারণত অংকুরোদগম বা ভ্রুণের জন্ম প্রক্রিয়া ভিন্ন, কারণ এটি একটি উদ্ভিদ। তবে, এই উদ্ভিদে জরায়ুজ অংকুরোদগম দেখা যায় না; বরং এর ফল ও অংকুরের বিকাশ সাধারণত পরাগায়ন ও ফলন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে।
Option E Explanation:
- কেওরা: কেওরা হলো একটি ধরনের গুল্ম বা লতানো উদ্ভিদ যা সাধারণত গাঢ় সবুজ রঙের পাতার জন্য পরিচিত। এটি বিভিন্ন আচার ও ঔষধি কাজে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত তেল বা গন্ধযুক্ত পাতা দিয়ে পরিচিত, যা বিভিন্ন প্রকারের রান্না ও ওষুধে ব্যবহৃত হয়।
- কেওরা উদ্ভিদটি মূলত আঞ্চলিক ভাষায় বিভিন্ন নামে পরিচিত এবং এর ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে।