ইমাস্কুলেশনের কারণ-
IUUnit-DSet-2জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রউদ্ভিদ প্রজননউদ্ভিদের কৃত্রিম প্রজনন (Topic Practice)IU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
স্ব-পরাগায়ন রোধ
Explanation:

Another Explanation (5):
ইমাস্কুলেশনের কারণ
ইমাস্কুলেশনের কারণ 🧬
ইমাস্কুলেশনের মূল কারণ হলো স্ব-পরাগায়ন রোধ। এটি একটি প্রজনন প্রক্রিয়া যেখানে একই গাছ বা উদ্ভিদ নিজের পরাগের সাহায্যে ফলন সৃষ্টি করে। স্ব-পরাগায়ন হলে জেনেটিক্যাল পরিবর্তন কম হয় এবং প্রজনন প্রক্রিয়া দুর্বল হতে পারে। তাই, প্রকৃতি বা কৃষিতে ইমাস্কুলেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে স্ব-পরাগায়ন এড়ানো হয়।
কারণসমূহ 📝
- জেনেটিক বৈচিত্র্য বজায় রাখা 🌱
- উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি 🚀
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি 🛡️
- ফলনের মান উন্নত করা 🌸
টেবিল: স্ব-পরাগায়ন রোধের উপায় 💡
| উপায় | বর্ণনা | উদাহরণ |
|---|---|---|
| ইমাস্কুলেশন 💧 | প্রতিটি ফুলের অঙ্কুর বা অঙ্গের উপর থেকে পরাগের প্রভাব রোধ করা | প্ল্যান্টের অঙ্কুর বা অঙ্গ কেটে ফেলা |
| অন্তঃপ্রজনন প্রতিরোধ 🛑 | অন্য গাছ থেকে পরাগ সংক্রমণ নিশ্চিত করা | অন্য জাতের ফুলের সঙ্গে সংমিশ্রণ |
| প্রজননকাল নিয়ন্ত্রণ ⏱️ | উপযুক্ত সময়ে পরাগ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা | ফুলের সময় নির্ধারণ করা |
সারসংক্ষেপে, স্ব-পরাগায়ন রোধ ইমাস্কুলেশনের মূল কারণ, যা প্রজননে জেনেটিক বৈচিত্র্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং ফলনের মান উন্নত করে। 🌟
Option A Explanation:
- উচ্চ ফলনশীল জাত সৃষ্টি: ইমাস্কুলেশন বা অক্ষমতা হল এমন একটি অবস্থা যেখানে পরাগরেণু উৎপাদন কমে যায় বা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
- এটি ফলনের উপর প্রভাব ফেলে কারণ পরাগরেণু কম হলে পরাগায়ন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।
- ফলে, ফলের গুণগত মান ও পরিমাণ কমে যায়, ফলে উচ্চ ফলনশীল জাত তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়ে।
- অর্থাৎ, ইমাস্কুলেশন এর ফলে ফলের উৎপাদন কমে যায়, যা কৃষি উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
Option B Explanation:
- পরাগরেণুর সংখ্যা কমানো: ইমাস্কুলেশনের মাধ্যমে পরাগরেণুর সংখ্যা কমানো হয় যাতে পরাগ সংক্রামণের হার বৃদ্ধি পায়। এটি মূলত স্ব-পরাগায়ন প্রতিরোধে সহায়ক, কারণ কম পরাগরেণু থাকলে অন্য পরাগরেণুর সাথে সংক্রমণের সুযোগ কমে যায়।
- উপকারিতা: এতে পরাগের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায় এবং অতিরিক্ত পরাগের জন্য শক্তি অপচয় কম হয়। এর ফলে উদ্ভিদ আরও কার্যকরভাবে পরাগায়ন সম্পন্ন করতে পারে।
Option C Explanation:
- অভিযােজন ক্ষমতা বৃদ্ধি: এই অপশনটি বিভিন্ন ধরণের উদ্ভিদের মধ্যে পরাগরেণুর উৎপাদন বা স্ব-পরাগায়নের ক্ষমতা বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে।
- উৎপাদনশীলতা বাড়ানো: অভিযােজন ক্ষমতা বৃদ্ধি করলে ফলের পরিমাণ ও মান বৃদ্ধি পায়, যা কৃষি উৎপাদনে সহায়ক হয়।
- প্রজনন প্রক্রিয়া সহজ করা: এই ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উদ্ভিদ দ্রুত ও সহজে প্রজনন সম্পন্ন করতে পারে, বিশেষ করে স্ব-পরাগায়ন বা পরাগের পরিবহন সহজ হয়।
- প্রজনন বৈচিত্র্য বজায় রাখা: অভিযােজন ক্ষমতা বৃদ্ধি হলে বিভিন্ন ধরনের পরাগরেণু তৈরির সক্ষমতা বাড়ে, ফলে প্রজননের বৈচিত্র্য বজায় থাকে।
Option D Explanation:
- স্ব-পরাগায়ন রোধ: এটি এমন একটি প্রক্রিয়া বা বৈশিষ্ট্য যেখানে একটি উদ্ভিদ নিজের পরাগরেণু দ্বারা তার অঙ্কুর বা ফল গঠন থেকে বিরত থাকে।
- উদ্দেশ্য: এটি প্রজনন বৈচিত্র্য বজায় রাখতে এবং জৈবিক প্রজননে বৈচিত্র্য অর্জন করতে সাহায্য করে।
- প্রযুক্তিগত উপায়: এই বৈশিষ্ট্যটি সাধারণত জেনেটিক বা জৈবিক বিকাশের মাধ্যমে অর্জিত হয় যাতে স্ব-পরাগায়ন সম্ভব হয় না বা বাধা দেয়।
- উপকারিতা: এতে করে গোষ্ঠীর মধ্যে জৈবিক সংযোগ বৃদ্ধি পায় এবং স্বাভাবিকভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।