কোন উদ্ভিদে দুই ধরনের ক্লোরোপ্লাস্ট পাওয়া যায়?
সঠিক উত্তরঃ
A.
ইক্ষু
Explanation:

Another Explanation (5):
ইক্ষুতে দুই ধরনের ক্লোরোপ্লাস্ট: একটি বিস্তারিত আলোচনা 🌿🔬
ভূমিকা
ইক্ষু (Saccharum officinarum) একটি গুরুত্বপূর্ণ C4 উদ্ভিদ। এর বিশেষ শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য হলো এতে দুই ধরনের ক্লোরোপ্লাস্ট বিদ্যমান। এই দুই প্রকার ক্লোরোপ্লাস্ট ভিন্ন ভিন্ন কোষে অবস্থান করে এবং ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে থাকে।
ক্লোরোপ্লাস্টের প্রকারভেদ ও অবস্থান
- মেসোফিল ক্লোরোপ্লাস্ট (Mesophyll Chloroplast): 🍃
- মেসোফিল কোষে অবস্থিত।
- এগুলো গ্রানাবিহীন (agranal) অথবা স্বল্প গ্রানাবিশিষ্ট হয়ে থাকে।
- CO2 গ্রহণ করে এবং PEP কার্বক্সিলেজ (PEP carboxylase) নামক এনজাইমের মাধ্যমে অক্সালোঅ্যাসিটেট (oxaloacetate) তৈরি করে।
- বান্ডেল শিথ ক্লোরোপ্লাস্ট (Bundle Sheath Chloroplast): 🌻
- বান্ডেল শিথ কোষে অবস্থিত।
- এগুলো গ্রানাবিশিষ্ট (granal) হয়ে থাকে।
- রুবিস্কো (RuBisCO) নামক এনজাইমের মাধ্যমে ক্যালভিন চক্র (Calvin cycle) চালায় এবং শর্করা তৈরি করে।
C4 চক্রের তাৎপর্য 🔄
C4 চক্রের কার??ে ইক্ষু গাছ উচ্চ তাপমাত্রা ও কম CO2 ঘনত্বেও সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে। মেসোফিল ক্লোরোপ্লাস্ট প্রাথমিক CO2 গ্রহণ করে এবং বান্ডেল শিথ ক্লোরোপ্লাস্ট ক্যালভিন চক্রের মাধ্যমে চূড়ান্ত শর্করা তৈরি করে।
তুলনামূলক তালিকা 📊
| বৈশিষ্ট্য | মেসোফিল ক্লোরোপ্লাস্ট | বান্ডেল শিথ ক্লোরোপ্লাস্ট |
|---|---|---|
| অবস্থান | মেসোফিল কোষ | বান্ডেল শিথ কোষ |
| গ্রানা | গ্রানাবিহীন/স্বল্প গ্রানাবিশিষ্ট | গ্রানাবিশিষ্ট |
| প্রাথমিক CO2 গ্রহণ | হ্যাঁ (PEP কার্বক্সিলেজ) | না |
| ক্যালভিন চক্র | না | হ্যাঁ (রুবিস্কো) |
শারীরবৃত্তীয় গুরুত্ব 🧬
- আলোকশ্বসন (photorespiration) হ্রাস করে। ✅
- উচ্চ CO2 ঘনত্বে সালোকসংশ্লেষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। 💪
- শুষ্ক এবং উষ্ণ পরিবেশে বেঁচে থাকার ক্ষমতা বাড়ায়। ☀️
উপসংহার 🎉
ইক্ষু উদ্ভিদে দুই ধরনের ক্লোরোপ্লাস্টের উপস্থিতি C4 সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই বি???েষত্ব ইক্ষুকে প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে এবং অধিক উৎপাদনশীল হতে সাহায্য করে। এটি উদ্ভিদ শারীরবিদ্যার একটি চমৎকার উদাহরণ। 📚
Option A Explanation:
- প্রকার: C4 উদ্ভিদ
- বৈশিষ্ট্য: ইক্ষু হল একটি C4 উদ্ভিদ যা মূলত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ও উষ্ণ অঞ্চলের উষ্ণ ও শুষ্ক পরিবেশে বৃদ্ধি পায়।
- অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড ব্যবহার: C4 পদ্ধতিতে, ইক্ষু তার পাতার মধ্যে কার্বন ডাইঅক্সাইডকে দ্রুত সংরক্ষণ করে যাতে Photosynthesis প্রক্রিয়া আরও কার্যকর হয়।
- উৎপাদনশীলতা: এই উদ্ভিদ অধিক সূর্যালোক গ্রহণ করে এবং উচ্চ তাপমাত্রায়ও দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
- অন্য নাম: এটি সাধারণত "সুতি" বা "চাল" নামে পরিচিত।
Option B Explanation:
- ধান (Oryza sativa)
- এটি একটি C4 উদ্ভিদ, যার অর্থ হলো এটি একটি C4 প্রক্রিয়ায় ফটোসিনথেসিস করে।
- সাধারণত, ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্যের মধ্যে একটি, যা উষ্ণ এবং আর্দ্র পরিবেশে ভাল বৃদ্ধি পায়।
- এটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর পাতার গড়া এবং রঙের বৈচিত্র্য, যা সূর্যরশ্মির তাপ ও আলোতে কার্যকরভাবে ফটোসিন্থেসিস করতে সক্ষম।
- প্রধানত, ধান দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং এর ফলন উচ্চ মানের খাদ্যশস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation:
- নাম: আম
- বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ফল যা সাধারণত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- সাধারণ ব্যবহার: খাওয়া হয় সরাসরি, বিভিন্ন মিষ্টি ও মিষ্টিজাত খাবারে ব্যবহার হয়।
- পুষ্টিগুণ: ভিটামিন C, ভিটামিন A, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ও ফাইবারে সমৃদ্ধ।
- চেহারা: পুরু আকারে, সাধারণত হলুদ রঙের এবং মিষ্টি স্বাদের।
Option D Explanation:
- প্রকার: ফল
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এটি একটি সাধারণ ফল যা বিভিন্ন ধরনের স্থানীয় ও আঞ্চলিক অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- সাধারণ ব্যবহার: খাদ্য, মিষ্টি, জ্যাম, জেলি ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- পুষ্টিগুণ: ভিটামিন C, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ।
- অন্য নাম: জামফল, জাম গাছের ফল।
- উৎপত্তি: ভারত উপমহাদেশে বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা অঞ্চলে প্রচুর জন্মে।