বাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রাপ্ত উদ্ভিদ কোনটি?
CUUnit-Fজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষনজীববৈচিত্র্য - সংরক্ষণ, বিলুপ্তি ও সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা ও গুরত্ব (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
E.
সবগুলো
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
বাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ 🌿🥀
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পরিবেশ ও প্রতিবেশের পরিবর্তনের কারণে অনেক উদ্ভিদ প্রজাতি আজ বিলুপ্তির পথে। এদের মধ্যে কিছু উদ্ভিদ প্রজাতিকে বিলুপ্তপ্রায় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নিচে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ এবং এর কারণসমূহ আলোচনা করা হলো:
বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদের তালিকা 📜
- ১. রক্তকাঞ্চন (Bauhinia coccinea): সুন্দর এই ফুল গাছটি এখন প্রায় দেখাই যায় না। 🌺
- ২. নাগেশ্বর (Mesua ferrea): ঔষধী গুণ সম্পন্ন চিরসবুজ এই গাছটি তার আবাসস্থল হারানোর কারণে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে। 🌳
- ৩. স্বর্ণচাঁপা (Magnolia champaca): সুগন্ধী ফুল এবং কাঠের জন্য বিখ্যাত এই গাছটি এখন দুর্লভ। 🌼
- ৪. চালতা (Dillenia indica): ফল এবং কাঠের জন্য পরিচিত চালতা গাছও আগের মতো দেখা যায় না। 🍎
- ৫. বনতুলসী (Ocimum gratissimum): ভেষজগুণ সম্পন্ন এই উদ্ভিদটি তার প্রাকৃতিক আবাসস্থল ধ্বংসের কারণে বিপন্ন।🌱
- ৬. বাঁশপাতা/জারুল (Lagerstroemia speciosa): মনোমুগ্ধকর বেগুনী রঙের ফুল বিশিষ্ট এই গাছটি এখন খুব কম দেখা যায়।💜
বিলুপ্তির কারণসমূহ ⚠️
- বনভূমি ধ্বংস: অপরিকল্পিতভাবে বনভূমি ধ্বংসের কারণে অনেক উদ্ভিদের আবাসস্থল নষ্ট হয়ে গেছে। 🏞️➡️🏜️
- জলবায়ু পরিবর্তন: তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে অনেক উদ্ভিদ প্রজাতি টিকতে পারছে না। ☀️➡️🔥🌧️➡️🌊
- দূষণ: শিল্পকারখানা ও শহরের বর্জ্য দ্বারা মাটি ও পানি দূষিত হওয়ার কারণে উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। 🏭➡️☠️
- অতি আহরণ: অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে অনেক উদ্ভিদ প্রজাতি বিলুপ্তির সম্মুখীন। ⛏️➡️🥀
- আক্রমণাত্মক প্রজাতি: বিদেশি আগ্রাসী প্রজাতির উদ্ভিদের বিস্তার স্থানীয় প্রজাতির উদ্ভিদের জীবনধারণের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। 👽➡️🪴
সংরক্ষণ প্রচেষ্টা 🛡️
বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ প্রজাতিকে রক্ষার জন্য সরকারি ও বেসরকারিভাবে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- জাতীয় উদ্যান ও অভয়ারণ্য ঘোষণা: উদ্ভিদ প্রজাতি সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন এলাকাকে জাতীয় উদ্যান ও অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়েছে। 🏞️
- বনায়ন কর্মসূচি: সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ব্যাপক বনায়ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। 🌲🌳🌴
- গবেষণা ও প্রজনন: বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ প্রজাতি নিয়ে গবেষণা এবং তাদের প্রজননের মাধ্যমে সংখ্যা বৃদ্ধির চেষ্টা চালানো হচ্ছে। 🔬🌱
- জনসচেতনতা বৃদ্ধি: বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। 📣
সংক্ষিপ্ত তথ্যাবলী ছকে 📊
| উদ্ভিদের নাম | বৈশিষ্ট্য | সংরক্ষণ অবস্থা |
|---|---|---|
| রক্তকাঞ্চন | সুন্দর ফুল | বিলুপ্তপ্রায় |
| নাগেশ্বর | ঔষধি গুণ | ঝুঁকিপূর্ণ |
| স্বর্ণচাঁপা | সুগন্ধী ফুল | সংরক্ষণ প্রয়োজন |
| চালতা | ফল ও কাঠ | বিপন্ন |
| বনতুলসী | ভেষজগুণ | সংকটপূর্ণ |
| বাঁশপাতা/জারুল | মনোমুগ্ধকর ফুল | বিলুপ্তির পথে |
আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের পরিবেশ রক্ষা করি এবং বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ প্রজাতিকে বাঁচানোর জন্য সচেষ্ট হই। 🙏🌍
আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া - বাংলাদেশের উদ্ভিদকুল
```Option A Explanation:
- Cycas pectinataঃ
- একটি প্রাচীন ধরণের গাছ, যা গাছের শাখা ও পাতা দিয়ে গণ্য হয়।
- প্রধানত দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে ভারত ও নেপালে দেখা যায়।
- এটি সাইকা (Cycads) পরিবারের অন্তর্গত, যা প্রাচীন শীতল ও উষ্ণ অঞ্চলের উদ্ভিদ।
- এটি সাধারণত শীতকালীন জলবায়ু এবং পাহাড়ি এলাকায় পাওয়া যায়।
- প্রাকৃতিক পরিবেশে এই প্রজাতির সংখ্যা কমে আসছে, এ কারণেই এটি বিলুপ্তপ্রায় বলে বিবেচিত।
Option B Explanation:
- নাম: Psilotum triquetrum
- বর্ণনা: এটি একটি প্রাচীন উদ্ভিদ প্রজাতি যা পেরিডোফাইটা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এটি একটি ক্ষুদ্র, গাছের মতো উদ্ভিদ যা মূলত ট্রপিক্যাল এবং সাবট্রপিক্যাল অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- অস্তিত্বের অবস্থা: বর্তমানে এই প্রজাতিটি বিশ্বব্যাপী বিপন্ন বা বিলুপ্তির পথে বলে মনে করা হয়, বিশেষ করে বাংলাদেশে।
- প্রধান বৈশিষ্ট্য: এটি একটি স্পোরের মাধ্যমে বিস্তার লাভ করে এবং এর গঠন সাধারণত গাছ বা ঝোপের মতো নয়, বরং ছোট ও সরু শাখা-প্রকৃতির।
- প্রয়োজনীয়তা: এটি সংরক্ষণ ও গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি প্রাচীন উদ্ভিদের শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত এবং এর বিলুপ্তি প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর।
Option C Explanation:
- নাম: Podocarpus nerifolia
- পরিবার: Podocarpaceae
- প্রকার: বর্ষজীবী বৃক্ষ বা ঝোপঝাড়
- অবস্থান: সাধারণত উপক্রান্তীয় ও পর্বতশ্রেণীর অঞ্চলে পাওয়া যায়
- বৈশিষ্ট্য: এর পাতাগুলি সাধারণত সরু ও লম্বাটে, গাঢ় সবুজ রঙের
- অতীতের অবস্থা: বাংলাদেশের প্রাচীন সময়ে এই উদ্ভিদটি পাওয়া যেত, কিন্তু বর্তমানে এটি বিলুপ্তপ্রাপ্ত বা অপ্রচলিত হতে পারে
Option D Explanation:
Gnetum funicularae
- Gnetum funicularae হলো গাছের একটি প্রজাতি যা সাধারণত গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- এটি গেনটাম পরিবারের অন্তর্গত, যা গাছে পরিণত হয় এবং পাতাগুলি সাধারণত লম্বা ও ঝুলন্ত হয়।
- বিশেষ করে এটি তার পাতার গঠন ও অঙ্গের জন্য উল্লেখযোগ্য, যা অন্যান্য অনেক উদ্ভিদের থেকে আলাদা।
- বাংলাদেশে এই প্রজাতির উপস্থিতি এখন বিলুপ্তপ্রাপ্ত হিসেবে বিবেচিত হতে পার??, ফলে এর সংরক্ষণ ও গবেষণার গুরুত্ব রয়েছে।
Option E Explanation:
- ADH (অ্যান্টিডায়ুরেটিক হরমোন): এটি মূলত কিডনিতে পানি শোষণের জন্য দায়ী। এটি কিডনির সংবহন টিউবুলে পানি শোষণের হার বাড়ায়, যার ফলে শরীরের পানির পরিমাণ রক্ষা হয় এবং প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়।
- GH (গ্রোথ হরমোন): যদিও এটি মূলত শরীরের বৃদ্ধি এবং কোষের উন্নয়নে সহায়ক, তবে এটি কিডনির মাধ্যমে পানি বিশোষণে সরাসরি ভূমিকা রাখে না।
- TSH (থাইরয়েড-উত্পন্ন হরমোন): এটি মূলত থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং পানি বিশোষণে সরাসরি প্রভাব ফেলে না।