পৃথিবী পৃষ্ঠের ওপরে কোন বায়ুমন্ডল না থাকলে একটি দিবনের সময়ের ব্যপ্তি-
BUETপদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রপর্যাবৃত্তিক গতিসরল দোলকের সূত্র (Topic Practice)BUET - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
হ্রাস পাবে
Explanation:

Another Explanation (5):
পৃথিবী পৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডল না থাকলে দিনের দৈর্ঘ্যের পরিবর্তন ⏳
পৃথিবীর চারপাশে বায়ুমণ্ডল না থাকলে দিনের দৈর্ঘ্য কমতো। এর কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
আলোর বিচ্ছুরণ এবং প্রতিসরণ ☀️➡️🌍
- আলোর বিচ্ছুরণ (Scattering): বায়ুমণ্ডলীয় কণা, যেমন - ধূলিকণা, জলীয় বাষ্প, গ্যাসের অণু আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে বিক্ষিপ্ত করে দেয়। এই বিচ্ছুরণের কারণে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের সময় আলোকরশ্মি বেঁকে যায় এবং দিগন্তের নিচে থাকা সত্ত্বেও আমরা সূর্যকে দেখতে পাই। বায়ুমণ্ডল না থাকলে এই বিচ্ছুরণ হতো না।
- প্রতিসরণ (Refraction): আলো যখন একটি মাধ্যম (বায়ু) থেকে অন্য মাধ্যমে (মহাশূন্য) প্রবেশ করে, তখন তার দিক পরিবর্তিত হয়। বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণের কারণে সূর্য প্রকৃত উদয়ের কয়েক মিনিট আগে এবং প্রকৃত অস্তের কয়েক মিনিট পরেও দেখা যায়।
বায়ুমণ্ডল না থাকলে আলোর বিচ্ছুরণ ও প্রতিসরণ না হওয়ায় সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের সময়কাল তাৎক্ষণিকভাবে ঘটতো। এর ফলে দিনের দৈর্ঘ্য কমে যেত। 🌅➡️🌇
দিনের দৈর্ঘ্যের উপর প্রভাব ⏱️
বায়ুমণ্ডলীয় বিচ্ছুরণ এবং প্রতিসরণের অভাবে যা ঘটবে:
- সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত হঠাৎ করে হবে।
- আলোর gradual পরিবর্তন হবে না।
- দিনের আলো কমে যাবে।
তুলনামূলক আলোচনা 📊
| বৈশিষ্ট্য | বায়ুমণ্ডল থাকলে | বায়ুমণ্ডল না থাকলে |
|---|---|---|
| সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত | ধীরে ধীরে হয় | হঠাৎ করে হয় |
| আলোর বিচ্ছুরণ | আলো বিচ্ছুরিত হয় | আলো বিচ্ছুরিত হয় না |
| দিনের দৈর্ঘ্য | বর্তমান দৈর্ঘ্য | কম |
অন্যান্য প্রভাব 🌌
বায়ুমণ্ডল না থাকলে আরও কিছু প্রভাব পরিলক্ষিত হতো:
- আকাশ সবসময় কালো দেখাতো (দিনের বেলাতেও)। 🌑
- তাপমাত্রা চরমভাবাপন্ন হতো (দিনের বেলা খুব গরম এবং রাতে খুব ঠান্ডা)। 🔥❄️
- জীবনের অস্তিত্ব প্রায় অসম্ভব হতো। 💀
উপসংহার ✅
সুতরাং, বায়ুমণ্ডল না থাকলে আলোর বিচ্ছুরণ এবং প্রতিসরণ না হওয়ার কারণে দিনের দৈর্ঘ্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেত। 📉
আশা করি, বিষয়টি বোধগম্য হয়েছে। 😃