মোহনপুরের যখন নিপাহ ভাইরাস দেখা দিল, তখন গ্রামবাসী। আতঙ্কে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় খুঁজছিল। এমন সময় তোতা কবিরাজ গ্রামটিকে রক্ষা করার জন্য সচেষ্ট হন। তিনি চিনি পড়া, পানি পড়া দিয়ে চিকিৎসা দেন এবং অনেক টাকাপয়সা হাতিয়ে নেন। কিছুদিন পর নিপাহ ভাইরাস বিদায় নেয়। অবশ্য ইতিমধ্যে অনেক মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়। তবুও গ্রামের মানুষ তোতা কবিরাজের অলৌকিক ক্ষমতায় মুগ্ধ হয়ে তাকে অর্থ-সম্পদ উপহার দেয় এবং ভয়ও করে।
উদ্দীপকের তোতা কবিরাজের সঙ্গে লালসালু উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সাদৃশ্য আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসে বর্ণিত টুনি চরিত্রটি একটি কিশোরীসুলভ চপলতার প্রতীক। স্বামী ও সংসার সম্পর্কে সে ছিল একেবারেই অনভিজ্ঞ। সমবয়সিদের সাথে খেলাধুলা ও হাসি-তামাশা করতেই তার বেশি ভালো লাগত। এই চপলা- চঞ্চলা টুনিকেই বিয়ে করে ঘরে আনে ষাট বছরের বুড়ো মকবুল। তাদের বয়েসের বিস্তর ব্যবধান থাকায় স্বামী ও সংসারের সুখ তার কপালে জোটেনি।"টুনি ও 'লালসালু' উপন্যাসের উদ্দিষ্ট চরিত্র সামাজিক কুসংস্কারের শিকার।"- উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে এ-উক্তিটির সত্যতা নিরূপণ কর।
- ডোমপাড়া থেকে কীসের শব্দ ভেসে আসে?
- সুখে থাকিয়া এবং পেট ভরিয়া খাইয়া কিছুদিনের মধ্যে ভিখুর দেহে পূর্বের স্বাস্থ্য ফিরিয়া আসিল। তাহার ছাতি ফুলিয়া উঠিল, প্রত্যেকটি অঙ্গ সঞ্চালনে হাতের ও পিঠের মাংসপেশি নাচিয়া উঠিতে লাগিল। অবরুদ্ধ শক্তির উত্তেজনায় ক্রমে ক্রমে তাহার মেজাজও উদ্ধত অসহিষ্ণু হইয়া পড়িল। অভ্যস্ত বুলি আওড়াইয়া কাতরভাবে সে এখন ভিক্ষা চায়। কিন্তু ভিক্ষা না পাইলে তাহার ক্রোধের সীমা থাকে না। লোকজন না থাকিলে তাহার প্রতি উদাসীন পথিককে অশ্লীল গাল দিয়া বসে। এক পয়সার জিনিস কিনিয়া ফাউ না পাইলে দোকানিকে মারিতে ওঠে। নদীর ঘাটে মেয়েরা স্নান করিতে নামিলে ভিক্ষা চাহিবার ছলে জলের ধারে গিয়া দাঁড়ায়।'ভিখুর মতো রমণীদেহের প্রতি মজিদেরও লোলুপ দৃষ্টি ছিল।'- তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- 'এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়। সচ্ছলতার শিকড়গাড়া বৃক্ষ।'- ব্যাখ্যা করো।
- জমিলা মজিদের মুখে থুথু দিয়েছিল কেন?
- উম্মত মিয়া অনেক বছর আগেই তাঁর জন্মস্থান ছেড়ে, জীবিকার সন্ধানে যশোর অঞ্চলে বসতি গড়েছে। পরিশ্রম, সততা ও বুদ্ধির জোরে সহায়সম্বলহীন অবস্থা থেকে উম্মত মিয়া আজ বড়ো ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে। সে লোক ঠকায় না বরং মানুষের উপকার করে। মানুষ তার মানবিকতা ও ব্যক্তিত্বের জন্য সম্মান করে।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপান্যাসের প্রেক্ষাপটের সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- কিছু কিছু মানুষ তাদের চাওয়া-পাওয়ার প্রত্যক্ষ উৎস হিসেবে মাজারকে বেছে নেয়। হরেক রকম মানত করে। তেমনি এক অসহায় বৃদ্ধ সালাম মণ্ডল। তার রোগগ্রস্ত ছেলের জন্য মাজারে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি মানত করে। এতে ছেলের শারীরিক কোনো উন্নতি ঘটে না। ছেলে তার দিনকে দিন খারাপের দিকেই যায়। তার শেষ সম্বল টাকা-পয়সা যা ছিল তাও সে মাজারে ছুড়ে দিয়ে ছেলের জন্য রোগমুক্তির প্রার্থনা করে।"উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের মাজারভক্তির একই চিত্র ফুটে উঠেছে"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- মানুষ বেঁচে থাকার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করে। জীবনের শেষ ক্ষুদ্র অবলম্বনকেও বিসর্জন দিয়ে বাঁচতে চায়। কোনো প্রাণীই এর ব্যতিক্রম নয়। যেমন বাঘের ক্ষুধা সহ্যের মাত্রা অতিক্রম করলে আপন ছানাদের খেয়েও জীবন বাঁচায়।'অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাই মানুষের সর্বোচ্চ সাধনা।' উক্তিটি উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- রহিম উদ্দীন মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অনেক টাকা উপার্জন করেন। এলাকায় তাঁর দানে রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির নির্মাণ হয়েছে। কিন্তু তাঁর মনে সুখ নেই। তিনি নিঃসন্তান। অনেকেই তাঁকে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য পরামর্শ দেন। কিন্তু তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেননি।উদ্দীপকে প্রতিফলিত ইতিবাচক জীব-চেতনা 'লালসালু' উপন্যাসে অনুপস্থিত।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- ঢেঙা বুড়ো তার মেয়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছে, কারণ-
- 'বেচাইন' শব্দের অর্থ কী?
- “জনগণে যারা জোঁকসম শোষে, মহাজন তারেকয়।”— উদ্দীপকে এবং 'লালসালু' উপন্যাসেমহাজনদের বৈশিষ্ট্য কী?শোষকস্বার্থপরমানবতাবিরোধীনিচের কোনটি সঠিক?
- মাজারেরে পাশে দাঁড়িয়ে রহিমা কার জন্য শক্তি প্রার্থনা করে?
- মজিদের সাংঘাতিক কাজ হলো— মিথ্যা কবরকে মাজার বানানোকোনোমতে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকাধর্মের নামে নিজের আখের গোছানোনিচের কোনটি সঠিক?
- মুহিম ভাদ্র মাসের এক বিকেলে দেখল বিলের পানি, ধানগাছ ও অন্যান্য ফসল একেবারে স্তব্ধ হয়ে আছে। এমন অবস্থায় বিলে মাছ ধরছিল -তাহের ও তার ভাইআক্কাস ও তার ভাইহাসুনির মার দুই ভাইনিচের কোনটি সঠিক?
- আব্দুল্লাহ যখন শাহ পাড়ার গোলদার বাড়ি আসিয়া পৌছিল তখন বেলা প্রায় দ্বিপ্রহর। সংবাদ পাইয়া গৃহস্বামী গোলদার ব্যস্ত সমস্ত হইয়া ছুটিয়া আসিল এবং তাহার দীর্ঘ শুভ্র শশ্মাশ্রুরাজি ভূলুণ্ঠিত করিয়া আব্দুল্লাহকে কদমবুসি করিতে উদ্যত হইল। এ ধরনের অভিনন্দনের জন্য আব্দুল্লাহ একেবারেই প্রস্তুত ছিল না। পথে হঠাৎ সাপ দেখিলে মানুষ যেমন এক লম্ফে হটিয়া দাঁড়ায়, সেও তেমনি হটিয়া গিয়া বলিয়া উঠিল 'আহা, করেন কি, করেন কি, গোলদার সাহেব। কাসেম গোলদার বড়োই সরলপ্রাণ, ধর্মপরায়ণ, পিরভক্ত লোক। আব্দুল্লাহর পিতা তাহার পির ছিলেন, এক্ষণে তাহার মৃত্যুতে আব্দুল্লাহ তাঁহার স্থলাভিষিক্ত বলিয়া মনে করিয়া লইয়া সে আব্দুল্লাহর কদমবুসি করিবার জন্য নত মস্তকে হাত বাড়াইয়াছিল। কিন্তু আব্দুল্লাহ পা টানিয়া লওয়ায় সে উহা স্পর্শ করিতে পাইল না; তাহার মনে হইল বেহেশতের দুয়ারের চাবি তাহার হাতের কাছ দিয়া সরিয়া শেল।উদ্দীপকের আব্দুল্লাহর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের চারিত্রিক পার্থক্য দেখাও।
- জনাব নুরুল ইসলাম একজন শিল্পপতি। দীর্ঘকাল পর তিনি নিজ গ্রামে এসে দেখেন, এখানকার মানুষ এখনও দুঃখদুর্দশা আর অভাব-অনটনে জর্জরিত। তাই তিনি মনিস্থর করেন যে, গ্রামে একটি ফ্যাক্টরি স্থাপন করবেন। এতে মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। কিন্তু গ্রামের চেয়ারম্যান তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কারণ, বেকার লোকেরা কর্মজীবী হয়ে গেলে তাদেরকে আর মিটিং-মিছিলে ব্যবহার করা যাবে না।উদ্দীপকের শিল্পপতির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ?। ব্যাখ্যা করো।
- 'দৃষ্টি প্রদীপ' কী ধরনের রচনা?
- ঔপন্যাসিক মজিদের গ্রামে প্রবেশকে নাটকীয় বলেছেন কেন?
- কৃষক কোন মাসে ধান কেটেছিলেন?