চাইনিজ হোয়াইট বলা হয় কোনটিকে?
JUUnit-DSet-2রসায়ন প্রথম পত্রকর্মমুখী রসায়নটয়লেট্রিজ ও পারফিউম এবং গ্লাস ও টয়লেট ক্লিনার (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
ZnO
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: চাইনিজ হোয়াইট হলো ZnO। এটি সাধারণত সাদা রঙ ধারণ করে এবং রঙ তৈরি ও ঔষধি কাজে ব্যবহৃত হয়। অপশন বিশ্লেষণ: A. ZnO: সঠিক, এটি চাইনিজ হোয়াইট নামে পরিচিত। B. CaO: ভুল, এটি লাইম নামে পরিচিত। C. CuO: ভুল, এটি কালো রঙ ধারণ করে। D. PbO: ভুল, এটি সাদা নয় বরং হলদেটে রঙ ধারণ করে। নোট: ZnO তার রাসায়নিক স্থায়িত্ব এবং সাদা রঙের জন্য চাইনিজ হোয়াইট নামে সুপরিচিত।
Another Explanation (5):
চাইনিজ হোয়াইট: ZnO এর একাডেমিক ব্যাখ্যা
পরিচিতি
চাইনিজ হোয়াইট হলো জিঙ্ক অক্সাইড (ZnO) এর প্রচলিত নাম। এটি বহুল ব্যবহৃত একটি অজৈব যৌগ। এর রাসায়নিক ও ভৌত বৈশিষ্ট্য এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ এটিকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। 🧪রাসায়নিক ও ভৌত বৈশিষ্ট্য
- রাসায়নিক সংকেত: ZnO
- আণবিক ভর: ৮১.৩৮ গ্রাম/মোল
- বর্ণ: সাদা বা হালকা হলুদ (সাধারণত সাদা) ⚪
- গলনাঙ্ক: ১৯৬৪ °C (৩৫৬৭ °F; ২৩৯৫ K)
- ঘনত্ব: ৫.৬ গ্রাম/সেমি³
- পানিতে দ্রবণীয়তা: খুবই সামান্য
উৎপাদন প্রক্রিয়া
জিঙ্ক অক্সাইড বিভিন্ন পদ্ধতিতে তৈরি করা যায়, তার মধ্যে কয়েকটি নিচে উল্লেখ করা হলো:- প্রত্যক্ষ পদ্ধতি: জিঙ্ক ধাতুকে বাতাসের উপস্থিতিতে উত্তপ্ত করলে এটি তৈরি হয়। 🔥
- পরোক্ষ পদ্ধতি: জিঙ্ক কার্বোনেট বা জিঙ্ক নাইট্রেটকে উত্তপ্ত করে জিঙ্ক অক্সাইড তৈরি করা হয়।
- দ্রবণ পদ্ধতি: জিঙ্ক লবণ দ্রবণ থেকে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে জিঙ্ক অক্সাইড তৈরি করা হয়।
ব্যবহার
| ক্ষেত্র | ব্যবহার | গুরুত্ব |
|---|---|---|
| রং শিল্প 🎨 | সাদা পিগমেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। | উজ্জ্বলতা এবং অস্বচ্ছতা বাড়ায়। |
| রাবার শিল্প 🚗 | রাবার উৎপাদনে অনুঘটক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। | স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়। |
| ফার্মাসিউটিক্যালস 💊 | ত্বকের সুরক্ষায় মলম এবং লোশনে ব্যবহৃত হয়। | জীবাণুনাশক এবং প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। |
| কসমেটিকস 💄 | সানস্ক্রিনে ব্যবহৃত হয়। | সূর্যরশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। ☀️ |
| বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম 💡 | ভেরিস্টর তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। | বৈদ্যুতিক বর্তনীকে অতিরিক্ত ভোল্টেজ থেকে রক্ষা করে। |
ত্বকের সুরক্ষায় জিঙ্ক অক্সাইড
জিঙ্ক অক্সাইড ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এটি নিম্নলিখিত উপকারিতা প্রদান করে:- সূর্যরশ্মি থেকে রক্ষা করে: আলট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। 😎
- ক্ষত নিরাময় করে: ত্বকের ক্ষত এবং পোড়া নিরাময়ে সাহায্য করে। 🤕
- প্রদাহ কমায়: ত্বকের প্রদাহ এবং জ্বালা কমায়। 😌
- ত্বকের সংক্রমণ কমায়: ব্যাকটেরিয়ারোধী হওয়ায় সংক্রমণ কমাতে সহায়তা করে।
এসব কারণে এটি শিশুদের ডায়াপার র্যাশ এবং অন্যান্য ত্বকের সমস্যায় ব্যবহার করা হয়। 👶
পরিবেশগত প্রভাব
জিঙ্ক অক্সাইড সাধারণত পরিবেশের জন্য নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে, এর অতিরিক্ত ব্যবহার পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ♻️সতর্কতা
জিঙ্ক অক্সাইড ব্যবহারের সময় কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত:- শ্বাসকষ্ট: জিঙ্ক অক্সাইড শ্বাস গ্রহণের সময় শ্বাসকষ্ট হতে পারে। 🤧
- ত্বকের সংবেদনশীলতা: কিছু লোকের ত্বকে অ্যালার্জি হতে পারে। 😫
- চোখের ক্ষতি: চোখের সংস্পর্শে আসলে জ্বালা হতে পারে। 👁️