মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

মঙ্গল শোভাযাত্রাকে ইউনেস্কো কোন সালে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?

A. ২০১৪
B. ২০১৫
C. ২০১৬
D. ২০১৭
Poster Download
KUUnit-Bসাধারন জ্ঞান - আন্তর্জাতিকবিভিন্ন সংস্থাবিভিন্ন সংস্থা (Topic Practice)KU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. ২০১৬
Explanation:

Another Explanation (5):

মঙ্গল শোভাযাত্রা: ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য 🎊

মঙ্গল শোভাযাত্রা বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ উৎসব। ২০১৬ সালে ইউনেস্কো এই শোভাযাত্রাকে "মানবতার অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য" হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। 🥳

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট 📜

এই শোভাযাত্রার শুরু ১৯৮৯ সালে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরা এবং অশুভ শক্তির বিনাশ করে শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা। 🎨

ইউনেস্কোর স্বীকৃতি 🏆

ইউনেস্কো ২০১৬ সালের ৩০শে নভেম্বর ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবায় অনুষ্ঠিত তাদের Inscription of Properties Meeting এ মঙ্গল শোভাযাত্রাকে এই স্বীকৃতি প্রদান করে। 🎉

স্বীকৃতির কারণসমূহ: 🤔

  • লোকজ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ 🎭
  • অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও মানবতাবাদের বার্তা 🕊️
  • গণমানুষের অংশগ্রহণ ও সৃজনশীলতার উদযাপন 💃

শোভাযাত্রার মূল উপাদান 🎠

মঙ্গল শোভাযাত্রায় বিভিন্ন ধরনের শিল্পকর্ম ও প্রতীক ব্যবহার করা হয়। নিচে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উপাদানের তালিকা দেওয়া হলো:

  1. ঘোড়া: শক্তি ও গতিশীলতার প্রতীক 🐴
  2. হাতি: ঐশ্বর্য ও সৌভাগ্যের প্রতীক 🐘
  3. পুতুল: লোককথার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ধারক 🎎
  4. পাখি: শান্তি ও স্বাধীনতার প্রতীক 🕊️
  5. বিভিন্ন মুখোশ: অশুভ শক্তিকে প্রতিহত করার প্রতীক 👺

সময়কাল 🗓️

বছর ঘটনা
১৯৮৯ মঙ্গল শোভাযাত্রার শুরু 🏁
২০১৬ ইউনেস্কোর স্বীকৃতি 🎉

গুরুত্ব ✨

মঙ্গল শোভাযাত্রা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি। ইউনেস্কোর স্বীকৃতি এই উৎসবকে বিশ্ব দরবারে আরও পরিচিত করেছে। 🌍 এটি আমাদের সংস্কৃতিকে সংরক্ষণে উৎসাহিত করে এবং নতুন প্রজন্মকে ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে আগ্রহী করে। 💖

আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার কাজে লাগবে! 😊