কোনটি নন প্রোটিন অ্যামাইনো এসিড?
RUUnit-CSet-1জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ রসায়নঅ্যামিনো এসিড (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
অরনিথিন
Explanation:
নন প্রোটিন অ্যামাইনো এসিড: অরনিথিন, সাইট্রুলিন, হেমোসেরিন।
Another Explanation (5):
নন-প্রোটিন অ্যামাইনো অ্যাসিড: অরনিথিন 🧐
অ্যামাইনো অ্যাসিড প্রোটিনের বিল্ডিং ব্লক হিসেবে পরিচিত। তবে, কিছু অ্যামাইনো অ্যাসিড আছে যারা প্রোটিন তৈরিতে সরাসরি অংশ নেয় না। এদেরকে নন-প্রোটিন অ্যামাইনো অ্যাসিড বলা হয়। অরনিথিন তেমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ নন-প্রোটিন অ্যামাইনো অ্যাসিড। 🤩
অরনিথিন কী? 🤔
- অরনিথিন একটি আলফা-অ্যামাইনো অ্যাসিড।
- এটি ইউরিয়া চক্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী যৌগ।
- প্রোটিন সংশ্লেষণে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।
- এটি লিভার বা যকৃতে তৈরি হয়।
ইউরিয়া চক্রে অরনিথিনের ভূমিকা ♻️
ইউরিয়া চক্রের মাধ্যমে শরীর থেকে অ্যামোনিয়া অপসারণে অরনিথিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে এর ভূমিকা দেখানো হলো:
| ধাপ | বিক্রিয়া | অরনিথিনের ভূমিকা |
|---|---|---|
| ১ | অরনিথিন কার্বাময়েল ফসফেটের সাথে মিলিত হয়ে সাইট্রুলিন তৈরি করে। | অরনিথিন এখানে বিক্রিয়ক হিসেবে কাজ করে। |
| ২ | সাইট্রুলিন অ্যাসপার্টেটের সাথে মিলিত হয়ে আর্জিনিনোসাক্সিনেট তৈরি করে। | অরনিথিনের মাধ্যমে চক্রটি এগিয়ে যায়। |
| ৩ | আর্জিনিনোসাক্সিনেট ভেঙে আর্জিনিন এবং ফিউমারেট তৈরি হয়। | - |
| ৪ | আর্জিনিন ভেঙে ইউরিয়া এবং অরনিথিন তৈরি হয়। | অরনিথিন পুনরায় চক্রে প্রবেশ করে। |
অরনিথিনের অন্যান্য কাজ ⚙️
- ক্ষতিকর অ্যামোনিয়া শরীর থেকে বের করে দেওয়া।
- পেশি গঠনে সাহায্য করতে পারে 💪।
- শারীরিক কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে।
অরনিথিনের উৎস 🥛🥩🥚
অরনিথিন সাধারণত খাদ্য উৎস থেকে পাওয়া যায় না, তবে এটি শরীর নিজেই তৈরি করতে পারে। কিছু কিছু খাবার যেমন -
- দুগ্ধজাত পণ্য 🥛
- মাংস 🥩
- ডিম 🥚
- কিছু বীজ থেকেও সামান্য পরিমাণে পাওয়া যায়।
গুরুত্বপ??র্ণ তথ্য ℹ️
- অরনিথিনের অভাব সাধারণত দেখা যায় না।
- কিছু স্বাস্থ্য সমস্যায় অরনিথিন সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করা হয়।
- চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত নয়।
আশা করি, অরনিথিন সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। 😊
Option A Explanation:
- অরনিথিন হল একটি অ্যামাইনো অ্যাসিড নয়।
- এটি একটি কেমিক্যাল উপাদান যা সাধারণত পিপারমিন্টের স্বাদে ব্যবহৃত হয়।
- অরনিথিন মূলত একটি নাইট্রোজেন যৌগ, যা প্রোটিনের গঠনে অন্তর্ভুক্ত নয়।
- এটি প্রোটিন সংশ্লিষ্ট অ্যামাইনো অ্যাসিডের মধ্যে পড়ে না, বরং একটি কেমিক্যাল উপাদান।
Option B Explanation:
আরজিনিন (Arginine)
- প্রকার: অ্যামাইনো অ্যাসিড, প্রোটিন গঠনের জন্য অপরিহার্য নয় (অপ্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড)।
- অর্থ: শরীরের মধ্যে নাইট্রিক অক্সাইড, ইউরিয়া, অর্নিথিন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ যৌগের গঠনে সহায়ক।
- প্রাকৃতিক উৎস: মাংস, মাছ, ডাল, দুধ, বাদাম ইত্যাদি।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এটি শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, ক্ষত সারানো এবং ইমিউন সিস্টেমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation:
- সেরিন (Serine): এটি একটি অ্যামাইনো এসিড যা প্রোটিনের উপাদান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। এটি একটি নন-অ্যাপুরিন বা নন-প্রোটিন অ্যামাইনো এসিড নয়, বরং প্রোটিনের গঠন উপাদান।
- অন্য কিছু অ্যামাইনো এসিডের মতো, এটি শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে অংশ নেয়, যেমন নিউরোট্রান্সমিটার সৃষ্টিতে সহায়তা করে।
- সেরিন স্বাভাবিকভাবে বিভিন্ন খাদ্য উৎস থেকে পাওয়া যায়, যেমন ডাল, বাদাম, ডিম, এবং মাংস।
Option D Explanation:
- লিউসিন হলো একটি অপরিহার্য অ্যামাইনো অ্যাসিড যা প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি একটি নন-অপেক্স অ্যামাইনো অ্যাসিড নয়, বরং প্রোটিনের মূল উপাদান হিসেবে কাজ করে।
- লিউসিন শরীরের মধ্যে গ্লুকোজ মেটাবোলিজমে সহায়তা ক???ে এবং পেশী বৃদ্ধিতে সহায়ক।
- এটি প্রোটিন ডাইনিংয়ে উপস্থিত থাকে এবং খাদ্য থেকে সরাসরি শরীরে গ্রহণ করা হয়।