মানুষের নিষ্ক্রিয় অঙ্গ কোনটি?
সঠিক উত্তরঃ
A.
কক্কিক্স
Another Explanation (5): নিশ্চিতভাবেই! মানুষের নিষ্ক্রিয় অঙ্গ বলতে বোঝায় সেই অঙ্গগুলো যা সাধারণত শরীরের কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নেয় না বা খুব কম কার্যকলাপে যুক্ত থাকে।
উদাহরণস্বরূপ, কক্কিক্স বা কোচিক্স অঙ্গটি মূলত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে এটি মূলত অবশিষ্ট অঙ্গের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে থাকে এবং শরীরের ভারসাম্য ও সমর্থন প্রদান করে।
অতএব, মানুষের নিষ্ক্রিয় অঙ্গ হিসেবে "কক্কিক্স" বিবেচিত হয় কারণ এটি সাধারণত সক্রিয় বা স্বতঃস্ফূর্ত কার্যক্রমে অংশ নেয় না, বরং শরীরের অন্য অঙ্গের সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
উদাহরণস্বরূপ, কক্কিক্স বা কোচিক্স অঙ্গটি মূলত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে এটি মূলত অবশিষ্ট অঙ্গের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে থাকে এবং শরীরের ভারসাম্য ও সমর্থন প্রদান করে।
অতএব, মানুষের নিষ্ক্রিয় অঙ্গ হিসেবে "কক্কিক্স" বিবেচিত হয় কারণ এটি সাধারণত সক্রিয় বা স্বতঃস্ফূর্ত কার্যক্রমে অংশ নেয় না, বরং শরীরের অন্য অঙ্গের সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
Option A Explanation:
- কক্কিক্স: এটি মানব শরীরের সবচেয়ে নিম্নস্থ অস্থি, যা পাঁচটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অস্থির সমন্বয়ে গঠিত।
- এটি মূলত পেছনের অংশে অবস্থিত এবং শরীরের ওজন ধারণা করে রাখে।
- প্রাচীন কাল থেকে এটি শরীরের অবচেতন অংশের সাথে সংযোগস্থাপন করে এবং শরীরের স্থিতিস্থাপকতা ও ভারসাম্য রক্ষা করে।
- এটি অন্যান্য অস্থির সাথে সংযোগস্থাপন করে কোমর, পেট, ও পায়ের অস্থির সাথে।
Option B Explanation:
- নখ: নখ হলো শরীরের বাহ্যিক অঙ্গ যা আঙ্গুল বা পায়ের আঙুলের উপরে অবস্থিত।
- নখের প্রধান কাজ হলো আঙ্গুল বা পা সুরক্ষিত রাখা এবং জিনিস ধরার ক্ষেত্রে সহায়তা করা।
- নখের গঠন মূলত কেরাটিন নামক প্রোটিন দ্বারা তৈরি, যা শক্তিশালী ও টেকসই।
- নখের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে অঙ্গপ্রত্যঙ্গের রক্ত প্রবাহ ও স্বাস্থ্যের উপর নির্ভরশীল।
Option C Explanation:
- ডায়াফ্রাম: ডায়াফ্রাম হলো একটি পেশী যা বুকের কক্ষে অবস্থিত এবং শ্বাসপ্রশ্বাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এটি শ্বাস প্রশ্বাসের সময় ফুসফুসের উপর চাপ সৃষ্টি করে এবং শ্বাস নেওয়া ও ছাড়ার জন্য সহায়তা করে।
- ??ারীরিক কার্যকলাপের সময় এটি সংকোচন বা প্রশস্ত হয়, ফলে শ্বাসের প্রক্রিয়া সহজ হয়।
Option D Explanation:
- কর্নাস্থী (Cornea): চোখের একটি স্বচ্ছ অঙ্গ যা চোখের সামনে অবস্থিত।
- মূল কাজঃ আলোকে ফোকাস করে চোখের অভ্যন্তরে পৌঁছানোর জন্য।
- প্রধান বৈশিষ্ট্যঃ স্বচ্ছতা ও আলোর প্রেরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- অন্য অঙ্গের তুলনায় এটি নিষ্ক্রিয়, অর্থাৎ স্বাভাবিকভাবে কিছু রাসায়নিক বা শারীরিক পরিবর্তনের মাধ্যমে সক্রিয় হয় না।