ক্যারিঅপসিস এর উদাহরণ কোনটি ?
সঠিক উত্তরঃ
A.
ধান
Another Explanation (5): সর্বমূখ পরাগধনী বলতে বোঝায় এমন পরাগধনী যা ফুলের সকল অংশ থেকে দৃশ্যমান বা স্পষ্টভাবে দেখা যায়। নিচের তালিকায় বিভিন্ন ফল ও ফুলের পরাগধনীর অবস্থা দেওয়া হলো:
- ধান – এই ফসলের ফুলের পরাগধনী অনেক বড় ও দৃশ্যমান। ফুলের অবস্থান থেকে পরাগধনী সহজে দেখা যায়, তাই এটি সর্বমূখ পরাগধনী হিসেবে পরিচিত।
- আলু – আলুর ফুলের পরাগধনী সাধারণত ছোট ও অদৃশ্য হয়ে থাকে।
- মাছরাঙা – এটি একটি পাখি, যার পরাগধনী বলতে কিছু বুঝায় না।
- আনারস – আনারসের ফুলের পরাগধনী সাধারণত ছোট ও অদৃশ্য হয়।
Option A Explanation:
- ধান (Oryza sativa)
- এটি একটি C4 উদ্ভিদ, যার অর্থ হলো এটি একটি C4 প্রক্রিয়ায় ফটোসিনথেসিস করে।
- সাধারণত, ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্যের মধ্যে একটি, যা উষ্ণ এবং আর্দ্র পরিবেশে ভাল বৃদ্ধি পায়।
- এটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর পাতার গড়া এবং রঙের বৈচিত্র্য, যা সূর্যরশ্মির তাপ ও আলোতে কার্যকরভাবে ফটোসিন্থেসিস করতে সক্ষম।
- প্রধানত, ধান দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং এর ফলন উচ্চ মানের খাদ্যশস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
- নাম: আম
- বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ফল যা সাধারণত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- সাধারণ ব্যবহার: খাওয়া হয় সরাসরি, বিভিন্ন মিষ্টি ও মিষ্টিজাত খাবারে ব্যবহার হয়।
- পুষ্টিগুণ: ভিটামিন C, ভিটামিন A, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ও ফাইবারে সমৃদ্ধ।
- চেহারা: পুরু আকারে, সাধারণত হলুদ রঙের এবং মিষ্টি স্বাদের।
Option C Explanation:
- নাম: কলা
- প্রকার: পার্থেনোকার্পিক ফল
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: কলার ফল সাধারণত পুরুষোত্তর বা অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে এবং জিবেরেলিন নামক ফাইটোহরমোনের প্রয়োগে এটি পার্থেনোকার্পিক রূপে পরিণত হয়।
- উৎপত্তি: এই প্রক্রিয়ায় কলা ফলের গাছের নির্দিষ্ট অংশে জিবেরেলিন প্রয়োগ করে ফলের স্বাভাবিক জন্মের সময় ছাড়াই ফলের বৃদ্ধি ঘটানো হয়।
- ব্যবহার: কৃষি গবেষণা এবং ফলের উৎপাদনে এই প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয় যাতে ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং ফলের মান নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
Option D Explanation:
- আতা (Aata): আতা ফুলের পাপড়িগুলি twisted বা বাঁকানো আকারে থাকে। এই twisted aestivation এর কারণে ফুলের সুন্দরতা ও আকর্ষণ বাড়ে।