মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

গর্ভাবস্থায় যে এন্টিবডি মায়ের অর্জিত প্রতিরক্ষাকে ভ্রুণদেহে বাহিত করে-

A. IgG
B. IgA
C. IgM
D. IgD
Poster Download
JUUnit-DSet-7জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানবদেহের প্রতিরক্ষাপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অ্যান্টিবডির ভূমিকা (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. IgG
Explanation: মায়ের অর্জিত প্রতিরক্ষা গর্ভাবস্থায় IgG এন্টিবডি ভ্রুণদেহে বহন করে। Option A সঠিক কারণ IgG গর্ভনালীর মাধ্যমে সহজেই ভ্রূণের রক্তে প্রবেশ করে। Option B (IgA), Option C (IgM), এবং Option D (IgD) এন্টিবডি হলেও তারা প্লাসেন্টা অতিক্রম করতে পারে না। নোট: IgG নবজাতকের প্রতিরক্ষার প্রাথমিক স্তর হিসেবে কাজ করে।
Another Explanation (5):

গর্ভাবস্থায় IgG এন্টিবডি এবং ভ্রূণের প্রতিরক্ষা 🤰

গর্ভাবস্থায় মায়ের শরীর থেকে ভ্রূণের শরীরে বিভিন্ন উপাদান যায়। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো IgG নামক এন্টিবডি। এই এন্টিবডি মায়ের অর্জিত প্রতিরক্ষাকে ভ্রূণের দেহে পৌঁছে দেয় এবং নবজাতককে বিভিন্ন রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়। নিচে IgG এন্টিবডি এবং এর কার্যাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

IgG এন্টিবডি কি? 🤔

IgG (Immunoglobulin G) হলো সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যাওয়া ইমিউনোগ্লোবুলিন যা মানবদেহের রক্ত এবং অন্যান্য শারীরিক তরলে থাকে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ এন্টিবডি যা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং অন্যান্য রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।

IgG কিভাবে কাজ করে? ⚙️

  1. জীবাণু চিহ্নিত করা: IgG এন্টিবডি জীবাণুর শরীরে লেগে থেকে তাদের চিহ্নিত করে এবং ধ্বংসের জন্য প্রস্তুত করে। 🎯
  2. কমপ্লিমেন্ট সিস্টেমের সক্রিয়তা: এটি কমপ্লিমেন্ট সিস্টেমকে সক্রিয় করে জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে।
  3. ফ্যাগোসাইটোসিস বৃদ্ধি: IgG ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জীবাণুগুলোকে ধ্বংস করতে ম্যাক্রোফেজ এবং নিউট্রোফিলকে সাহায্য করে।
  4. ভাইরাস নিষ্ক্রিয়করণ: এটি ভাইরাসকে কোষের মধ্যে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। 🚫🦠

গর্ভাবস্থায় IgG এর ভূমিকা 🤰👶

গর্ভাবস্থায় মায়ের শরীর থেকে IgG প্??াসেন্টার মাধ্যমে ভ্রূণের শরীরে প্রবেশ করে। এটি ভ্রূণের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি না হওয়া পর্যন্ত সুরক্ষা প্রদান করে।

  • প্লাসেন্টাল ট্রান্সফার: IgG হলো একমাত্র এন্টিবডি যা প্লাসেন্টা অতিক্রম করতে পারে। ➡️
  • ভ্রূণের প্রতিরক্ষা: মায়ের শরীরে তৈরি হওয়া IgG ভ্রূণকে জন্মের পরে কয়েক মাস পর্যন্ত বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে।🛡️
  • নবজাতকের সুরক্ষা: জন্মের পর নবজাতকের শরীরে IgG এর উপস্থিতি তাকে হাম, রুবেলা, পোলিও ইত্যাদি রোগের বিরুদ্ধে প্রতির???ধ ক্ষমতা দেয়। 💪

IgG এর প্রকারভেদ 📊

IgG প্রকার বৈশিষ্ট্য গুরুত্ব
IgG1 সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়, অধিকাংশ রোগ প্রতিরোধের জন্য দায়ী। ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
IgG2 পলিস্যাকারাইড অ্যান্টিজেনের বিরুদ্ধে ভালো কাজ করে। ব্যাকটেরিয়াল ক্যাপসুলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধে সাহায্য করে।
IgG3 কমপ্লিমেন্ট সক্রিয় করতে সবচেয়ে কার্যকরী। প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
IgG4 অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ায় জড়িত। কিছু অটোইমিউন রোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ⚠️

  • মায়ের শরীরে IgG এর মাত্রা কম থাকলে ভ্রূণ পর্যাপ্ত সুরক্ষা নাও পেতে পারে।
  • গর্ভাবস্থায় মায়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখা জরুরি, যাতে IgG এর উৎপাদন স্বাভাবিক থাকে।

আশা করি, এই আলোচনা থেকে গর্ভাবস্থায় IgG এন্টিবডি এবং ভ্রূণের সুরক্ষায় এর ভূমিকা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। 🙏

Option A Explanation:
  • প্রচুর পরিমাণে উপস্থিতি: IgG হলো মানবদেহে সবচেয়ে সাধারণ ইম্যুনোগ্লোবুলিন, যা রক্তপ্রবাহে সর্বাধিক পাওয়া যায়।
  • অর্থবহ রোধক কার্যক্রম: এটি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, এবং টক্সিনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকরী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
  • অ্যান্টিবডি প্রকারভেদ: IgG বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিবডির মধ্যে এক, যা একাধিক ধরণের রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
  • প্রতিরোধের স্থায়িত্ব: এটি দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম, যেমন ভ্যাকসিনের মাধ্যমে প্রাপ্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • প্রেরিত স্থান: এটি সাধারণত রক্তে বিদ্যমান থাকলেও, এটি ফ্যাট টিস্যু এবং অন্যান্য দেহের স্থানেও পাওয়া যায়।
Option B Explanation:
  • অবস্থান: IgA মূলত স্নায়ু সংবহন এবং শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিতে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান।
  • মূল কাজ: এটি শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি এবং স্নায়ু ঝিল্লিতে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে, যেমন মূত্রনালী, শ্বাসনালী ও পেটের ঝিল্লিতে।
  • আকার: ছোট আকারের অ্যান্টিবডি, যা সহজে ঝিল্লির মাধ্যমে প্রবেশ করতে সক্ষম।
  • সংগ্রহের স্থান: সাধারণত মিউকাস ও স্নায়ু ঝিল্লিতে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান, তবে শরীরের অন্যান্য অংশেও কম পরিমাণে পাওয়া যায়।
Option C Explanation:
  • প্রথম প্রতিরোধক: IgM হলো শরীরের প্রথম প্রতিরোধক যা ইনফেকশন সংক্রান্ত অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোতে দ্রুত তৈরি হয়।
  • সংগঠন: এটি সাধারণত রক্তের মধ্যে বৃহৎ আকারের একটি অ্যান্টিবডি, এবং এটি মূলত রক্তে এবং লিম্ফ নোডে বিদ্যমান।
  • প্রমাণিক পরিমাণ: শরীরের ইম্যুনোগ্লোবুলিনের মধ্যে IgM এর উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি, যা দ্রুত সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম।
  • উৎপাদনকারী কোষ: মূলত বি-সেল দ্বারা উৎপন্ন হয় যেখানে এটি প্রথমে সক্রিয় হয়।
Option D Explanation:
  • অস্তিত্বের স্থান: IgD প্রধানত বডির শ্লৈষ্মিক টিস্যু ও লিম্ফোসাইটের উপরিপৃষ্ঠে বিদ্যমান।
  • মূল কাজ: এটি মূলত বডির নতুন লিম্ফোসাইটের উদ্দীপনা ও শনাক্তকরণে সহায়ক।
  • প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে পরিমাণ: সাধারণত IgD এর পরিমাণ খুবই কম, যা সাধারণ IgG বা IgA এর তুলনায় ন্যূনতম।
  • অন্য ইমিউনোগ্লোবুলিনের তুলনায়: IgD এর উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে খুবই স্বল্প, এর ফলে এটি সাধারণত খুব কম পরিমাণে বিদ্যমান।