ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের শৈশবজীবন কোন রচনায় বিধৃত হয়েছে?
RUUnit-ESet-1বাংলা সাহিত্যবাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগবাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
আত্মচরিত
Explanation:

Another Explanation (5):
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের শৈশবজীবন: আত্মচরিতের আলোকে 📖
পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উনিশ শতকের বাংলার নবজাগরণের অন্যতম পুরোধা ছিলেন। তাঁর সমাজ সংস্কার, শিক্ষা বিস্তারে অবদান অনস্বীকার্য। বিদ্যাসাগরের শৈশবজীবন সম্পর্কে জানতে হলে তাঁর নিজের লেখা "আত্মচরিত" একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল।
শৈশব জীবনের প্রেক্ষাপট 🏡
- জন্ম: ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৮২০, বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর জেলা।
- পিতা: ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, মাতা: ভগবতী দেবী।
- দারিদ্র্য: অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারে জন্ম।
- গ্রামের পরিবেশে বেড়ে ওঠা 🌳: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ।
"আত্মচরিত"-এ শৈশবের চিত্র 🖼️
"আত্মচরিত"-এ বিদ্যাসাগর তাঁর শৈশবের বেশ কিছু ঘটনার উল্লেখ করেছেন, যা তাঁর জীবনদর্শন গঠনে সহায়ক ছিল:
- সংস্কৃত কলেজে ভর্তি: পিতার হাত ধরে কলকাতা যাত্রা এবং সংস্কৃত কলেজে ভর্তি হওয়া। 🚂
- অধ্যয়ন: কঠোর পরিশ্রম ও একাগ্রতার সাথে পড়াশোনা। 📚
- দরিদ্রতা ও সংগ্রাম: চরম দারিদ্র্যের মধ্যে জীবনযাপন এবং জ্ঞানার্জনের জন্য নিরন্তর সংগ্রাম। 😥
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং শিক্ষা 👨🏫
| ঘটনা | শিক্ষা/প্রভাব |
|---|---|
| রাস্তার মাইলফলক গণনা 🔢 | গণিতের প্রতি আগ্রহ এবং পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি। |
| সংস্কৃত কলেজে প্রথম হওয়া🥇 | আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি ও পড়াশোনায় আরও বেশি মনোযোগ দেওয়া। |
| পিতার অনুপ্রেরণা 💪 | নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা সৃষ্টি। |
শৈশবের প্রভাব 🌟
বিদ্যাসাগরের শৈশবের দারিদ্র্য, সংগ্রাম এবং অর্জিত শিক্ষা তাঁর পরবর্তী জীবনে মানবতাবোধ, দয়া ও পরোপকারের মানসিকতা তৈরি করে। তিনি নারী শিক্ষা ও বিধবা বিবাহ প্রচলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। 💖
উপসংহার: "আত্মচরিত" ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের শৈশব জীবনের একটি মূল্যবান চিত্র। এটি শুধুমাত্র তাঁর জীবনের গল্প নয়, বরং তৎকালীন সমাজের প্রতিচ্ছবিও বটে। ✨