তারাপুর গ্রামের মেয়ে রাবেয়া। শ্বশুরবাড়ির নির্যাতন সইতে
না পেরে ফুফু সলিমা বেগমের কাছে পালিয়ে আসে । গ্রামের
মাতব্বর নারীলোভী জয়নালের কুদৃষ্টি পড়ে রাবেয়ার ওপর।
কিন্তু সলিমা বেগম জননী সাহসিকা। তিনি দৃঢ়প্রত্যয়ী মা-
পাখির মতো আগলে রাখেন অনাথ ভাইঝি রাবেয়াকে।
সলিমা বেগম 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন চরিত্রের
প্রতিনিধিত্ব করছেন?
A.
মাসি-পিসি
B.
মাসি
C.
পিসি
D.
আহ্লাদি
সঠিক উত্তরঃ
A.
মাসি-পিসি
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘ক্ষুদ্র’ অর্থে উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে কোন শব্দে?
- 'যাবজ্জীবন' কোন সমাস?
- নিচের কোন লেখক মার্কসবাদী লেখক হিসেবে পরিচিত?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম-
- গার্ড: রেলের প্ল্যাটফর্মে ঘুমিয়ে পরিবেশ নোংরা করছকেন? সরে যাও, না হয় জেলে পাঠাব।সবুরা: 'জেলেরে ভয়ে পাই না, ছেলেমেয়ে সবসহ নিয়েযাও। ওখানে দুমুঠ খেতে দিবা। আগে বাঁচি, তারপর দেখব সুন্দর।উদ্দীপকের সবুরার মধ্যে রয়েছে মাসি-পিসি' গল্পেরমাসি-পিসির —দুঃসাহসিকতাতেজবাকপটুতানিচের কোনটি সঠিক?
- ছুটি রাণী বিধবা ও নিঃসন্তান। এ বিধবার নিকট-সম্পর্কের কেউ নেই। একদিন বাড়ির আঙিনার মন্দিরের পাশে বিশ-ঊর্ধ্ব একটি মেয়েকে কাঁদতে দেখেন। সমস্ত ঘটনা শুনে মেয়েটিকে ঘরে নিয়ে আসেন। স্বামীর নির্দয়তায় ক্ষত-বিক্ষত মেয়েটিকে মায়ের স্নেহে আশ্রয় দেন। মেয়েটির শ্বশুরবাড়ির লোক সংবাদ পেয়ে মেয়েটিকে নিয়ে যেতে চান। মেয়েটি কোনোভাবেই ফিরে যেতে রাজি নয়। ছুটি রাণীও মেয়েটিকে যেতে দেননি। এজন্য ছুটি রাণীকে সামাজিক নেতিবাচকতার মুখোমুখি হতে হয়। ছুটি রাণী মেয়েটিকে তার স্থাবর-অস্থাবর সমস্ত ধন-সম্পত্তি উইল করে দেন।"উদ্দীপকের ছুটি রাণী, এবং 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি একে অপরের পরিপূরক।"- বিশ্লেষণ করো।
- সাম্যের গান গাই-আমার চক্ষে পুরুষ রমণী কোন ভেদাভেদ নাই।বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চিরকল্যাণকর,অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।উদ্দীপকের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের সাদৃশ্য দেখাও।
- "নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে।"- ব্যাখ্যা কর।
- 'অনু' উপসর্গ বা আদ্য প্রত্যয় কোন শব্দে 'পরে' অর্থ প্রকাশ করে?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যয়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?
- 'সে যেন অনুভব করে, সে-ই এখানকার কর্তা, সে-ই সর্বেসর্বা।'- উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে বক্তার-
- 'মাসি-পিসি' গল্পে 'বজ্জাত হোক, খুনে হোক জামাইতো।'— বাক্যটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- ‘সুগন্ধি’ কোন সমাস ?
- 'নিজের সবটুকু সম্বল বিক্রি করে ধুলু মিয়া মেয়ের বিয়ে দিলেন। কিন্তু শ্বশুরবাড়িটা তার জন্য সুখের হলো না। এমন অত্যাচারের শিকার হয়েছে যে শ্বশুরবাড়ির নাম শুনলেই আঁতকে ওঠে।'উক্ত মূল উপজীব্যে 'মাসি-পিসি' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তি কোনটি?
- শফিক মিয়ার মেয়ে আমেনাকে বিয়ে দেয় অপেক্ষাকৃত দরিদ্র জমিরের সাথে। জমির সৎ, হৃদয়বানব, এবং স্ত্রীকে সে প্রাণাধিক ভালোবাসে কিন্তু আমেনা দরিদ্র জমিরের ঘর করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বাবার বাড়ি চলে আসে।"উদ্দীপকের আমেনা ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির স্বামীর ঘর ছাড়ার কারণ এক নয়।" মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- 'মাসি পিসি' গল্পটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- মাসি-পিসির পেশা কী ছিল?
- সাঁওতাল পরগনায় জন্মগ্রহণ করেন—
- অপপ্রয়োগের দৃষ্টান্ত
- দশম শ্রেণির ছাত্রী আসমা এক দরিদ্র পিতার সন্তান। গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি গওহর মণ্ডল জোরপূর্বক আসমাকে পুত্রবধু বানাতে চায়। হুমকি দেয় তুলে নিয়ে যাওয়ার। এই, পরিস্থিতিতে আসমার বান্ধবীরা পাশে এসে দাঁড়ায়। মন্ডলের বখাটে ছেলের হাতে পড়ে মেধাবী ছাত্রী আসমার লেখাপড়া ধ্বংস হোক তারা চায় না। বান্ধবীরা বিষয়টি স্থায়ীয় সাংবাদিক ও কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে জানায়। তারা দলবেধে স্কুলে যায় এবং পালা করে আসমার বাড়ি পাহারা দেয়। এতে দমে যায় গওহর মণ্ডল। জয় হয় সম্মিলিত প্রতিরোধের।উদ্দীপকের গওহর মণ্ডল 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দেখাও।