২০১৫-১৬ সালে চালের কেজি ছিলো ৩৫ টাকা। ২০১৯ সালে চালের দাম বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৪০ টাকা, মুদ্রাস্ফিতির হার কত?
CoUUnit-Bঅর্থনীতি দ্বিতীয় পত্রমুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্বমুদ্রাস্ফীতির ধারণা, কারণ ও প্রতিকার (Topic Practice)CoU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
14.29%
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
চালের দাম বৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতি নির্ণয় 📈
২০১৫-১৬ সালে চালের কেজি প্রতি দাম ছিল ৩৫ টাকা। ২০১৯ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৪০ টাকা হয়েছে। নিচে এই সময়ের মধ্যে মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করা হলো:
মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয়ের সূত্র ➗
মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয়ের জন্য আমরা নিচের সূত্রটি ব্যবহার করতে পারি:
মুদ্রাস্ফীতির হার (%) = ((নতুন দাম - পুরাতন দাম) / পুরাতন দাম) * ১০০
উপস্থাপন 📊
| বছর 📅 | চালের দাম (টাকা/কেজি) 💰 |
|---|---|
| ২০১৫-১৬ | ৩৫ |
| ২০১৯ | ৪০ |
গণনা 🧮
- ধাপ ১: দামের পার্থক্য নির্ণয়: ৪০ - ৩৫ = ৫ টাকা
- ধাপ ২: দামের পার্থক্যকে পুরাতন দাম দিয়ে ভাগ করা: ৫ / ৩৫ = ০.১৪২৯
- ধাপ ৩: ফলাফলকে ১০০ দিয়ে গুণ করা: ০.১৪২৯ * ১০০ = ১৪.২৯%
ফলাফল 🎉
সুতরাং, ২০১৫-১৬ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত চালের দামের মুদ্রাস্ফীতির হার হলো: ১৪.২৯%
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ ⚠️
- এটি একটি সরল হিসাব। অন্যান্য বিষয়, যেমন - সরবরাহ, চাহিদা, এবং সরকারি নীতি এই মুদ্রাস্ফীতিকে প্রভাবিত করতে পারে।
- এই হিসাবটি শুধুমাত্র চালের দামের উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতির চিত্র ভিন্ন হতে পারে।
যোগাযোগ 📧
আরও তথ্যের জন্য অথবা কোনো প্রশ্ন থাকলে, আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। 🙏
```