জাইগােটের বিভাজনকে কি বলে?
RUUnit-Gজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসপ্রাণীবৈচিত্র্য ও প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
ক্লিভেজ
Explanation:

Another Explanation (5):
জাইগোটের বিভাজন: ক্লিভেজ 🔬
ক্লিভেজ হলো জাইগোট (নিষিক্ত ডিম্বাণু) সৃষ্টির পর কোষ বিভাজনের একটি বিশেষ প্রক্রিয়া। এটি সাধারণ মাইটোসিস কোষ বিভাজন থেকে ভিন্ন। ক্লিভেজের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:
ক্লিভেজের বৈশিষ্ট্যসমূহ 🧬
- দ্রুত বিভাজন: ক্লিভেজে জাইগোট খুব দ্রুত বিভাজিত হতে থাকে।
- কোষের আকার হ্রাস: প্রতিটি বিভাজনের সাথে সাথে কোষের আকার ছোট হতে থাকে, সামগ্রিক আকার একই থাকে।
- DNA সিনথেসিস: ক্লিভেজের সময় DNA সিনথেসিস দ্রুত হয়।
- ব্লাস্টোমিয়ার সৃষ্টি: ক্লিভেজের ফলে সৃষ্ট কোষগুলোকে ব্লাস্টোমিয়ার বলে।
- ভ্রূণের বৃদ্ধি: ক্লিভেজ ভ্রূণের প্রাথমিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
ক্লিভেজের প্রকারভেদ 📊
ক্লিভেজ বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যা ডিমের কুসুমের পরিমাণের উপর নির্ভর করে। নিচে কয়েকটি প্রধান প্রকারভেদ আলোচনা করা হলো:
- সম্পূর্ণ ক্লিভেজ (Holoblastic Cleavage):
- ডিমের কুসুমের পরিমাণ কম থাকলে এই ধরনের ক্লিভেজ দেখা যায়।
- পুরো ডিম্বাণু সমানভাবে বিভাজিত হয়।
- উদাহরণ: স্তন্যপায়ী প্রাণী, উভচর।
- অসম্পূর্ণ ক্লিভেজ (Meroblastic Cleavage):
- ডিমের কুসুমের পরিমাণ বেশি থাকলে এই ধরনের ক্লিভেজ দেখা যায়।
- ডিমের একটি অংশ (যেখানে কুসুম নেই) বিভাজিত হয়।
- উদাহরণ: পাখি, সরীসৃপ।
ক্লিভেজের পর্যায়ক্রম ⏳
ক্লিভেজ একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। নিচে এর পর্যায়গুলো উল্লেখ করা হলো:
| পর্যায় | বৈশিষ্ট্য | চিত্র 🖼️ |
|---|---|---|
| ২-কোষ পর্যায় | প্রথম বিভাজনের পর দুটি ব্লাস্টোমিয়ার সৃষ্টি হয়। | |
| ৪-কোষ পর্যায় | দ্বিতীয় বিভাজনের পর চারটি ব্লাস্টোমিয়ার সৃষ্টি হয়। | |
| মোরুলা | কোষ বিভাজনের ফলে ১৬-৩২ টি কোষের একটি স্তূপ গঠিত হয়। দেখতে অনেকটা মালবেরি ফলের মতো। | |
| ব্লাস্টুলা | মোরুলার কোষগুলো বিভাজিত হয়ে ব্লাস্টোসিল নামক একটি গহ্বর তৈরি করে। |
গুরুত্বপূর্ণ শব্দ 🔑
- জাইগোট: নিষিক্ত ডিম্বাণু।
- ব্লাস্টোমিয়ার: ক্লিভেজের ফলে সৃষ্ট কোষ।
- ব্লাস্টুলা: ক্লিভেজের শেষ পর্যায়ে গঠিত ভ্রূণীয় গঠন।
- গ্যাস্ট্রুলেশন: ব্লাস্টুলার পরবর্তী পর্যায়, যেখানে তিনটি জার্ম লেয়ার (ভ্রূণীয় স্তর) গঠিত হয়।
আশা করি, এই আলোচনা থেকে ক্লিভেজ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা তৈরি হয়েছে। 🤔 আরও কিছু জানতে চান? 😊
Option A Explanation:
- গ্যাস্ট্রলেশন: এটি একটি প্রক্রিয়া যেখানে জাইগােটের বিভাজনের পর, এটি একটি ???ভীর স্তরযুক্ত গঠন তৈরি করে।
- এটি মূলতঃ অঙ্কুরের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অঙ্গ প্রত্যঙ্গের ভিত্তি গঠন করে।
- প্রক্রিয়াটিতে জাইগােটের বিভিন্ন অংশ বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন দেহের অংশে রূপান্তরিত হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, গ্যাস্ট্রুলা গঠনের মাধ্যমে ডিএনএ এর নির্দিষ্ট অংশের বিভাজন ঘটে।
Option B Explanation:
- ব্লাস্টুলেশন হল জাইগােটের বিভাজনের একটি ধাপ, যেখানে মূলত জাইগােটের ভেতরে একটি খালি গর্ত বা স্ফীত অংশ (ব্লাস্টোসিস্ট) গঠন হয়।
- এটি সাধারণত ক্লিভেজের পরে ঘটে এবং এটি অশ্রু বা বলের মতো দেখায়।
- ব্লাস্টুলেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি ডিম্বাণুর ভেতরে বিভিন্ন ধরণের টিস্যু ও অঙ্গের ভিত্তি গঠিত হয়।
- এটি মূলত শারীরবৃত্তীয় বিকাশের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ, যেমন জৈবিক অঙ্গের গঠন প্রক্রিয়ার অংশ।
Option C Explanation:
- ক্লিভেজ (Cleavage): এটি একটি দ্রুত এবং ধারাবাহিক বিভাজন প্রক্রিয়া, যেখানে একক কোষ বিভাজিত হয়ে দ্রুত ছোট ছোট কোষে রূপান্তরিত হয়।
- প্রধানতঃ এটি জাইগোটের প্রথম পর্যায়ের বিভাজন, যেখানে কোষের আকার পরিবর্তন না করে কেবল সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
- ক্লিভেজের মাধ্যমে একটি একক ডিম্বাণু থেকে অনেক গুণ ছোট ছোট কোষ তৈরি হয়, যা অঙ্কুরের জন্য প্রস্তুত হয়।
- এটি মূলতঃ গর্ভাশয়ের বাইরে, সাধারণত স্পার্মের সাথে মিলনের পরে, ডিম্বাণু নিষিক্ত হওয়ার পরে শুরু হয়।
- এই প্রক্রিয়া জীবের বিকাশের প্রথম ধাপ হিসেবে পরিচিত।
Option D Explanation:
- মরুলেশন: এটি একটি বিকাশের ধাপ যেখানে গর্ভের ভিতরে একাধিক ছোট ছোট অংশ বা ভ্রূণ গঠিত হয়।
- এই প্রক্রিয়ায় একক ভ্রূণটি বেশ কয়েকটি ছোট ভ্রূণে বিভক্ত হয়, যা পরবর্তীতে পৃথক পৃথক অঙ্গ ও টিস্যু হিসেবে গঠিত হয়।
- মরুলেশন সাধারণত ব্লাস্টুলার স্তরে ঘটে, যেখানে বিভাজনের মাধ্যমে একক জাইগােটের বিভাজন ঘটে এবং একাধিক মরুলা গঠিত হয়।