মাছের উকুকে কোন ধরনের ট্যাক্সিস দেখা যায়?
JUUnit-DSet-2জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর আচরণট্যাক্সিস (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
Tropotaxis
Explanation: মাছের উকু Tropotaxis দেখায়, যেখানে আলোর উৎসের দিক নির্ধারণে তাদের অনুভূতির প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। সুতরাং সঠিক উত্তর Option A। অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: Option B (Telotaxis)- এটি একক উৎসের দিকে গমন নির্দেশ করে। Option C (Menotaxis)- এটি নির্দিষ্ট কোণ ধরে চলার প্রতিক্রিয়া। Option D (Klinotaxis)- এটি দেহের বাঁকানো দ্বারা গমন নির্ধারণ। নোট: Tropotaxis প্রাণীর পরিবেশের প্রতি সরাসরি দিক নির্ধারণে সহায়ক।
Another Explanation (5):
মাছের উকুন এবং ট্রপোট্যাক্সিস 🐠
মাছের উকুন (Argulus) পরজীবীর মধ্যে এক ধরনের ট্যাক্সিস দেখা যায়, যার নাম ট্রপোট্যাক্সিস (Tropotaxis)। নিচে এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
ট্রপোট্যাক্সিস কী? 🤔
- ট্রপোট্যাক্সিস হলো প্রাণীর চলন প্রক্রিয়া।
- এই প্রক্রিয়ায় প্রাণী একাধিক সংবেদী অঙ্গ ব্যবহার করে উদ্দীপকের উৎস সনাক্ত করে।
- উদ্দীপকের তীব্রতা তুলনা করে দিক নির্ণয় করে এবং সে অনুযায়ী চলাচল করে।
- এটি মূলত একটি জটিল প্রতিবর্ত ক্রিয়া।
- 💡সহজ ভাষায়, এটি হলো "ডান নাকি বাম - কোন দিকে যাব" এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা।
মাছের উকুন কীভাবে ট্রপোট্যাক্সিস ব্যবহার করে? 🧭
মাছের উকুন নিম্নলিখিত উপায়ে ট্রপোট্যাক্সিস ব্যবহার করে:
- সংবেদী অঙ্গের ব্যবহার: মাছের উকুন তাদের দেহে অবস্থিত বিভিন্ন সংবেদী অঙ্গ (যেমন: আলো, রাসায়নিক সংবেদী অঙ্গ) ব্যবহার করে।
- উদ্দীপকের উৎস সনাক্তকরণ: এরা মাছের শরীর থেকে আসা রাসায়নিক সংকেত অথবা আলোর তীব্রতা অনুভব করে মাছের অবস্থান বুঝতে পারে।
- তুলনামূলক বিশ্লেষণ: উকুন তাদের দুই পাশের সংবেদী অঙ্গ থেকে আসা সংকেতের তীব্রতা তুলনা করে।
- দিক নির্ণয় ও চলন: যে দিকে সংকেতের তীব্রতা বেশি, সেদিকে এরা অগ্রসর হয়।
ট্রপোট্যাক্সিসের সুবিধা 😃
- পরজীবীর জন্য উপযুক্ত পোষক খুঁজে বের করা সহজ হয়।
- দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানো যায়।
- পরিবেশের প্রতিকূলতা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
ট্রপোট্যাক্সিসের উদাহরণ ছকের মাধ্যমে: 📊
| বৈশিষ্ট্য | বর্ণনা |
|---|---|
| উদ্দীপক | আলো, রাসায়নিক সংকেত (মাছের শরীর থেকে নির্গত) |
| সংবেদী অঙ্গ | আলো ও রাসায়নিক সংবেদী অঙ্গ |
| প্রতিক্রিয়া | উদ্দীপকের উৎসের ??িকে চলন |
| ফলাফল | মাছের শরীরে উকুন দ্বারা সংক্রমণ |
আরও কিছু তথ্য 📚
- ট্রপোট্যাক্সিস অন্যান্য অনেক প্রাণীতেও দেখা যায়, যেমন: কীট, মথ ইত্যাদি।
- এই প্রক্রিয়া প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- 🐛কীটপতঙ্গ আলোর দিকে আকৃষ্ট হয় (আলোর ট্রপোট্যাক্সিস)।
আশা করি, মাছের উকুন এবং ট্রপোট্যাক্সিস সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 🐠✨
Option A Explanation:
Tropotaxis ব্যাখ্যা
Tropotaxis এর ব্যাখ্যা
- অর্থ: Tropotaxis হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে জীব বা অঙ্গপ্রতিস্থাপন একটি নির্দিষ্ট সূচক বা সংকেতের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখায়, সাধারণত দৃষ্টি বা স্পর্শের মাধ্যমে।
- উদাহরণ: পোকামাকড় বা অন্যান্য জীবের মধ্যে যেখানে তারা আলোর উৎসের দিকে বা অন্য কোন সংকেতের দিকে অগ্রসর হয়।
- কাজের প্রক্রিয়া: এই প্রক্রিয়ায়, জীব বা অঙ্গপ্রতিস্থাপন বিভিন্ন দিক থেকে সংকেত পায় এবং সেই অনুযায়ী তাদের চলাচল বা অবস্থান পরিবর্তন করে।
- প্রকার: এটি সাধারণত দৃষ্টিশক্তি বা স্পর্শের মাধ্যমে সংকেত গ্রহণের ভিত্তিতে ঘটে।
Option B Explanation:
Telotaxis ব্যাখ্যা
Telotaxis ব্যাখ্যা
- সংজ্ঞা: Telotaxis হলো একটি প্রকারের জৈবিক দিকনির্দেশনা পদ্ধতি যেখানে প্রাণী বা অণুজীব নির্দিষ্ট দিক বা দিকনির্দেশে চলাচল করে, সাধারণত উৎস বা দুর্বলতা অনুযায়ী।
- প্রকার: এটি সাধারণত অন্ধকার, গন্ধ, বা আলো সংবেদনশীলতা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- উদাহরণ: কিছু মাছ, পোকা, বা জলজ প্রাণী তাদের পরিবেশে উৎস বা দুর্বলতা অনুযায়ী চলাচল করে থাকে।
- প্রভাব: এই ধরনের দিকনির্দেশনা তাদের খাদ্য অনুসন্ধান, পতনের প্রতিরোধ এবং প্রজননের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation:
Menotaxis
- সংজ্ঞা: Menotaxis হলো একটি বায়োলোজিক্যাল চলাচলের ধরন যেখানে প্রাণীটি একটি নির্দিষ্ট দিক বা সূচকের দিকে ধীরে ধীরে চলতে থাকে।
- প্রভাব: এই প্রক্রিয়ায়, প্রাণীটি তার দৃষ্টিকোণ বা উৎস থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে চলতে থাকে।
- উদাহরণ: মাছ বা অন্যান্য জলজ প্রাণী যারা তাদের অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক সূচকের উপর ভিত্তি করে তাদের দিক নির্ধারণ করে চলতে পারে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি সাধারণত দিক নির্দেশিত চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
Option D Explanation:
- Klinotaxis: এটি একটি চলাচলের পদ্ধতি যেখানে প্রাণীটি তার দিক নির্ণয়ের জন্য সামনের দিকের সংকেত বা ইনপুট পর্যবেক্ষণ করে। এই প্রক্রিয়ায়, প্রাণীটি বিভিন্ন দিক থেকে সংকেত গ্রহণ করে এবং তার দিক পরিবর্তন করে যেন লক্ষ্যস্থলে পৌঁছাতে পারে। এটি সাধারণত মাছ, ব্যাঙ, এবং কিছু পোকামাকড়ের মধ্যে দেখা যায়, যেখানে তারা তাদের দিক নির্ণয় করে চলাচল করে।