মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কিয়োটো চুক্তির গুরুত্বের বিষয় কী ছিল?

A. জনসংখ্যাহাস
B. দারিদ্র হাস
C. বিশ্ব শান্তি
D. বিশ্ব- উষ্ণতা হ্রাস
Poster Download
RUUnit-ESet-1সাধারন জ্ঞান - আন্তর্জাতিকগুরত্বপূর্ণ চুক্তি, কনভেনশন ও আন্দোলনকিয়োটো প্রটোকল (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. বিশ্ব- উষ্ণতা হ্রাস
Explanation:

Another Explanation (5):

কিয়োটো চুক্তির গুরুত্ব

কিয়োটো চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ১৯৯৭ সালে গৃহীত হয় এবং ২০০৫ সালে কার্যকর হয়। এর প্রধান লক্ষ্য ছিল গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে global warming (🌍🔥) হ্রাস করা। চুক্তিটির কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক নিচে তুলে ধরা হলো:

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ

  • বৈশ্বিক উষ্ণতা হ্রাস: কিয়োটো চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ কমানো, যা global warming-এর প্রধান কারণ।
  • লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ: উন্নত দেশগুলোর জন্য নির্দিষ্ট emission reduction targets (🎯) নির্ধারণ করা হয়েছিল। প্রতিটি দেশকে তাদের পূর্ব-নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হতো।
  • বিভিন্ন প্রক্রিয়া: চুক্তিটিতে clean development mechanism (CDM), joint implementation (JI), এবং emissions trading (ET)-এর মতো বিভিন্ন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা দেশগুলোকে তাদের লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করত।
  • আইনগত বাধ্যবাধকতা: কিয়োটো প্রোটোকল স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর জন্য একটি binding agreement ছিল, যা দেশগুলোকে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমাতে আইনিভাবে বাধ্য করেছিল।
  • ঐতিহাসিক পদক্ষেপ: এটি ছিল প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তি, যেখানে global warming-এর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য একটি কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল।

কিয়োটো চুক্তির সুবিধা ও অসুবিধা

দিক সুবিধা 👍 অসুবিধা 👎
পরিবেশগত প্রভাব গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস, জলবায়ু পরিবর্তনের mitigation-এ সাহায্য করে। 🌿 কিছু দেশের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতা, global warming-এর সামগ্রিক সমাধানে সীমিত প্রভাব।
অর্থনৈতিক প্রভাব Clean energy technology-র উন্নতি, নতুন চাকরির সুযোগ সৃষ্টি। 💰 কিছু দেশের জন্য অর্থনৈতিক বোঝা বৃদ্ধি, উন্নয়নশীল দেশগুলোর উপর প্রভাব।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভিন্ন দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সম্মিলিত প্রচেষ্টা।🤝 কিছু দেশের অংশগ্রহণ না করা (যেমন: যুক্তরাষ্ট্র), আন্তর্জাতিক ঐক্যের অভাব। 💔

কিয়োটো পরবর্তী পরিস্থিতি

কিয়োটো চুক্তির মেয়াদ ২০১২ সালে শেষ হওয়ার পর প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) ২০১৫ সালে আসে, যা global warming মোকাবিলায় নতুন framework (⚙️) প্রদান করে। প্যারিস চুক্তি কিয়োটো প্রোটোকলের দুর্বলতাগুলো দূর করতে চেষ্টা কর??? এবং আরও বিস্তৃত পরিসরে global climate action-কে উৎসাহিত করে।

পরিশেষে, কিয়োটো চুক্তি global warming মোকাবিলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল। এটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার গুরুত্ব তুলে ধরেছে। 🌱🌍