উদ্দীপকে উল্লিখিত চিহ্নের রোগের ক্ষেত্রে কোনটি প্রযোজ্য?
সঠিক উত্তরঃ
C.
অ্যান্টিজেন-অ্যান্টিবডি ক্রিয়া সংগঠিত হতে বাধা দেয়
Another Explanation (5): প্রশ্নে উল্লেখিত রোগের ক্ষেত্রে "অ্যান্টিজেন-অ্যান্টিবডি ক্রিয়া সংগঠিত হতে বাধা দেয়" এই উত্তরটি প্রযোজ্য। নিচে এর উপযুক্ত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
- অ্যান্টিজেন-অ্যান্টিবডি ইন্টারঅ্যাকশন: রোগের প্রতিরোধে শরীরের ইমিউন সিস্টেম অ্যান্টিবডি তৈরি করে যা অণুজীবের অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হয়।
- অ্যান্টিবডি কার্যকারিতা: এই অ্যান্টিবডিগুলি অণুজীবের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় বা তাদের শরীরের মধ্যে ধ্বংস করে দেয়।
- প্রতিকার বা প্রতিরোধে বাধা: কিছু রোগের ক্ষেত্রে অ্যান্টিজেন-অ্যান্টিবডি ক্রিয়া সম্পন্ন হতে গেলে নির্দিষ্ট এন্টিজেনের উপস্থিতি বা অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা বাধা পায়।
- উদ্দীপক অনুযায়ী: এই রোগের ক্ষেত্রে অ্যান্টিজেন-অ্যান্টিবডি ক্রিয়া সংগঠিত হতে বাধা দেয়, যার ফলে রোগের উপসর্গ বা ক্ষতি কমে বা হয় না।
Option A Explanation:
- নিরাপদ যৌন মিলনের মাধ্যমে ছড়ায়: এই অপশনটি বোঝায় যে, যদি কোনও রোগের সংক্রমণ শুধুমাত্র যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে ছড়ায়, তবে এটি নিরাপদ যৌন মিলনের মাধ্যমে প্রতিরোধ বা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
- প্রতিরোধের উপায়: কনডম ব্যবহার বা অন্যান্য সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এই রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যায়।
- সংক্রমণের পদ্ধতি: এই রোগটি সাধারণত শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে সরাসরি সংক্রমিত হয়।
- প্রতিরোধের গুরুত্ব: সচেতনতা ও সঠিক সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে এর বিস্তার রোধ করা সম্ভব।
Option B Explanation:
- মশা মাছির মাধ্যমে ছড়ায়: কিছু রোগের ক্ষেত্রে মশা বা মাছি সংক্রামক এজেন্টের বাহক হিসেবে কাজ করে। যখন এই পতঙ্গগুলো সংক্রামিত রক্ত বা তরলের সাথে স্পর্শ হয়, তখন তারা ভাইরাস বা পরজীবী সংক্রমিত করে অন্য ব্যক্তি বা প্রাণীতে সেগুলো ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, ডেঙ্গু, মশাবাহিত ম্যালেরিয়া, এবং চিকুনগুনিয়া এই ধরনের রোগের মধ্যে পড়ে।
- এমন রোগগুলো সাধারণত মশা বা মাছির দ্বারা পরিবাহিত হয়, যেখানে তারা সংক্রমিত রক্ত বা তরলের মাধ্যমে অন্যের দেহে ভাইরাস বা পরজীবী প্রবেশ করায়।
Option C Explanation: অ্যান্টিজেন-অ্যান্টিবডি ক্রিয়া সংগঠিত হতে বাধা দেয়:
- অ্যান্টিজেন: এটি হলো সেই পদার্থ বা জীবাণু যা শরীরে প্রবেশ করলে প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়। সাধারণত, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদানগুলো অ্যান্টিজেন হিসেবে কাজ করে।
- অ্যান্টিবডি: এই গ্লোবুলিন প্রোটিনগুলো শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা দ্বারা উৎপন্ন হয়। এগুলো অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে তাদের কার্যক্রম বন্ধ বা ধ্বংস করে।
- ক্রিয়া: অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা হয়। এই সংযোগের ফলে অ্যান্টিজেনের কার্যক্ষমতা কমে যায় বা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
- বাধা দেয়: এই প্রক্রিয়ায় অ্যান্টিজেন-অ্যান্টিবডি সংযোগের মাধ্যমে রোগের সৃষ্টি বা বিস্তার রোধ করা হয়।
Option D Explanation:
- রক্তের মাধ্যমে ছড়ানো নয়: এই রোগের সংক্রমণ রক্তের মাধ্যমে হয় না।
- এটি সাধারণত অন্য পথের মাধ্যমে ছড়ায়, যেমন সংস্পর্শ বা অন্যান্য মাধ্যম।
- অর্থাৎ, রক্তের মাধ্যমে সংক্রমণের সম্ভাবনা নেই বলে এই অপশনটি সঠিক।