'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কোন ছন্দে লেখা?
A. অমিত্রাক্ষর
B. পয়ার
C. মুক্তক ছন্দ
D. মাত্রাবৃত্ত
সঠিক উত্তরঃ
D.
মাত্রাবৃত্ত
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানী জমি, বসতবাড়ি, পুকুরসহ কয়েক একর সম্পত্তির মালিক ।এই সম্পত্তির উপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্যাতি দেবর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একদিন এক শিশুকে দুর্ভিক্ষের কবল থেকে প্রাণে বাঁচিয়ে তুলে এনে লালনপালন করতে থাকে নিজ সন্তানের মতো। শিশুটি বড়ো হতে থাকে কিন্তু সম্পত্তির লোভে সৌদামিনীয় দেখর। দবর অভিযোগ তোলে রাস্তা। থেকে একটা অস্পৃশ্য সন্তানকে তুলে এনে নিজ ঘরে আশ্রয় নিয়েছে সৌদামিনী। সে জাতের দ্বিধান লঙ্ঘন করেছে। উপরন্তু মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে। যে- সে যা করছে তা মহাপাপ, হিন্দু সমাজের জাত ধর্ম শেষ হলে গেল। (কাহিনি সূত্র: সৌদামিনী মালো- শওকত ওসমান)সৌদামিনী চরিত্রের কোন বৈশিষ্ট্যটি বিলাসীর চরিত্রের সাথে মিলে যায়? আলোচনা করো।
- বিলাসী' গল্পে 'মালো' শব্দের সুনির্দিষ্ট অর্থ কী?
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
- শরৎচন্দ্রের "শ্রীকান্ত" উপন্যাসটি কয় পর্বে বিভক্ত?
- অনিলা দেবীর সাথে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পর্ক কি?
- কোন সাহিত্যিক মনের ঝোঁকে সন্ন্যাসী হয়ে গৃহত্যাগ করেছিলেন?
- নূরুলদীন কোন অঞ্চলের কৃষকনেতা ছিলেন?
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানি জমি, বসত-বাড়ি, পুকুরসহ কয়েক একর সম্পত্তির মালিক হয়। এই সম্পত্তির ওপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্ঞাতি দেওর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একবার সৌদামিনী দুর্ভিক্ষের সময় ধানখেতের পাশে একটি মানব শিশু খুঁজে পায়। অসহায় অসুস্থ শিশুটিকে সে তুলে এনে পরম যত্নে সন্তানের মতো লালন-পালন করে। মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে যে নমঃশূদ্রের ঘরে ব্রাহ্মণ সন্তান পালিত হচ্ছে। এ যে মহাপাপ। সমাজের জাত-ধর্ম সব শেষ হয়ে গেল।সৌদামিনী চরিত্রের সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পে বিলাসীর সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- ন্যাড়া সন্ন্যাসী অবস্থায় কোথায় গিয়ে সিদ্ধি লাভ করে এসেছে?
- 'কাগজ তো বিড়ালেও আনতে পারে' এ উক্তিটি 'বিলাসী' গল্পে কে বলেছিল?
- মহুয়া শহরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করে। তার শহরে কাজ করার বিষয়টি গ্রামের কিছু মানুষ পছন্দ করে না। উপরন্তু তার নামে দুর্নাম রটনা করে। ঈদের ছুটিতে বাড়ি এলে গ্রামের মানুষগুলো মহুয়ার নামে বিচার বসায়। তারা মহুয়াকে জোর করে গ্রাম থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু মহুয়া তাতে প্রতিবাদ করে। অসুস্থ মাকে রেখে সে কিছুতেই কোথাও যাবে না।বিলাসী চরিত্রের কোন দিকটি মহুয়ার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ তা বর্ণনা করো।
- তিন্নি তথাকথিত নিম্নবর্ণের মেয়ে। সে কর্মনিপুণ,বুদ্ধিমতী এবং সেবাব্রতী। সে কারণে বিশু তাকেবিয়ে করেছে। কিন্তু নিম্নবর্ণের হওয়ায় বিশুর পরিবারতিন্নিকে মেনে নেয়নি। উদ্দীপকে 'বিলাসী' গল্পের যে দিকটি ফুটে উঠেছে—
- বিশ্বনাথ একজন সাপুড়ে। তার স্ত্রী কল্পনাও সাপুড়ে। সাপ খেলা দেখিয়ে তাবিজ বিক্রি করে তাদের সংসার চলে। কিন্তু কল্পনা এখন আর সাপুড়ে পেশা পছন্দ করে না। সে বিশ্বনাথকে সাপুড়ে পেশা ছেড়ে অন্য কিছু করতে বলে। কারণ, 'প্রথমত, সাপের কামড়ে স্বামীর মৃত্যুর আশঙ্কা, দ্বিতীয়ত, শিকড়-বাকড় বিক্রির মাধ্যমে টাকা অর্জন করা লোক ঠকানোর নামান্তর। কিন্তু বিশ্বনাথ তা আমলে নেয় না। সে বলে, আমরা লোক ঠকাই না; লোকদের খেলা দেখিয়ে আনন্দের বিনিময়ে উপার্জন করি।উদ্দীপকে কল্পনা 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর দৃষ্টিভঙ্গির সাথে কতটুকু সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- মুখে দেয় জল, সুধায় কুশল, শিরে দেয় মোর হাত,দাঁড়ায়ে নিঝুম, চোখে নাই ঘুম, মুখে নাই তার ভাত।বলে বার বার, 'কর্তা, তোমার কোনো ভয় নাই, শুন-যাবে দেশে ফিরে, মা ঠাকুরাণীরে দেখিতে পাইবে পুন।'লভিয়া আরাম আমি উঠিলাম, তাহারে ধরিল জ্বরে,নিল সে আমার কালব্যাধিভার আপনার দেহ'পরে।"উদ্দীপকের পরিণতি থেকে 'বিলাসী' গল্পের পরিণতি ভয়াবহ।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- করোনাকালীন দুর্যোগে জনাব শিমুল চাকরি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন। চরম আর্থিক সংকট এবং মানসিক চাপে তিনি শারীরিকভাবেও ভেঙে পড়েন। ফলে দুই সন্তানের লেখাপড়াসহ সংসারের খরচ চালানো তাঁর জন্য কঠিন-হয়ে যায়। এই সময়ে তাঁর স্ত্রী পারুল আক্তার সেলাইয়ের কাজ করে সংসারের হাল ধরেন। পাশাপাশি অসুস্থ স্বামীর সেবা করেন পরম মমতায়।পারুল আক্তারের সঙ্গে বিলাসী চরিত্রের কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- রহিমাকে প্রথম দেখে জমিলা কী ভেবেছিল?
- ‘নিকষা’ কে ছিলেন ?
- 'বিলাসী' গল্পের কামাখ্যা কী?
- বিলাসী' গল্পে আশ্চর্য করার মতো কোন কাজটি মৃত্যুঞ্জয় করেছে?
- 'বিলাসী' গল্পটি' প্রথমে কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানী জমি, বসতবাড়ি, পুকুরসহ ক??েক একর সম্পত্তির মালিক ।এই সম্পত্তির উপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্যাতি দেবর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একদিন এক শিশুকে দুর্ভিক্ষের কবল থেকে প্রাণে বাঁচিয়ে তুলে এনে লালনপালন করতে থাকে নিজ সন্তানের মতো। শিশুটি বড়ো হতে থাকে কিন্তু সম্পত্তির লোভে সৌদামিনীয় দেখর। দবর অভিযোগ তোলে রাস্তা। থেকে একটা অস্পৃশ্য সন্তানকে তুলে এনে নিজ ঘরে আশ্রয় নিয়েছে সৌদামিনী। সে জাতের দ্বিধান লঙ্ঘন করেছে। উপরন্তু মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে। যে- সে যা করছে তা মহাপাপ, হিন্দু সমাজের জাত ধর্ম শেষ হলে গেল।(কাহিনি সূত্র: সৌদামিনী মালো- শওকত ওসমান)"মনোরঞ্জন যেন 'বিলাসী' গল্পের খুড়ারই প্রতিচ্ছবি।"- বিষয়টি মূল্যায়ন করো।
- 'ওরে বাপরে! আমি একলা থাকতে পারব না।'-উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে কোন অঞ্চলের জীবনের চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে?
- 'কবে সে থার্ড ক্লাসে উঠিয়াছিল এ খবর আমরা কেহই জানিতাম না'- বিলাসী গল্পে কার সম্পর্কে এ কথা বলা হয়েছে?
- 'স্বদেশের মঙ্গলের জন্য সমস্ত অকাতরে সহ্য করিয়া তাহাকে হিড়হিড় করিয়া টানিয়া লইয়া চলিলাম।'- ব্যাখ্যা করো।
- নূরলদীনের ডাকে কত সালে বাংলার মানুষ জেগে উঠেছিল?
- মহত্ত্বের কাহিনি আমাদের অনেক আছে'— 'বিলাসী'গল্পে ‘মহত্ত্ব' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'বিলাসী' গল্পে ভূদেব বাবু কে?
- বিশ্বনাথ একজন সাপুড়ে। তার স্ত্রী কল্পনাও সাপুড়ে। সাপ খেলা দেখিয়ে তাবিজ বিক্রি করে তাদের সংসার চলে। কিন্তু কল্পনা এখন আর সাপুড়ে পেশা পছন্দ করে না। সে বিশ্বনাথকে সাপুড়ে পেশা ছেড়ে অন্য কিছু করতে বলে। কারণ, 'প্রথমত, সাপের কামড়ে স্বামীর মৃত্যুর আশঙ্কা, দ্বিতীয়ত, শিকড়-বাকড় বিক্রির মাধ্যমে টাকা অর্জন করা লোক ঠকানোর নামান্তর। কিন্তু বিশ্বনাথ তা আমলে নেয় না। সে বলে, আমরা লোক ঠকাই না; লোকদের খেলা দেখিয়ে আনন্দের বিনিময়ে উপার্জন করি।উদ্দীপকে বিশ্বনাথ ও 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের ক্ষেত্রে যে দিকটি ফুটে উঠেছে, তার সামাজিক মূল্য নিরূপণ করো।
- মাঝে মাঝে গুরুশিষ্যের সাথে বিলাসী তর্ক করত কী নিয়ে?
- 'সব লোকে কয় কী জাত সংসারে' এ গানে লালন ফকির মানুষের। জাত পরিচয় নিয়ে প্রশ্নউত্থাপন করেছেন। নিজে কোন ধর্মের বা জাতের, লালন সম্পর্কে এমন প্রশ্ন আগেও ছিল, এখনো আছে। জাতকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেননি। জন্ম-মৃত্যুর সময় সব মানুষ তো একইভাবে আসে কিংবা যায়। তাই মানুষ জাত ও ধর্ম ভেদে যে। ডিন্নতার কথা বলে, লালন তা বিশ্বাস করেন না। লালনের মতে, ধর্মই তথ্য তথা মনুষত্ববে সুবোধই মানুষের প্রকৃত পরিচয়। সেজন্য জাতপাত নিয়ে বাড়াবাড়ি করা উচিত নয়।উদ্দীপকের জাত পরিচয়ের বিষয়টি 'বিলাসী' গল্পের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি মধুসূদন দত্তের লেখা নয়?
- ন্যাড়ার মাদুলি-কবচ মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যুর সঙ্গে কোথায় গিয়েছিল?
- 'বিলাসী' গল্পে মৃত্যুঞ্জয় প্রসঙ্গে 'সুনাম' কথাটি দ্বারাকী প্রকাশ পেয়েছে?
- মৃত্যুঞ্জয়ের বাগানের আয়তন ছিল কত?
- মৃত্যুঞ্জয় বিলাসীর হাতে কি খেইয়ে ঘোরতর অপরাধ করেছে ?
- 'বিলাসী' গল্পে প্রাতঃস্মরণীয় স্বর্গীয় মুখোপাধ্যায় মহাশয়ের ঘটনা কিসের পরিচয়?
- কে নবাব সিরাজউদ্দৌলার আত্মীয় ছিলেন?
- 'বিলাসী' গল্পের গল্পকথকের নাম কী?
- শরৎচন্দ্রের প্রথম মুদ্রিত রচনা কোনটি?