যে জিনটি অপর জিনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা দান করে সে জিন কে বলে-

এপিস্ট্যাটিক জিন 🧬
এপিস্ট্যাটিক জিন হলো সেই জিন 🧬 যা অন্য একটি জিনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা দেয়। অর্থাৎ, একটি জিন অন্য একটি জিনের প্রকাশকে দমিয়ে রাখে। মেন্ডেলের বংশগতির সূত্রে আমরা সাধারণত একটি জিনের অন্য একটি জিনের উপর প্রভাব দেখি না, কিন্তু এপিস্ট্যাসিসে একটি জিন অন্যটির প্রকাশকে পরিবর্তন করে দেয়।
এপিস্ট্যাসিসের প্রকারভেদ 📑
- ডমিন্যান্ট এপিস্ট্যাসিস: এখানে একটি ডমিন্যান্ট অ্যালিল অন্য একটি জিনের প্রকাশকে বাধা দেয়।
- রিসেসিভ এপিস্ট্যাসিস: এখানে একটি রিসেসিভ অ্যালিলের হোমোজাইগাস অবস্থা অন্য একটি জিনের প্রকাশকে বাধা দেয়।
- ডুপ্লিকেট রিসেসিভ এপিস্ট্যাসিস: এখানে দুইটি ভিন্ন রিসেসিভ জিনের হোমোজাইগাস অবস্থা কোনো একটি বৈশিষ্ট্যের প্রকাশে বাধা দেয়।
এপিস্ট্যাটিক জিনের উদাহরণ 🍎🐶
coat color in labrador retrievers 🐶 is a classic example of epistatic genes.
B allele = Black coat
b allele = brown coat
E allele = Color deposition
e allele = no color deposition (yellow coat).
এপিস্ট্যাসিসের গুরুত্ব 🤔
এপিস্ট্যাসিসের কারণে বংশগতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এটি জীববৈচিত্র্য এবং প্রজাতির বিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এপিস্ট্যাটিক জিন কোনো জীবের ফিনোটাইপ (physical characteristics) গঠনে সহায়তা করে।
এপিস্ট্যাটিক জিন এবং মেন্ডেলের সূত্র 📚
মেন্ডেলের সূত্রে প্রতিটি জিন স্বাধীনভাবে কাজ করে, কিন্তু এপিস্ট্যাসিসের ক্ষেত্রে একটি জিন অন্য জিনের উপর প্রভাব ফেলে। তাই এপিস্ট্যাসিস মেন্ডেলের সূত্রের একটি ব্যতিক্রম।
এপিস্ট্যাটিক জিন সম্পর্কিত কিছু তথ্য 📊
| বৈশিষ্ট্য | বর্ণনা |
|---|---|
| সংজ্ঞা | যে জিন অন্য জিনের প্রকাশে বাধা দেয়। |
| প্রকারভেদ | ডমিন্যান্ট, রিসেসিভ, ডুপ্লিকেট রিসেসিভ ইত্যাদি। |
| প্রভাব | ফিনোটাইপ পরিবর্তন করে। |
| গুরুত্ব | বিবর্তন এবং জীববৈচিত্র্যে ভূমিকা রাখে। |
আরও জানতে Wikipedia দেখতে পারেন। 🔗 Epistasis
আশা করি, এপিস্ট্যাটিক জিন সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 😃
This is a simple explanation. For detail, read books.📖
```- এপিস্ট্যাটিক জিন: এটি এমন একটি জিন যা অন্য জিনের কার্যকারিতাকে নিয়ন্ত্রণ করে বা বাধা দেয়।
- এপিস্ট্যাটিসম্প্রদায়ক প্রভাবের মাধ্যমে, এটি অন্য জিনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা সৃষ্টি করে।
- উদাহরণস্বরূপ, কিছু জিন অন্য জিনের কার্যকলাপকে নিষ্ক্রিয় করে বা নিয়ন্ত্রণ করে দেয়, ফলে নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য প্রকাশিত হয় না।
- পরিপূরক জিন: এই জিনগুলো এমন জিন যা একসাথে কাজ করে নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য।
- প্রতিটি জিনের আলাদা আলাদা অপ্রকাশ বা প্রকাশের মাত্রা নির্ধারণ করে বৈশিষ্ট্যের ফলাফল।
- পরিপূরক জিনের উপস্থিতি বা অভাব নির্ভর করে নির্দিষ্ট জিনোটাইপের অনুপাতের উপর, যেমন 1:2:1।
- এটি সাধারণত জিনের ক্রোমোসোমাল অবস্থান বা জিনের আন্তঃপ্রভাবের কারণে ঘটে, যা বৈশিষ্ট্য প্রকাশে প্রভাব ফেলে।
- লিথাল জিন: এই জিনটি এমন জিন যা যদি কোন ব্যক্তির জিনোমে উপস্থিত থাকে, তাহলে তার জীবনধারা বা জীবনের প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা মৃত্যু ঘটে।
- অর্থাৎ, এই জিনের ক্রমে কোনও পরিবর্তন বা বৈচিত্র্য থাকলে তা জীবনের জন্য ক্ষতিকর বা মারাত্মক হতে পারে।
- সাধারণত, লিথাল জিনের উপস্থিতি জীবের সুস্থতা বা উন্নতিতে বাধা দেয় এবং অনেক সময় এগুলিকে বংশানুক্রমিক রোগ বা অবস্থা হিসেবে গণ্য করা হয়।
হাইপোস্ট্যাটিক জিন
- হাইপোস্ট্যাটিক জিন হলো সেই জিন যা অন্য জিনের কার্যকারিতা বা প্রকাশকে বাধা বা দমন করে।
- এটি সাধারণত অ্যাক্টিভ বা প্রকাশিত জিনের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয় বা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি হাইপোস্ট্যাটিক জিন সক্রিয় হয়, তাহলে এটি অন্য জিনের প্রাকৃতিক বা সাধারণ বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা সৃষ্টি করে।
- এটি জেনেটিক ব্যবস্থায় বৈচিত্র্য বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- অর্থাৎ, হাইপোস্ট্যাটিক জিন অন্য জিনের কার্যকলাপের উপর প্রভাব বিস্তার করে, ফলে নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা সৃষ্টি করে।