মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

মুক্ত নিউক্লিয়ার বিভাজনের উদাহরণ কী?

A. ডাবের পানি
B. আলু
C. ধান
D. গম
Poster Download
BUPFSTজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ বিভাজনকোষচক্র ও ইন্টারফেজ (Topic Practice)BUP - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. ডাবের পানি
Explanation:

সাইটোকাইনোসিস না হলে এবং ক্যারিকাইনোনিন চলতে থাকলে একই কোষে বহু নিউক্লিয়াসের সৃষ্টি হয়। একে বলা হয় মুক্ত নিউক্লিয়ার বিভাজন। ডাবের পানি মুক্ত নিউক্লিয়ার বিভাজনের ফসল।

Another Explanation (5):

নিউক্লিয়ার বিভাজন: একটি পর্যালোচনা ⚛️

আপনার দেওয়া উত্তর "ডাবের পানি" সঠিক নয়। নিউক্লিয়ার বিভাজন একটি পারমাণবিক প্রক্রিয়া, যেখানে একটি ভারী নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে গিয়ে দুটি ছোট নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং সেই সাথে বিপুল পরিমাণে শক্তি নির্গত হয়। ডাবের পানির সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। 🤔

সঠিক উদাহরণ এবং ব্যাখ্যা 👇

নিউক্লিয়ার বিভাজনের সঠিক উদাহরণ হলো:

  1. ইউরেনিয়াম-২৩৫ (235U) এর বিভাজন: একটি নিউট্রন দ্বারা আঘাত করলে, ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে গিয়ে বেরিয়াম-১৪১ (141Ba) এবং ক্রিপ্টন-৯২ (92Kr) -এর নিউক্লিয়াস তৈরি করে। একই সাথে ২-৩টি অতিরিক্ত নিউট্রন এবং প্রচুর শক্তি নির্গত হয়। 🔥
  2. প্লুটোনিয়াম-২৩৯ (239Pu) এর বিভাজন: এটিও ইউরেনিয়ামের মতো নিউট্রন দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বিভাজিত হতে পারে এবং শক্তি উৎপন্ন করে।

নিউক্লিয়ার বিভাজনের মূল বিষয় ☢️

  • শৃঙ্খল প্রতিক্রিয়া (Chain Reaction): বিভাজনের সময় নির্গত নিউট্রনগুলো অন্য ইউরেনিয়াম নিউক্লিয়াসকে বিভাজিত করতে পারে, যা একটি শৃঙ্খল বিক্রিয়া তৈরি করে। 🔄
  • ক্রিটিক্যাল মাস (Critical Mass): শৃঙ্খল বিক্রিয়া টিকিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম ভরের ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়াম হলো ক্রিটিক্যাল মাস।⚖️
  • ব্যবহার: নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং পারমাণবিক বোমা তৈরিতে এই প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয়। ⚡💣

বিভাজন প্রক্রিয়ার একটি টেবিল 📊

উপাদান ব্যবহার উৎপন্ন শক্তি
ইউরেনিয়াম-২৩৫ নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পারমাণবিক বোমা প্রায় 200 MeV প্রতি বিভাজন
প্লুটোনিয়াম-২৩৯ পারমাণবিক বোমা, নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর প্রায় 210 MeV প্রতি বিভাজন

অতিরিক্ত তথ্য ➕

নিউক্লিয়ার বিভাজন একটি জটিল প্রক্রিয়া। এটি ভালোভাবে বোঝার জন্য পদার্থবিদ্যা এবং রসায়নের জ্ঞান থাকা প্রয়োজন।📚

আশা করি, এই ব্যাখ্যা আপনার প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পেরেছে। 😊

কিছু মজার তথ্য 🤔
  • প্রথম নিউক্লিয়ার বিভাজন ১৯৩৮ সালে জার্মান বিজ্ঞানী অটো হান এবং ফ্রিটস স্ট্রাসমান আবিষ্কার করেন।
  • নিউক্লিয়ার বিভাজন প্রক্রিয়া আইনস্টাইনের বিখ্যাত E=mc2 সূত্র দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়।
  • সূর্যে নিউক্লিয়ার ফিউশন (পরমাণু সংযোজন) বিক্রিয়া ঘটে, যা নিউক্লিয়ার বিভাজন থেকে ভিন্ন। ☀️
Option A Explanation:
  • প্রাকৃতিক উৎস: ডাবের পানি হলো প্রাকৃতিকভাবে ডালের মধ্যে থাকা তরল যা ডাবের ভেতর থেকে পাওয়া যায়।
  • প্রাকৃতিক বিভাজন: ডাবের পানির মধ্যে বিভিন্ন উপাদান রয়েছে যেমন জল, শর্করা, খনিজ লবণ ও অন্যান্য ক্ষুদ্র পরিমাণে উপাদান। এই উপাদানগুলো স্বাভাবিকভাবে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের উপাদানে বিভক্ত হয়।
  • উদাহরণস্বরূপ: ডাবের পানিতে থাকা শর্করা বা অন্যান্য ক্ষুদ্র উপাদানগুলো স্বাভাবিকভাবে বিভক্ত হতে পারে, যা নিউক্লিয়ার বিভাজনের মতই প্রাকৃতিক বিভাজনের একটি উদাহরণ।
Option B Explanation:
  • আলু: আলু মূলত একটি মূলের উদ্ভিদ যা মাটির নিচে জন্মায়। এটি একটি স্টার্চ সমৃদ্ধ রুট টিউবার, যা উদ্ভিদের স্টোরেজ অঙ্গ হিসেবে কাজ করে। আলুর এই মূলের অংশ থেকে নতুন গাছ ও শাখা বৃদ্ধি পায়।
  • আলু গাছের মূলের অংশ থেকে উদ্ভিদ জন্মায়, যা সাধারণত মাটির নিচে থাকে।
  • আলু বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ, যেমন কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন C, ও খনিজ পদার্থ।
  • উৎপাদনের জন্য আলু সাধারণত শীতকালীন মৌসুমে চাষ করা হয়।
Option C Explanation:
  • ধান (Oryza sativa)
  • এটি একটি C4 উদ্ভিদ, যার অর্থ হলো এটি একটি C4 প্রক্রিয়ায় ফটোসিনথেসিস করে।
  • সাধারণত, ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্যের মধ্যে একটি, যা উষ্ণ এবং আর্দ্র পরিবেশে ভাল বৃদ্ধি পায়।
  • এটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর পাতার গড়া এবং রঙের বৈচিত্র্য, যা সূর্যরশ্মির তাপ ও আলোতে কার্যকরভাবে ফটোসিন্থেসিস করতে সক্ষম।
  • প্রধানত, ধান দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং এর ফলন উচ্চ মানের খাদ্যশস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
Option D Explanation:
  • গম হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ শস্য যা প্রধানত শুষ্ক ও ঠাণ্ডা পরিবেশে উন্নত হয়।
  • এটি C4 উদ্ভিদ শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত, কারণ এটি উচ্চ শোষণ ক্ষমতা ও কম পানি ব্যবহার করে Photosynthesis করে।
  • Gমের Photosynthesis প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাইঅক্সাইডের শোষণ ও রঙিন জৈব যৌগের উৎপাদন বেশি হয়, যা বেশি সূর্যালোক শোষণের জন্য উপযুক্ত।
  • এটি দ্???ুত বৃদ্ধি পায় এবং উচ্চ ফলন দেয়, বিশেষ করে উষ্ণ ও শুষ্ক অঞ্চলে।
  • Gমের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি C4 পদ্ধতিতে Photosynthesis করে, যা শাকসবজি ও খাদ্যশস্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।