"বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সেই চোখ" -কার চোখ?
A. মজিদের
B. রহিমার
C. আক্কাছের
D. গ্রামবাসীর
সঠিক উত্তরঃ
D.
গ্রামবাসীর
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মজিদ কীভাবে দিনের পর দিন তার আত্মবিশ্বাস ফিরে পায়?
- 'লালসালু' উপন্যাসে অশীতিপর বৃদ্ধ কে?
- ধর্মের অপব্যাখ্যা আর সামাজিক কুসংস্কারের কাছেঅসহায় আত্মসমর্পণ করে আলেয়া, অথচ তারই বড় বোনরাহেলা সবকিছুকেই যুক্তি দিয়ে বিচার করতে চায়, যদিওপরিণামে তাকে কঠিন ফলই ভোগ করতে হয়। উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাস নিচের কোনমন্তব্যকে যৌথভাবে ধারণ করে?
- "গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই অন্য সংস্করণ"- মন্তব্যটি বুঝিয়ে লেখ।
- ‘লালসালু' উপন্যাসে মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী ?
- উত্তরাঞ্চলকে অনেকেই বলেন, 'বাহেরমুল্লুক'। সেই 'বাহেরমুল্লুকের' অনেক স্থানই ফি-বছর তিস্তা-ব্রহ্মপুত্রের ভয়াল ভাঙনের কবলে পড়ে। এই ভাঙন কবলিত গৃহহীন মনসুর মিয়া সপরিবারে চলে যান সুদূর দক্ষিণের দ্বীপাঞ্চলে। সেখানে ভেষজ চিকিৎসকের পেশায় তাঁর অল্পদিনেই সুনাম হয়। জটিল রোগীর আগমন ঘটলে সরাসরি হাসপাতালে গিয়ে উন্নত চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দেন। উপার্জনের পয়সায় দ্বিপাঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়ানোর জন্য স্কুল প্রতিষ্ঠার কথাও ভাবেন।উদ্দীপকের মনসুর মিয়ার বিড়ম্বিত জীবন 'লালসালু' উপন্যাসের কার কথা মনে করিয়ে দেয়? আলোচনা কর।
- খালেক ব্যাপারীর প্রথম স্ত্রীর নাম কী?
- মোড়লদিয়ার মাদক ব্যবসায়ী তাকত আলী গঞ্জের কুখ্যাত মাফিয়া। মাদকাসক্ত করে গঞ্জের যুব সমাজকে সে বশীভূত করে রেখেছে। ইদানীং আরব আলী নামে আরেক ব্যবসায়ী গঞ্জে মাদক ব্যাবসা' শুরু করলে ব্যাবসায় মন্দার ভয়ে তাকত আলী ক্ষুব্ধ ও চিন্তিত হয়ে ওঠে। তাই নিজের রাজত্বকে নিষ্কণ্টক করতে এক রাতের আঁধারে তার সাঙ্গোপাঙ্গকে দিয়ে সশস্ত্র হামলা চালায় আরব আলীর ওপর। উৎখাত করে আরব আলীকে।'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে উদ্দীপকের আরব আলীর মিল রয়েছে?
- 'লালসালু' উপন্যাসের মাজারটি দেখতে কীসের মতো?
- কার উক্তিটি দুই দিকে কাটে?
- সুখে থাকিয়া এবং পেট ভরিয়া খাইয়া কিছুদিনের মধ্যে ভিখুর দেহে পূর্বের স্বাস্থ্য ফিরিয়া আসিল। তাহার ছাতি ফুলিয়া উঠিল, প্রত্যেকটি অঙ্গ সঞ্চালনে হাতের ও পিঠের মাংসপেশি নাচিয়া উঠিতে লাগিল। অবরুদ্ধ শক্তির উত্তেজনায় ক্রমে ক্রমে তাহার মেজাজও উদ্ধত অসহিষ্ণু হইয়া পড়িল। অভ্যস্ত বুলি আওড়াইয়া কাতরভাবে সে এখন ভিক্ষা চায়। কিন্তু ভিক্ষা না পাইলে তাহার ক্রোধের সীমা থাকে না। লোকজন না থাকিলে তাহার প্রতি উদাসীন পথিককে অশ্লীল গাল দিয়া বসে। এক পয়সার জিনিস কিনিয়া ফাউ না পাইলে দোকানিকে মারিতে ওঠে। নদীর ঘাটে মেয়েরা স্নান করিতে নামিলে ভিক্ষা চাহিবার ছলে জলের ধারে গিয়া দাঁড়ায়।'ভিখুর মতো রমণীদেহের প্রতি মজিদেরও লোলুপ দৃষ্টি ছিল।'- তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- বাংলাদেশের একটি ছোট্ট জনপদ বসন্তপুর। সভ্য জীবনের কোনো ছোঁয়া এখানে নেই। অসুখে-বিসুখে আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া তাবিজ, ঝাড়ফুঁক, পানিপড়াই তাদের একমাত্র ভরসা। এ গ্রামের মেয়ে হনুফা নিরক্ষর হলেও তার কথাবার্তা ও চিন্তাচেতনায় বুদ্ধিমত্তার ছাপ স্পষ্ট। আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া কেরামতিতে সে আদৌ বিশ্বাস করে না। গ্রামবাসীদের সে আবুল মিয়ার ভণ্ডামি সম্পর্কে সচেতন করে এবং যেকোনো অসুস্থতায় আবুল মিয়ার কাছে না গিয়ে শত কষ্ট হলেও ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।'উদ্দীপকের হনুফা আর 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা একে অপরের পরিপূরক।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- আওয়ালপুরের পীরসাহেবের প্রধান মুরিদ কে?
- ফতেহপুর গ্রামের আলাল কবিরাজ। দশ গ্রামে তার খ্যাতি। সাপে কাটা, পেটে ব্যথ্যা, পা ভাঙ্গা, সন্তান লাভসহ সকল সমস্যার সমাধান কবিরাজ মশাইয়ের ফুঁ দেয়া এক গ্লাস পানিতে। গ্রামের সরল বিশ্বাসী মানুষজন তার টার্গেট গ্রুপ। দশ বছরের ব্যবধানে ঝুপড়ি ঘর থেকে বিল্ডিং করেছেন। আর কি কি করা যায় ভেবে মাঝে মাঝেই তার চোখ চকচকে হয়ে ওঠে।উদ্দীপকের আলাল কবিরাজ ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের আংশিক রূপ ধারণ করেছে। মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসে পদ্মাপাড়ের জেলে ও মাঝিদের জীবন সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে। তাদের একমাত্র অবলম্বন, সুখ- দুঃখের সাথী পদ্মানদী। জীবন সংগ্রামী এসব জেলেদের মধ্যে কুবের ও তার সঙ্গীদের জীবনাচরণ নিয়ে আবর্তিত হয়েছে উপন্যাসের কাহিনী। বৈচিত্র্যহীন একঘেয়ে তাদের জীবন। ধনঞ্জয়ের নৌকায় মাছ ধরে, কুবের ও গণেশ। মালিক হিসেবে ধনঞ্জয় নেয় অর্ধেক আর কুবের ও গণেশ পায় বাকি অর্ধেক। এছাড়া মাছের সংখ্যা কম দেখিয়ে ধনঞ্জয় তাদের ঠকায়। সব বুঝেও তারা কোনো প্রতিবাদ করতে পারে না। এই অবস্থা সর্বত্র, সব নৌকায়। শত শত নৌকায় শত শত কুবের ও গণেশ শ্রম দিয়ে মাছ ধরে। এক সময় কুবেরই কাহিনীর প্রাণকেন্দ্রে এসে দাঁড়ায় সে-ই পদ্মাপাড়ের সকল জেলে-মাঝিদের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই "পদ্মানদীর মাঝি" নামকরণের মধ্য দিয়ে ঔপন্যাসিক তার জীবন-সত্যকেই প্রতিষ্ঠা দিয়েছে।উদ্দীপকের ধনঞ্জয়ের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের তুলনা কর।
- 'ও যেন ঘোর পাপী। পাপের জ্বালায় এখন ছটফট করছে।' এখানে কার কথা বলা হয়েছে?
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদায় যে চোখ।' কার চোখ?
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'ভাং-গাঁজা খাওয??া রসকসশূন্যহাড়গিলে চেহারা'— কার?
- 'লালসালু' কত সালে প্রকাশিত হয়?
- কার উক্তিটি দুই দিকে কাটে?