'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসের টুনি বুড়ো মকবুলের তৃতীয় পক্ষ। গায়ের রং কলো। দোহারা গড়ন। আয়তচোখের এই মেয়েটির বয়স তেরো-চৌদ্দর মাঝামাঝি। কিশোরীর চঞ্চলতা এখনো তার মধ্যে বিরাজমান। তাই ঘর সংসার কাকে বলে সে বুঝে ওঠেনি। সমবয়সি কারোর সঙ্গে দেখা হলে সে গল্পে মেতে ওঠে। কখনো হাসতে হাসতে মেঝেতে গড়াগড়ি খায়। কখনো অন্ধকার রাতে পরের পুকুরে মাছ ধরার জন্য জাল ফেলে। কখনো শীতের হাড়কাঁপুনি রাতে টুনি অন্যের খেজুর গাছে শিরনি বাঁধার জন্য হাঁড়ি নিয়ে গাছে ওঠে।
'জামিলা আর টুনি যেন একই বৃত্তে দুটি ফুল।'- উক্তিটির আলোকে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্র আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- তাহেরের বাপ নিরুদ্দেশ হয়ে যায় কেন?
- ধূর্ত তুহিন সাধারণ মানুষের অশিক্ষা ও ধর্মভীতিকে কাজেলাগিয়ে এলাকাবাসীদের নিয়ন্ত্রণ করে এবং তাবিজ বিক্রি ওপানিপড়া দিয়ে অর্থ উপার্জন করে। তার স্ত্রী সহজ-সরলশোভা স্বামীর প্রতি বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতায় অন্ধ।উদ্দীপকের তুহিন ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদউভয়েরই অর্থোপার্জনের কৌশল—প্রতারণা প্রভাব বিস্তারব্যাকুলতানিচের কোনটি সঠিক?
- দিন কাটিয়া যায়। জীবন অতিবাহিত হয়। ঋতুচক্রে পাক খায়। পদ্মার ভাঙন-ধরা তীরে মাটি ধসিতে থাকে, পদ্মার বুকে জল ভেদ করিয়া জাগিয়া উঠে চর। অর্ধশতাব্দীর বিস্তীর্ণ চর, পদ্মার জলে আবার বিলীন হইয়া যায়। জেলে পাড়ার শিশুর ক্রন্দন কোনোদিন বন্ধ হয় না। ক্ষুধা-তৃষ্ণার দেবতা, হাসি-কান্নার দেবতা, অন্ধকার আত্মার দেবতা- ইহাদের পূজা কোনোদিন সাঙ্গ হয় না।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ভৌগোলিক অঞ্চলের কীরূপ সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে মজিদ কোন সময় আওয়ালপুরগ্রামে পৌঁছাল ?
- রহিমার পেটে কয়টি প্যাঁচ?
- লালসালু উপন্যাসে 'মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- “ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে"-উক্তিটিতে কী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
- সিকান্দার আবুজাফর কোন সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদকছিলেন?
- গ্রামের মাতব্বর হলেও কবির আলী এলাকায় হঠাৎ আর্বিভূত হওয়া পীর জামিলের দাপটের কাছে অসহায় বোধ করেন। নিজের মতের বিরুদ্ধে গেলেও তিনি অনেক কিছু মেনে নিতে বাধ্য হন। এমনকি জামিলের কথায় তিনি স্ত্রীকে তালাক দিতে বাধ্য হন।'উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের সমগ্র ভাব ধারণ করেনি।'- তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- মহাসড়কের পাশে পুরাতন একটি কবরকে মাজার বানিয়ে জমজমাট ব্যবসায় চালিয়ে যাচ্ছে মোখলেছ। কবরটিকে মাজারে রূপান্তরিত করার ঘটনাটি ছিল বেশ নাটকীয়। একদিন একটি যাত্রীবাহী বাস কবরটির পাশে সামান্য ধাক্কা লেগে থেমে যায়। ঠিক তখনি কবরের পাশে দাঁড়ানো মোখলেছ ড্রাইভারকে ধমকে বলে, "ল্যাংটা বাবার সাথে বেয়াদবি। সামনে তোর জন্য মহাবিপদ অপেক্ষা করছে। বাঁচতে চাইলে বাবার দরবারে যার যা আছে ফেলে যা।" মুহূর্তের মধ্যে বাসের জানালা দিয়ে কবরের পাশে বৃষ্টির মতো পড়তে লাগলো দশ টাকা, বিশ টাকা এবং একশ টাকার নোট।উদ্দীপকে বর্ণিত মাজার প্রতিষ্ঠার ঘটনাটি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনার অনুরূপ? বিশ্লেষণ কর।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ'র জন্মস্থান কোথায় ?
- তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের মানুষেরা নিত্য অভাব-অনটন নিয়ে বসবাস করে। দিনের পর দিন আসে, কিন্তু হতভাগা এ অঞ্চলের মানুষদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন আসে না। বৎসরান্তে তিস্তার অপ্রতিরোধ্য ভাঙ্গন মানুষকে আরও বেশি অসহায়, নিঃস্ব করে ফেলে। শস্যহীন মানুষগুলো ক্ষুধা-তৃষ্ণা, রোগ-শোক, শিশুর আর্তচিৎকার, সব মিলিয়ে আনন্দহীন এক মানবেতর জীবন অতিবাহিত করে। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য তারা কখনো কখনো মানত করে। এতেও তাদের জীবনযাত্রায় কোনো পরিবর্তন আসে না। ভাগ্যের অন্বেষণে তখন তারা বহির্মুখী হয়ে ওঠে।উদ্দীপকের দুরবস্থাগ্রস্ত মানুষদের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন অঞ্চলের মানুষদের, কী ধরনের মিল পাওয়া যায়?- আলোচনা কর।
- 'বিষাদ সিন্ধু' কোন ধরনের রচনা?
- ‘লালসালু’ উপন্যাসে রহিমার পেটে কত প্যাচ বেড়ি রয়েছে?
- আওয়ালপুরের পির সাহেবের প্রধান মুরিদ কে?
- ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ্' বলিত। সেই 'ফানাফিল্লাহ্'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম', 'পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন তাই জব্বার সময় একখণ্ড কালো মখমলের কাপড় দিয়া পীর সাহেবের চোখে মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।"উদ্দীপকে বর্ণিত পীর সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত মজিদেরই প্রতিচ্ছবি।”- বিশ্লেষণ কর।
- কোনটি উপন্যাস?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি?
- ‘কাশবনের কন্যা’ কোন জাতীয় রচনা?
- 'অমন করে হাঁটতে নেই বিবি, মাটি-এ গোস্বা করে।'- উদ্ধৃতাংশের মর্মার্থ ব্যাখ্যা করো।