টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ায় হ্যাপ্লয়েড উদ্ভিদ উৎপন্ন করার পদ্ধতি কোন কালচার?
RUUnit-Gজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রটিস্যু ও টিস্যুতন্ত্রস্থায়ী টিস্যু (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
পরাগধানী
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
টিস্যু কালচারে হ্যাপ্লয়েড উদ্ভিদ উৎপাদন: পরাগধানী কালচার 🌾
টিস্যু কালচার একটি গুরুত্বপূর্ণ জৈবপ্রযুক্তি যা উদ্ভিদ প্রজননে ব্যবহৃত হয়। হ্যাপ্লয়েড উদ্ভিদ উৎপাদনে এর ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। পরাগধানী কালচার হলো এমন একটি কৌশল যার মাধ্যমে পরাগধানী থেকে হ্যাপ্লয়েড উদ্ভিদ তৈরি করা যায়।
পরাগধানী কালচার পদ্ধতি 🧪
- পরাগধানী সংগ্রহ: ফুল থেকে পুং কেশরের পরাগধানী সংগ্রহ করা হয়।
- জীবাণুমুক্তকরণ: সংগৃহীত পরাগধানীকে জীবাণুমুক্ত করা হয়।
- কালচার মিডিয়ামে স্থাপন: জীবাণুমুক্ত পরাগধানীকে উপযুক্ত পুষ্টি সমৃদ্ধ কালচার মিডিয়ামে স্থাপন করা হয়।
- ইনকিউবেশন: একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও আলোতে ইনকিউবেট করা হয়। 🌱
- ক্যালাস তৈরি: পরাগধানী থেকে ক্যালাস (কোষের স্তূপ) তৈরি হয়।
- চারা উৎপাদন: ক্যালাস থেকে হ্যাপ্লয়েড চারা তৈরি হয়। 🪴
- টবে স্থানান্তর: চারাগুলোকে টবে স্থানান্তর করা হয়।
পরাগধানী কালচারের সুবিধা ✅
- কম সময়ে হ্যাপ্লয়েড উদ্ভিদ উৎপাদন করা যায়। ⏱️
- রোগমুক্ত উদ্ভিদ পাওয়া যায়। 🛡️
- নতুন বৈশিষ্ট্য সংবলিত উদ্ভিদ তৈরি করা সম্ভব। 🧬
- генетические গবেষণা ও উন্নয়নে সহায়ক। 🔬
পরাগধানী কালচারের অসুবিধা ❌
- এই পদ্ধতিটি কিছু উদ্ভিদের জন্য কঠিন হতে পারে। 😥
- সফলতার হার কম হতে পারে। 📉
- বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন। 👨🔬
বিভিন্ন উদ্ভিদে পরাগধানী কালচার 📊
| উদ্ভিদের নাম | সাফল্যের হার (প্রায়) | গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য |
|---|---|---|
| ধান (Rice) | 20-30% | রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি 🌾 |
| গম (Wheat) | 15-25% | উচ্চ ফলনশীলতা 🍞 |
| বেগুন (Eggplant) | 10-20% | আকর্ষণীয় রং ও আকার 🍆 |
| সরিষা (Mustard) | 25-35% | তেলের পরিমাণ বৃদ্ধি 🌻 |
পরাগধানী কালচার উদ্ভিদ প্রজনন এবং উন্নত জাত উদ্ভাবনে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। এর মাধ্যমে হ্যাপ্লয়েড উদ্ভিদ তৈরি করে উদ্ভিদের генетические বৈশিষ্ট্য দ্রুত পরিবর্তন করা সম্ভব। 😊
আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া 📚
```Option A Explanation:
পরাগধানী (Pollen Grain)
- পরাগধানী হল উদ্ভিদের শুক্রাণু উৎপাদনের জন্য দায়ী অঙ্গ।
- এটি মূলত অঙ্কুরের পরাগদন্ডের (anther) মধ্যে অবস্থিত।
- পরাগধানী বিভিন্ন ধরনের গর্ভাশয় থেকে তৈরি হয় এবং শুক্রাণু সংরক্ষণ করে।
- এটি শুক্রাণু বা শুক্রাণুর ব্যাগ হিসেবে কাজ করে যা পরবর্তীতে অন্য অঙ্গের সাথে সংযোগ স্থাপন করে উর্বরতা সৃষ্টি করে।
- অধিকাংশ গাছপালা ও ফুলের পরাগায়ন প্রক্রিয়ায় এই পরাগধানীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
Option B Explanation:
- মেরিস্টেম: মেরিস্টেম হলো এক ধরনের টিস্যু যা উদ্ভিদে মূলত নতুন কোষ উৎপাদন করে এবং উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এটি উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গের মতো শাখা, মূল, শ্বাসনালী, এবং কাণ্ডে পাওয়া যায়।
- মেরিস্টেম টিস্যু বিভিন্ন ধরণের হতে পারে, যেমন অ্যাপিকাল মারিস্টেম (অগ্রসরকরণে সহায়ক), প্রোক্সিমাল মারিস্টেম, এবং লম্বালম্বি বা প্রান্তিক মারিস্টেম।
- এটি সাধারণত অস্থায়ী বা স্থায়ী টিস্যুর মধ্যে থাকে এবং নতুন কোষ তৈরি করে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও উন্নয়নে সহায়তা করে।
Option C Explanation:
- ক্যালাস হল পাথুরে বা কঠিন গঠন যা সাধারণত গাছের শিকড় বা ডালপালা থেকে তৈরি হয়।
- এটি গাছের মূল অংশের মধ্যে অবস্থিত হয় এবং গাছের স্থিতিশীলতা ও সমর্থন প্রদান করে।
- প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম উপায়ে গাছের কাঠামোকে শক্তিশালী করতেও ক্যালাস গঠিত হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, গাছের ডালের ভিতরে থাকা কঠিন অংশগুলো ক্যালাস হিসেবে পরিচিত।
Option D Explanation:
ইস্টের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- প্রকার: এককোষী (ইস্ট কেবলমাত্র এককোষী)
- অঙ্গপ্রতিষ্ঠান: সাধারণত ইউক্যারিওটিক (নন-প্রোক্যারিওটিক)
- অভ্যন্তরীণ বিভাজন: সাধারণত অ্যামাইটোসিস বা মাইটোসিসের মাধ্যমে কোষ বিভাজন হয়
- সাধারণতঃ: গ্লুকোজের মাধ্যমে শক্তি উৎপাদন করে এবং বিভিন্ন এনজাইম ও প্রোটিন উৎপাদন করে