বুকের অধীর ফিনকির ক্ষুরধার
শহিদের ক্ষুর লেগে
কিশোর তোমার দুই হাতে দুই
সূর্য উঠেছে জেগে।
উদ্দীপকটি কোন কবিতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়?
A.
বিদ্রোহী
B.
সোনার তরী
C.
আঠারো বছর বয়স
D.
ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
সঠিক উত্তরঃ
D.
ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-কখনোই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোন খড়গের!শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ;একই হাসি মুখে বাজিয়েছি বাঁশি গলায় পরেছি ফাঁসআপস করিনি কখনোই আমি- এই হলো ইতিহাস।উদ্দীপকের ইতিহাস প্রসঙ্গ এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার ঐতিহ্য চেতনার সাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কোন ফুলের উল্লেখ রয়েছে?
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় ভাষাশহিদ সালামেরনাম কতবার উল্লেখ করা হয়েছে?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় আমাদের চেতনার রং—
- 'কপালে কজিতে লাল সালু বেঁধেএই মাঠে ছুটে এসেছিল কারখানা থেকে লোহার শ্রমিক,লাঙল জোয়াল কাঁধে এসেছিল ঝাঁক বেঁধে উলঙ্গ কৃষকহাতের মুঠোয় মৃত্যু চোখে স্বপ্ন নিয়ে এসেছিল মধ্যবিত্ত,নিম্নবিত্ত, করুণ কেরানি, নারী, বৃদ্ধ, ভরঘুরেআর তোমাদের মতো শিশু পাতা কুড়ানির দল বেঁধে।'উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার বক্তব্যের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- ‘ফোটে ফুল বাস্তবের বিশাল চত্বরে' কোন কবিতার অংশ?
- প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার পথেই রুমার নজর পড়ে আমগাছটির দিকে। ওদিকে তাকাতেই তার মনে পড়ে তার প্রতিবাদী বুরুর কথা। কেননা, ওই গাছটাতেই বুবু রীনার গলায় দড়ি দেওয়া লাশ পাওয়া গিয়েছিল। কয়েকটা বখাটে যুবক, তাকে প্রায়ই বিরক্তকরত। তাই একদিন সে প্রতিবাদ করেছিল এবং জুতা দেখিয়েছিল। সেই কারণে পরের দিনই তার প্রতিবাদী বুবু রীনার লাশ ওই গাছটাতে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।উদ্দীপকের চেতনা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোন বিষয়টির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- সিলেটের একটি চা-বাগানের শ্রমিকরা নানাভাবে বঞ্চিতহলেও প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। একদিন ঘূর্ণিঝড়ওঠার আশঙ্কা জেনেও মালিক তাদের কাজ করতে বাধ্যকরে। ঝড়ের সাথে সংগ্রাম করে শ্রমিকরা প্রাণে বেঁচেযায়। এরপর তারা প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। ঝড়ের কাছথেকে তারা প্রতিবাদের ভাষা শেখে।শ্রমিকদের প্রতিবাদী চেতনা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯'কবিতার কোন ঘটনার ইঙ্গিত করে?
- ১৯৭১ সালে মাতৃভূমির জন্য অকাতরে জীবন বিসর্জন দেন মতিউর রহমান, মোস্তফা কামাল, মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরসহ লক্ষ লক্ষ মানুষ। তাঁদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। উদ্দীপকের ত্যাগী মানুষদের প্রতিচ্ছবি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় যাদের নির্দেশ করে-সালাম বরকতদুঃখিনী মাতা নিচের কোনটি সঠিক?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বরকত বুক পাতে কোথায় ?
- রেডিওতে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে রূপনগর গ্রামের ছেলে রাসেল ও ফরিদ যুদ্ধে যাবার প্রস্তুতি নেয়। তারা বুঝতে পারে পাকিস্তানিদের দমন করতে না পারলে বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা করা সম্ভব হবে না। মাতৃভূমিকে স্বৈরাচারী শাসকদের কবল থেকে রক্ষার জন্য রাতের আঁধারে তারা পাড়ি জমায় ভারতে। প্রশিক্ষণ নেয়। প্রাণপণে লড়াই করতে করতে দুজনেই মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে শত্রুদের গুলির আঘাতে।উদ্দীপকে উল্লিখিত চরিত্রদ্বয় 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- তোমার রাইফেল থেকে বেরিয়ে আসছে-জীবন তুমি দাও থরোথরো দীপ্ত প্রাণ বেয়নেটে নিহত লাশকে তোমার আগমনে প্রাণ পায় মরা গাছ পোড়া প্রজাপতি তোমার পায়ের শব্দে বাংলাদেশে ঘনায় ফাল্গুন ৫৬,০০০ বর্গমাইলের এই বিধ্বস্ত বাগানে এক সুরে গান গেয়ে ওঠে সাত কোটি বিপন্ন কোকিল। [মুক্তিবাহিনীর জন্য- হুমায়ুন আজাদ] 'বাঙালির সংগ্রাম ছিল ধ্বংসের বিরুদ্ধে মানবতার লড়াই।' মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে'- পঙ্ক্তিটি আমাদের জাতীয় জীব??ের কোন ঘটনার স্মারক?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।' কবির এমন প্রত্যাশা কেন?
- খোকারা সব জেগে ওঠে আঁতকে ওঠে মা লড়াই লড়াই লড়াই শুরু-শহর পাড়া গাঁ বীরের মত রুখে দাঁড়ায় বিজলি হয়ে ছোটে মারের চোটে বর্গিরা সব ধুলো কাদায় লোটে উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে ভাবগত বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে- সংগ্রাম মিছিল মহামারিনিচের কোনটি সঠিক?
- শহিদের পুণ্য রক্তে সাত কোটিবাঙালির প্রাণের আবেগ আজপুষ্পিত সৌরভ। বাংলার নগর, বন্দরগঞ্জ, বাষট্টি হাজার গ্রামধ্বংসস্তূপ থেকে সাত কোটি ফুলহয়ে ফোটে। প্রাণময় মহৎ কবিতাআর কোথাও দেখি না এর চেয়ে।উদ্দীপকটির সঙ্গে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোন চেতনার মিল রয়েছে- ব্যাখ্যা করো।
- ’খুকি ও কাঠবিড়ালী’ কবিতাটি কার লেখা?
- 'এ রক্তের বিপরীতে আছে অন্য রং'- বলতে কী বোঝো?
- 'অবিনাশী বর্ণমালা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'তার পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল' কার কবিতার পঙক্তি?