১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ
মুজিবুর রহমান ধানমন্ডির বাসায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক
ষড়যন্ত্রে সপরিবার শাহাদাত বরণ করেন। কিছু বিপথগামী
সেনা সদস্য এ কাজে নিয়োজিত ছিল এবং তারাই হাজার
বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মেরে ফেলল। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস
করতে পারেননি যে, তাঁকে কেউ মারতে পারে।
উপর্যক্ত চরিত্রের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে-
- নিষ্ঠুরতা
- কৃতজ্ঞতা
- বিশ্বাসঘাতকতা
নিচের কোনটি সঠিক?
A.
i ও ii
B.
i ও iii
C.
ii ও iii
D.
i,ii ও iii
সঠিক উত্তরঃ
B.
i ও iii
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'ইংরেজদের হয়ে যুদ্ধ করছি কোম্পানির টাকার জন্য।তা বলে বাঙালি কাপুরুষ নয়।'- ওয়ালি খানের এইউক্তিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?
- মাস্টারদা সূর্যসেন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। এ দেশের গণমানুষকে জাগিয়ে তুলতে নানাভাবে চেষ্টা করেন। তারই নির্দেশে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাবে আক্রমণ সফল হওয়ার পর ব্রিটিশ শাসকের টনক নড়ে। তাঁকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ইংরেজরা দশ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে। অর্থের লোভে জনৈক ব্যক্তি তাঁর অবস্থান জানিয়ে দিলে তিনি ধরা পড়েন। অতঃপর তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।'প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের সূর্যসেন এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলা একই পরিণতির শিকার হয়েছেন।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- জগৎশেঠ এর প্রকৃত নাম কী?
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর ধানমন্ডির বাসায় জাতীয়- আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে হত্যা করা হয়। যারা এ হীন কাজে জড়িত ছিল তাদের সবাই বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া সেনাবাহিনীর বিপথগামী সদস্য। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতে পারেননি যে তাঁকে কেউ মারতে পারে। উদ্দীপকের বিপথগামী সেনাসদস্যদের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়?
- 'আমার শেষ যুদ্ধ পলাশিতেই।'- কেন?
- "ব্রিটিশ সিংহ ভয় লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা।"-ব্যাখ্যা করো।
- 'দেয়াল? কোথায় দেয়াল জাঁহাপনা?' - সংলাপটি কে বলেছে?
- ক্লাইভ সিরাজউদ্দৌলাকে দ্রুত হত্যা করতে চেয়েছিল কেন? ব্যাখ্যা করো।
- কেউ তো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কী চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়?ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।উদ্দীপকের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘৃণিত ও নিন্দিত অধ্যায়টি বিশ্লেষণ করো।
- সুসময়ে অনেকেই বন্ধু বটে হয়অসময়ের-হায় হায় কেউ কারো নয়।উদ্দীপকটি পলাশির যুদ্ধে পরাজিত নবাবের কোন মুহূর্তটিকে নির্দেশ করে? আলোচনা করো।
- দুর্গম গিরি কান্তার মরু, দুস্তর পারাপারলঙ্ঘিতে হবে রাত্রি নিশীথে, যাত্রীরা হুঁশিয়ার!দুলিতেছে তরি, ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ,ছিড়িয়াছে পাল, কে ধরিয়ে হাল, আছে কার হিম্মৎ?কে আছ জোয়ান হও আগুয়ান হাঁকিছে ভবিষ্যৎ।এ তুফান ভারি, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরি পার।"উদ্দীপকের মাঝি ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজ একই সূত্রে গাঁথা”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'আপনারা সব পারেন'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'শোনো, একদিন এই দেশটাতেদানবেরা দেয় হানাশকুনেরা মেলে ডানাপুড়ে ছারখার মাঠের শস্য'মানুষের আস্তানা।'"উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাথে কতটুকু যোগসূত্র স্থাপন করেছে?" বিশ্লেষণ করো।
- 'দওলত' আমার কাছে ভগবানের দাদা মশায়ের চেয়ে বড়ো'- উক্তিটির দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- আমাদের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী জনগণেরওপর ব্যাপক নির্যাতন চালায়। বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়, মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি করে এবং ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়।উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দিকটিকে ধারণ করে?
- ট্র্যাজেডি হিসেবে' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী?
- মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতীয় স্বার্থের বদলে নিজ স্বার্থ উদ্ধারের জন্য অনেকেই পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা দেয়। এদের স্বাধীনতাকামী মানুষ ঘৃণা করে। এরা গাদ্দার বলে বিবেচিত হয়।উদ্দীকের গাদ্দার 'সিরাজউদ্দৌলা নাটকের-
- 'আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে' — সিরাজেরএই উক্তির কারণ, তিনি-
- যিশুর খুবই কাছের সহচর ছিল জুডাস। একদিন জুডাস মাত্র ৩০. রৌপ্য মুদ্রার বিনিময়ে যিশুকে রোমান সৈন্যদের হাতে ধরিয়ে দিতে সহায়তা করে। উত্ত চরিত্রের কর্মফল ঘটে- দেশপ্রেমিকের মৃত্যু ইংরেজদের উথানগণবিক্ষোভ হয় নিচের কোনটি সঠিক?