অর্থ অনুসারে ‘হরিণ’ কোন ধরনের শব্দ ?
সঠিক উত্তরঃ
D.
রূঢ়ি
Explanation: অর্থ অনুসারে ‘হরিণ’ রূঢ়ি শব্দ ।
রূঢ়ি শব্দ: যেসব শব্দ প্রত্যয় ও উপসর্গযোগে মূল শব্দের অনুগামি না হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে তাদের রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমনঃ বাঁশি, তৈল, সন্দেশ, প্রবীণ, হরিণ, পাঞ্জাবী, হস্তী ইত্যাদি।
অর্থ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দ ৩ ভাগে বিভক্ত।
এগুলো হলো - যৌগিক শব্দ, রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ এবং যৌগরূঢ় শব্দ।
- যৌগিক শব্দ: যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত ও ব্যবহারিক অর্থ অভিন্ন তাদের যৌগিক শব্দ বলে।
যেমনঃ গায়ক, দৌহিত্র, চিকামারা, বাবুয়ানা, মধুর, কর্তব্য ইত্যাদি।
- যৌগরূঢ় শব্দ: সমাসনিষ্পন্ন যেসব শব্দ সমস্যমান পদসমূহের অনুগামি না হয়ে কোন বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে তাকে যৌগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমনঃ পঙ্কজ, রাজপুত, জলধি, মহাযাত্রা ইত্যাদি।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
রূঢ়ি শব্দ: যেসব শব্দ প্রত্যয় ও উপসর্গযোগে মূল শব্দের অনুগামি না হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে তাদের রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমনঃ বাঁশি, তৈল, সন্দেশ, প্রবীণ, হরিণ, পাঞ্জাবী, হস্তী ইত্যাদি।
অর্থ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দ ৩ ভাগে বিভক্ত।
এগুলো হলো - যৌগিক শব্দ, রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ এবং যৌগরূঢ় শব্দ।
- যৌগিক শব্দ: যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত ও ব্যবহারিক অর্থ অভিন্ন তাদের যৌগিক শব্দ বলে।
যেমনঃ গায়ক, দৌহিত্র, চিকামারা, বাবুয়ানা, মধুর, কর্তব্য ইত্যাদি।
- যৌগরূঢ় শব্দ: সমাসনিষ্পন্ন যেসব শব্দ সমস্যমান পদসমূহের অনুগামি না হয়ে কোন বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে তাকে যৌগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমনঃ পঙ্কজ, রাজপুত, জলধি, মহাযাত্রা ইত্যাদি।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)