কোন দিক বিবেচনা করে 'আহ্বান' গল্পের নামকরণ
করা হয়েছে?
A.
গল্পবস্তু
B.
ভাববস্তু
C.
চরিত্র
D.
স্থান
সঠিক উত্তরঃ
B.
ভাববস্তু
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মোবারক নিঃসন্তান দরিদ্র কৃষক। সে শীতের কোনো এক সন্ধ্যায় কাজ শেষে ব্যস্তভাবে বাড়ি ফিরছিলো। হঠাৎ বড় আম বাগানের ভিতর থেকে এক শিশুর কান্নার শব্দ তার কানে এলো। সে একটু এগিয়ে দেখলো, এক রুগ্ন শিশু শুকনো পাতার ভিতর নড়ছে। শিশুটিকে মোবারক বাড়ি নিয়ে এলো এবং স্ত্রী ফরিদাকে ডেকে বললো, "এই নাও, আমাদের শূন্য ঘরের আনন্দ।" দুজনে মিলে শিশুটির নাম রাখল রহমত। শিশুটিকে মোবারক ও ফরিদা সন্তান স্নেহে লালন-পালন করতে লাগলো।"উদ্দীপকের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য ও 'আহ্বান' গল্পের মূল বক্তব্য একই সূত্রে গাঁথা।"- মূল্যায়ন করো।
- বিভূুতভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পগ্রন্থ কোনটি?
- পাথালিয়া একটি আদর্শ গ্রাম। এখানে বিভিন্ন ধর্মেরলোকদের মধ্যে রয়েছে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ। ধনীনির্ধন নির্বিশেষে পরস্পরকে সাহায্য-সহযোগিতা করেতারা সাধ্যমতো । উদ্দীপকে 'আহ্বান' গল্পের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?
- ‘কতকাল পরে বাবা মনে পড়ল দেশের কথা' - 'আহ্বান' গল্পে এ উক্তি কে করেছিলেন ?
- কোন উপন্যাসটি বিভূতিভূষণের লেখা নয়?
- “পরদিন কলকাতা চলে গেলাম।" “আহ্বান’' গল্পভুক্ত এই বাক্যে কার সম্পর্কে বলা হচ্ছে?
- 'আহ্বান' গল্পে বুড়ি লেখকের জন্য কী এনেছিলেন?
- মোবারক নিঃসন্তান দরিদ্র কৃষক। সে শীতের কোনো এক সন্ধ্যায় কাজ শেষে ব্যস্তভাবে বাড়ি ফিরছিলো। হঠাৎ বড় আম বাগানের ভিতর থেকে এক শিশুর কান্নার শব্দ তার কানে এলো। সে একটু এগিয়ে দেখলো, এক রুগ্ন শিশু শুকনো পাতার ভিতর নড়ছে। শিশুটিকে মোবারক বাড়ি নিয়ে এলো এবং স্ত্রী ফরিদাকে ডেকে বললো, "এই নাও, আমাদের শূন্য ঘরের আনন্দ।" দুজনে মিলে শিশুটির নাম রাখল রহমত। শিশুটিকে মোবারক ও ফরিদা সন্তান স্নেহে লালন-পালন করতে লাগলো।উদ্দীপকের মোবারক দম্পতির মাধ্যমে 'আহ্বান' গল্পের কোন দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? আলোচনা করো।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র হিমেল। লেখাপড়ার ব্যস্ততায় তার গ্রামের বাড়িতে আসার খুব একটি সুযোগ হয় না। তবে ঈদের ছুটি, পূজার ছুটিতে যখন নিজ গ্রামে আসে, গরিব-দুঃখী মানুষের খোঁজ-খবর নেয়; সেবা-যত্ন করে। নিজের নাস্তার খরচ, হাত খরচ থেকে বাঁচানো টাকায় গ্রামের হতদরিদ্র অসুস্থ মানুষদের চিকিৎসার জন্য অর্থ সাহায্য করে। এমনকি দুস্থদের কেউ মৃত্যুবরণ করলে সে কাফনের কাপড় পর্যন্ত কিনে দেয়। গ্রামের সবাই তাকে পছন্দ করে এবং ভালোবাসে।'গ্রামের সবাই তাকে পছন্দ করে এবং ভালোবাসে- গোপালের ক্ষেত্রেও একথা সমভাবে প্রযোজ্য'-উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- বুড়ি কেন বারবার গোপালের কাছে যেতেন?
- 'আহ্বান' গল্পে লেখক বুড়িকে প্রথম কোথায় দেখেছিলেন?
- কোনটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৃষ্ট রচনা?
- 'গোয়ালপোরা' শব্দের অর্থ কী?
- 'আহ্বান' গল্পে বর্ণিত বুড়ির স্বামী পেশায় কী ছিলেন?
- আহ্বান' গল্পের স্নেহময়ী বৃদ্ধার স্বামীর নাম কী?
- "ওর স্নেহাতুর আত্মা বহুদূর থেকে আমায় আহ্বান করে এনেছে।"- ব্যাখ্যা কর।
- 'আহ্বান' গল্পের লেখকের নামের শুদ্ধ বানান কোনটি ?
- 'আহবান' গল্পে গল্পকথক বুড়ির কাছ থেকে পেত-
- "আমার বড্ড কষ্ট, ভাত জোটে না সবদিন" উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'আহ্বান' গল্পের বুড়ি কে?
- ‘আহবান’ গল্পের বুড়ি গল্পকথককে কি নামে ডাকত?
- 'কেন বাবা, পয়সা কেন?' বুড়ির এ বক্তব্যে কোনবিষয়টি ফুটে উঠেছে?
- 'ওর স্নেহাতুর আত্মা বহুদূর থেকে আমায় আহ্বান করে এনেছে।"- এ উক্তির তাৎপর্য কী?
- দুই বন্ধু উত্তম চক্রবর্তী ও রতন মুখার্জি অচিন গাঁয়ে এক মরাবৃদ্ধকে দেখতে পেল। উত্তম মৃত মানুষটিকে সৎকারেরউদ্দেশ্যে কাঁধে তুলে নিতেই রতন জাত-পাতের প্রশ্ন তুলেবাদ সাধল। উত্তম বলল, “মরার আবার জাত কী?” উদ্দীপক ও 'আহ্বান' গল্পে প্রকাশিত ভাব-
- গ্রামীণ লোকায়ত জীবনধারা শাস্ত্রীয় কঠোরতা থেকে যে অনেকটা মুক্ত তা কোন গল্পে প্রতীয়মান?
- 'আহ্বান' গল্পে বুড়ির স্বামী কোন পেশায় নিয়োজিত ছিল?
- বুড়িকে মা বলে ডাকে কে?
- সমাজপতিদের চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত সৌদামিনী প্রকাশ করতে বাধ্য হয় যে, তার পালিতপুত্র হরিদাস নমশূদ্র নয়, সে মুসলমানের ঔরসজাত। হরিদাসও নিশ্চিত হয় সৌদামিনী মালো তার মা নয়। আর এ কথা জেনেই সে নিরুদ্দিষ্ট হয়। সৌদামিনীর মাতৃত্বের অবসান হয়। ফলে অচিরেই তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে। সমাজের চাপে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয়ের বলি ঘটে বটে, তবে তার হৃদয়ের হাহাকার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হতে থাকে। তার দীর্ঘশ্বাসে উচ্চকিত হয়- মাতৃহৃদয়ের কাছে ধর্ম, অর্থ সকলই তুচ্ছ। এভাবেই জয় হয় মানবিক সম্পর্কের।উদ্দীপকের সৌদামিনী মালো 'আহ্বান' গল্পের কার সঙ্গে তুলনীয়? আলোচনা কর।
- নীরব ভাষার বৃক্ষ আমাদের কী গান শোনায়?
- বিভূতিভূষণের 'আহবান' গল্পে লেখকের সহপাঠি ছিল-
- দুই বন্ধু উত্তম চক্রবর্তী ও রতন মুখার্জি অচিন গাঁয়ে এক মরাবৃদ্ধকে দেখতে পেল। উত্তম মৃত মানুষটিকে সৎকারেরউদ্দেশ্যে কাঁধে তুলে নিতেই রতন জাত-পাতের প্রশ্ন তুলেবাদ সাধল। উত্তম বলল, “মরার আবার জাত কী?”উত্তম চক্রবর্তীর সঙ্গে 'আহ্বান' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র-
- উদার মানবিক সম্পর্কের গল্প কোনটি?
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ‘পথের পাঁচালী’ একটি–
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'আহ্বান' কী ধরনের গল্প?
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র হিমেল। লেখাপড়ার ব্যস্ততায় তার গ্রামের বাড়িতে আসার খুব একটি সুযোগ হয় না। তবে ঈদের ছুটি, পূজার ছুটিতে যখন নিজ গ্রামে আসে, গরিব-দুঃখী মানুষের খোঁজ-খবর নেয়; সেবা-যত্ন করে। নিজের নাস্তার খরচ, হাত খরচ থেকে বাঁচানো টাকায় গ্রামের হতদরিদ্র অসুস্থ মানুষদের চিকিৎসার জন্য অর্থ সাহায্য করে। এমনকি দুস্থদের কেউ মৃত্যুবরণ করলে সে কাফনের কাপড় পর্যন্ত কিনে দেয়। গ্রামের সবাই তাকে পছন্দ করে এবং ভালোবাসে।উদ্দীপকের হিমেলের সাথে 'আহ্বান' গল্পের কোন চরিদ্রের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'আহবান' গল্পের বুড়িকে কোন গাছের নিচে কবর দেওয়া হয়েছে?
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
- সমাজপতিদের চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত সৌদামিনী প্রকাশ করতে বাধ্য হয় যে, তার পালিতপুত্র হরিদাস নমশূদ্র নয়, সে মুসলমানের ঔরসজাত। হরিদাসও নিশ্চিত হয় সৌদামিনী মালো তার মা নয়। আর এ কথা জেনেই সে নিরুদ্দিষ্ট হয়। সৌদামিনীর মাতৃত্বের অবসান হয়। ফলে অচিরেই তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে। সমাজের চাপে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয়ের বলি ঘটে বটে, তবে তার হৃদয়ের হাহাকার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হতে থাকে। তার দীর্ঘশ্বাসে উচ্চকিত হয়- মাতৃহৃদয়ের কাছে ধর্ম, অর্থ সকলই তুচ্ছ। এভাবেই জয় হয় মানবিক সম্পর্কের।"উদ্দীপক ও 'আহ্বান' গল্পে অপত্য স্নেহের নিকট সাম্প্রদায়িক চেতনা পরাজিত হয়েছে।”- বিচার কর।
- 'আহ্বান গল্পের বৃদ্ধা মারা গেছেন কোন ঋতুতে?
- কোনটি জীবনানন্দ দাশের কাব্য নয়?