মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

ডেঙ্গু ক???ন ভাইরাসজনিত রোগ?

A. ইবোলা ভাইরাস
B. পটি ভাইরাস
C. ফ্লাভি ভাইরাস
D. এডিনো ভাইরাস
Poster Download
MEDICALজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবভাইরাসঘটিত রোগসমূহ (Topic Practice)MEDICAL - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. ফ্লাভি ভাইরাস
Explanation: ডেঙ্গু ফ্লাভি ভাইরাসজনিত রোগ, সুতরাং সঠিক উত্তর C। A. ইবোলা ভাইরাস, B. পটি ভাইরাস এবং D. এডিনো ভাইরাস দ্বারা ডেঙ্গু হয় না। নোট: ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত রোগ যা Flavivirus দ্বারা সৃষ্ট এবং এটি ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভারও ঘটাতে পারে।
Another Explanation (5):

ডেঙ্গু কি? 🦟

ডেঙ্গু হলো একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা মূলত এডিস মশা দ্বারা ছড়িয়ে পড়ে। এই রোগটি বিশ্বব্যাপী একটি সাধারণ এবং উদ্বেগজনক সমস্যা।

ডেঙ্গু কিসের ভাইরাস?

ডেঙ্গু ভাইরাস ফ্লাভি ভাইরাস পর???বারের অন্তর্গত। এটি একটি RNA ভাইরাস যা চারটি বিভিন্ন ধরনের (সেরোটাইপ) থাকতে পারে।

ফ্লাভি ভাইরাস সম্পর্কিত তথ্য 🦠

নাম বৈশিষ্ট্য
ভাইরাসের নাম ফ্লাভি ভাইরাস
পরিবার ফ্লাভি ভাইরাস পরিবারের
প্রকার RNA ভাইরাস
সংক্রমণের মাধ্যম এডিস মশা 🦟

সারাংশ 📝

  • ডেঙ্গু ভাইরাস ফ্লাভি ভাইরাস পরিবারের অন্তর্গত।
  • এটি RNA ভাইরাস, যা চারটি সেরোটাইপে বিভক্ত।
  • প্রধান সংক্রমণের মাধ্যম হলো এডিস মশা 🦟।
Option A Explanation:
  • ইবোলা ভাইরাস: এটি একটি রেথিভাইরাস পরিবারের ভাইরাস, যা ইবোলা মহামারী সৃষ্টি করে।
  • প্রধানত এই ভাইরাসটি মানুষ ও অন্যান্য প্রাইমেটের মধ্যে সংক্রমিত হয়।
  • এটি উচ্চ মাত্রার জ্বর, রক্তক্ষরণ, এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ব্যর্থতা সৃষ্টি করতে পারে।
  • সংক্রমণের রাস্তাগুলি সাধারণত সংস্পর্শ, রক্ত বা শারীরিক তরলের মাধ্যমে হয়।
  • চিকিৎসার জন্য কোন নির্দিষ্ট ওষুধ নেই, তবে সমর্থনমূলক চিকিৎসা গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation: পটি ভাইরাসের ব্যাখ্যা

পটি ভাইরাসের ব্যাখ্যা

  • টাইপ: পটি ভাইরাস একটি ধরণের ভাইরাস যা সাধারণত পোষা প্রাণীর মধ্যে সংক্রমণ ঘটায়, তবে কিছু ক্ষেত্রে মানবের মধ্যেও অসুস্থতা সৃষ্টি করতে পারে।
  • অন্তঃকোষী জীবনচক্র: এটি একটি অন্তঃকোষী জীব, অর্থাৎ এটি অন্য কোষের ভিতরে বাস করে এবং সেখানে তার জীবনচক্র চালায়।
  • প্রধান সংক্রমণ: পটি ভাইরাস মূলত পোষা প্রাণীর লালা, मूত্র বা অন্য দেহের তরলের মাধ্যমে ছড়াতে পারে।
  • প্রভাব: এটি সাধারণত পশু বা পোষা প্রাণীর মধ্যে রোগ সৃষ্টি করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ঘটাতে পারে।
  • প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ: ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সাধারণ জীবাণুনাশক ব্যবস্থা ও সতর্কতা জরুরি।
Option C Explanation:
  • ফ্লাভি ভাইরাস: এটি একটি ভাইরাস পরিবারের নাম, যার মধ্যে বেশ কিছু রোগের জন্য দায়ী ভাইরাস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
  • এগুলি সাধারণত এডস, ডেঙ্গু, জিকা, ও জ্বর এর মতো ভাইরাসজনিত রোগের জন্য দায়ী।
  • ফ্লাভি ভাইরাস সাধারণত আষাঢ় বা বর্ষাকালে বেশি ছড়ায়, কারণ এ সময়ে জীবাণু বহনকারী পোকামাকড়ের সংখ্যা বেশি হয়।
  • এটি সংক্রমিত হলে সাধারণত জ্বর, মাথা ব্যথা, ব্যথা, চামড়ায় র‍্যাশ দেখা যায়।
  • প্রতিরোধের জন্য সতর্কতা, পরিচ্ছন্নতা, ও পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ।
Option D Explanation:
  • এডিনো ভাইরাস:
    • একটি ভাইরাস যা সাধারণত শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, ডায়রিয়া, চোখের সংক্রমণ এবং অন্যান্য ভাইরাসজনিত রোগ সৃষ্টি করে।
    • এডিনো ভাইরাসের সংক্রমণ বেশিরভাগই হালকা থেকে মাঝারি ধরনের হয় এবং স্বাভাবিক রোগীদের জন্য ক্ষতিকর নয়।
    • এটি ছড়িয়ে পড়ে শ্বাসের কণিকা বা সংস্পর্শের মাধ্যমে।
    • উপসর্গের মধ্যে জ্বর, গলাব্যথা, চোখের লালভাব, শ্বাসকষ্ট এবং পেটের সমস্যা থাকতে পারে।